ঢাকা ০৫:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দেশে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত

নিজস্ব সংবাদ :

 

দেশে মৃদু ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টা ৪৬ মিনিটে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ৪ দশমিক ১ ছিল বলে জানিয়েছে ইউরোপিয়ান-মেডিটেরিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি)।

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকায় ভূমিকম্পের উৎপত্তি বলে জানিয়েছে ইএমএসসি।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। আর মাই আর্থকোয়েক অ্যালার্ট জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উত্তপত্তিস্থল ঢাকা থেকে ১৮১ কিলোমিটার দূরে সুনামগঞ্জের ছাতকে।

ভূমিকম্পের মাত্রা রিখটার স্কেলে ৪ দশমিক ১০ ছিল জানিয়ে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর সিলেট কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক শাহ মোহাম্মদ সজীব হোসাইন গণমাধ্যমকে বলেছেন, এর গভীরতা স্বল্পমাত্রার হওয়ায় আশপাশের এলাকায় কম্পন অনুভূত হয়েছে।

ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থলের গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ৬২৬ কিলোমিটার গভীরে। তবে এই ভূমিকম্পে এখনো কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ০২:৪২:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
৩ বার পড়া হয়েছে

দেশে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত

আপডেট সময় ০২:৪২:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

দেশে মৃদু ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টা ৪৬ মিনিটে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ৪ দশমিক ১ ছিল বলে জানিয়েছে ইউরোপিয়ান-মেডিটেরিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি)।

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকায় ভূমিকম্পের উৎপত্তি বলে জানিয়েছে ইএমএসসি।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। আর মাই আর্থকোয়েক অ্যালার্ট জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উত্তপত্তিস্থল ঢাকা থেকে ১৮১ কিলোমিটার দূরে সুনামগঞ্জের ছাতকে।

ভূমিকম্পের মাত্রা রিখটার স্কেলে ৪ দশমিক ১০ ছিল জানিয়ে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর সিলেট কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক শাহ মোহাম্মদ সজীব হোসাইন গণমাধ্যমকে বলেছেন, এর গভীরতা স্বল্পমাত্রার হওয়ায় আশপাশের এলাকায় কম্পন অনুভূত হয়েছে।

ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থলের গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ৬২৬ কিলোমিটার গভীরে। তবে এই ভূমিকম্পে এখনো কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।