ঢাকা ১১:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
সিএনএনের প্রতিষ্ঠাতা টেড টার্নার আর নেই অনেকটাই সুস্থতার পথে, শিগগিরই দেশে ফিরছেন মির্জা আব্বাস ইউকে এশিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সেরা প্রামাণ্যচিত্র ‘মামুন: ইন প্রেইজ অফ শ্যাডোস’ ইরানে সামরিক অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা করল যুক্তরাষ্ট্র অ্যাম্বুলেন্সকে পথ করে দিতে গাড়ির বহর থামালেন প্রধানমন্ত্রী সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর মায়ের মৃত্যুতে বিরোধীদলীয় নেতার শোক প্রকাশ কলকাতায় বুলডোজার নিয়ে মিছিলে নিষেধাজ্ঞা পুলিশের দেশে সব ধরনের টিকার বড় মজুদ রয়েছে, ঘাটতি নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ১৬ মে চাঁদপুর, ২৫ মে ফেনী যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী পুশ-ইন ইস্যুতে সীমান্তে বিজিবিকে সতর্ক করা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বেস্ট ডকুমেন্টারি ফিল্ম পুরস্কার লাভ

ইউকে এশিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সেরা প্রামাণ্যচিত্র ‘মামুন: ইন প্রেইজ অফ শ্যাডোস’

নিজস্ব সংবাদ :

মোহাম্মদ রেহান আহমেদ: যুক্তরাজ্যের লন্ডনে অনুষ্ঠিত ইউকে এশিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে বাংলাদেশি নির্মাতা মকবুল চৌধুরীর প্রামাণ্যচিত্র ‘মামুন: ইন প্রেইজ অফ শ্যাডোস’ ‘বেস্ট ডকুমেন্টারি ফিল্ম’ পুরস্কার অর্জন করেছে।

বাংলাদেশের খ্যাতিমান আলোকচিত্রী নাসির আলী মামুনের জীবন ও কাজ নিয়ে নির্মিত এ চলচ্চিত্রটি দ্য গার্ডেন সিনেমায় প্রদর্শিত হয়। প্রদর্শনীতে বিপুল সংখ্যক দর্শকের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।

বিশ্বজুড়ে এশীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই উৎসবে বিভিন্ন দেশের নির্মাতাদের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় মকবুল চৌধুরীর এই কাজটি বিশেষভাবে বিচারকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। চলচ্চিত্রটির বিষয়বস্তুর গভীরতা, নান্দনিক নির্মাণশৈলী এবং ব্যতিক্রমী ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনার জন্য এটি সর্বোচ্চ সম্মান অর্জন করে।

‘Mamun: In Praise of Shadows’ প্রামাণ্যচিত্রটি আলোকচিত্রী মামুনের জীবন, শিল্পচর্চা এবং তাঁর সৃষ্টিশীল দৃষ্টিভঙ্গিকে কেন্দ্র করে নির্মিত। আলো-ছায়ার নান্দনিক ব্যবহারের মাধ্যমে সমাজের প্রান্তিক বাস্তবতা ও মানবিক গল্পগুলো অত্যন্ত সংবেদনশীলভাবে তুলে ধরা হয়েছে চলচ্চিত্রটিতে।

পুরস্কার গ্রহণের প্রতিক্রিয়ায় নির্মাতা মকবুল চৌধুরী বলেন, “এই স্বীকৃতি শুধু আমার ব্যক্তিগত অর্জন নয়, এটি বাংলাদেশের স্বাধীন ডকুমেন্টারি নির্মাণের জন্য একটি বড় প্রেরণা। আন্তর্জাতিক মঞ্চে আমাদের গল্পগুলো তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হচ্ছে, সেটিই সবচেয়ে বড় বিষয়।”

চলচ্চিত্র সমালোচকদের মতে, এই প্রামাণ্যচিত্রটি শুধু একটি শিল্পীর জীবনের দলিল নয়; বরং এটি একটি দার্শনিক অভিব্যক্তি, যেখানে ছায়ার মধ্য দিয়ে আলোকে আবিষ্কারের এক গভীর বার্তা রয়েছে।

উল্লেখ্য, এশীয় চলচ্চিত্র নির্মাতাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম, যেখানে প্রতিবছর সেরা চলচ্চিত্রগুলো প্রদর্শন ও পুরস্কৃত করা হয়। এবারের আসরে মকবুল চৌধুরীর এই সাফল্য বাংলাদেশের জন্য গৌরব বয়ে এনেছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ১০:২৯:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬
৩ বার পড়া হয়েছে

বেস্ট ডকুমেন্টারি ফিল্ম পুরস্কার লাভ

ইউকে এশিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সেরা প্রামাণ্যচিত্র ‘মামুন: ইন প্রেইজ অফ শ্যাডোস’

আপডেট সময় ১০:২৯:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

মোহাম্মদ রেহান আহমেদ: যুক্তরাজ্যের লন্ডনে অনুষ্ঠিত ইউকে এশিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে বাংলাদেশি নির্মাতা মকবুল চৌধুরীর প্রামাণ্যচিত্র ‘মামুন: ইন প্রেইজ অফ শ্যাডোস’ ‘বেস্ট ডকুমেন্টারি ফিল্ম’ পুরস্কার অর্জন করেছে।

বাংলাদেশের খ্যাতিমান আলোকচিত্রী নাসির আলী মামুনের জীবন ও কাজ নিয়ে নির্মিত এ চলচ্চিত্রটি দ্য গার্ডেন সিনেমায় প্রদর্শিত হয়। প্রদর্শনীতে বিপুল সংখ্যক দর্শকের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।

বিশ্বজুড়ে এশীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই উৎসবে বিভিন্ন দেশের নির্মাতাদের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় মকবুল চৌধুরীর এই কাজটি বিশেষভাবে বিচারকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। চলচ্চিত্রটির বিষয়বস্তুর গভীরতা, নান্দনিক নির্মাণশৈলী এবং ব্যতিক্রমী ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনার জন্য এটি সর্বোচ্চ সম্মান অর্জন করে।

‘Mamun: In Praise of Shadows’ প্রামাণ্যচিত্রটি আলোকচিত্রী মামুনের জীবন, শিল্পচর্চা এবং তাঁর সৃষ্টিশীল দৃষ্টিভঙ্গিকে কেন্দ্র করে নির্মিত। আলো-ছায়ার নান্দনিক ব্যবহারের মাধ্যমে সমাজের প্রান্তিক বাস্তবতা ও মানবিক গল্পগুলো অত্যন্ত সংবেদনশীলভাবে তুলে ধরা হয়েছে চলচ্চিত্রটিতে।

পুরস্কার গ্রহণের প্রতিক্রিয়ায় নির্মাতা মকবুল চৌধুরী বলেন, “এই স্বীকৃতি শুধু আমার ব্যক্তিগত অর্জন নয়, এটি বাংলাদেশের স্বাধীন ডকুমেন্টারি নির্মাণের জন্য একটি বড় প্রেরণা। আন্তর্জাতিক মঞ্চে আমাদের গল্পগুলো তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হচ্ছে, সেটিই সবচেয়ে বড় বিষয়।”

চলচ্চিত্র সমালোচকদের মতে, এই প্রামাণ্যচিত্রটি শুধু একটি শিল্পীর জীবনের দলিল নয়; বরং এটি একটি দার্শনিক অভিব্যক্তি, যেখানে ছায়ার মধ্য দিয়ে আলোকে আবিষ্কারের এক গভীর বার্তা রয়েছে।

উল্লেখ্য, এশীয় চলচ্চিত্র নির্মাতাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম, যেখানে প্রতিবছর সেরা চলচ্চিত্রগুলো প্রদর্শন ও পুরস্কৃত করা হয়। এবারের আসরে মকবুল চৌধুরীর এই সাফল্য বাংলাদেশের জন্য গৌরব বয়ে এনেছে।