ঢাকা ০৪:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
ইরানে সামরিক অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা করল যুক্তরাষ্ট্র অ্যাম্বুলেন্সকে পথ করে দিতে গাড়ির বহর থামালেন প্রধানমন্ত্রী সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর মায়ের মৃত্যুতে বিরোধীদলীয় নেতার শোক প্রকাশ কলকাতায় বুলডোজার নিয়ে মিছিলে নিষেধাজ্ঞা পুলিশের দেশে সব ধরনের টিকার বড় মজুদ রয়েছে, ঘাটতি নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ১৬ মে চাঁদপুর, ২৫ মে ফেনী যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী পুশ-ইন ইস্যুতে সীমান্তে বিজিবিকে সতর্ক করা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরব আমিরাতে হামলায় গভীর উদ্বেগ বাংলাদেশের পুশইন হলে পাল্টা ব্যবস্থা নিতে দ্বিধা করবে না ঢাকা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে প্রাণ গেল আরো ৬ শিশুর

দেশে সব ধরনের টিকার বড় মজুদ রয়েছে, ঘাটতি নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব সংবাদ :

 

দেশে সব ধরনের টিকার বড় মজুদ সংগ্রহ করা হয়েছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, এটি একটি রেকর্ড। বর্তমানে দেশে টিকার কোনো ঘাটতি নেই। ভবিষ্যতেও ঘাটতি হওয়ার আশঙ্কা নেই।

আজ বুধবার (৬ মে) ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে ইউনিসেফের পক্ষ থেকে আসা হাম-রুবেলা টিকার চালান গ্রহণ শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, আজকের চালানে ১৫ লাখ ডোজ টিকা একসঙ্গে দেশে এসেছে। পাশাপাশি ৯ হাজার টিডি-টিটাস সিরিজের টিকাও গ্রহণ করা হয়েছে। এ কার্যক্রম এখন নিয়মিত ধারায় চলবে এবং প্রতি সপ্তাহে নতুন করে টিকার চালান দেশে পৌঁছাবে।

তিনি আরো জানান, আগামী ১০ মে এক কোটি ৮ লাখ ডোজ এমআর, টিডি, বিসিজি, ওপিভি ও পেন্টাভ্যালেন্ট টিকা দেশে আসবে এবং তা সরবরাহব্যবস্থায় যুক্ত হবে।

সেপ্টেম্বর ২০২৬ সালের মধ্যে সম্পূর্ণ টিকা সরবরাহ নিশ্চিত করে একটি নিরাপদ বাফার স্টক গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এই মুহূর্তে আমরা দৃঢ়ভাবে বলতে পারি, দেশে টিকার কোনো সংকট নেই। স্টক ঘাটতির কোনো আশঙ্কাও নেই। এ জন্য তিনি ইউনিসেফ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, গ্যাভি ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক অংশীদারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

তিনি জানান, গত মাসের ৪ তারিখ থেকে শুরু হওয়া টিকাদান কর্মসূচিতে এরই মধ্যে ৯৩ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই শতভাগ লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে।

হাম মোকাবেলার বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, টিকা দেওয়ার পর শরীরে প্রতিরোধক্ষমতা তৈরি হতে তিন থেকে চার সপ্তাহ সময় লাগে। তাই তাৎক্ষণিকভাবে রোগ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব না হলেও পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রয়েছে।

তিনি জানান, সম্ভাব্য রোগী বৃদ্ধির কথা বিবেচনায় রেখে হাসপাতালগুলোতে শয্যা প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

ঢাকায় একটি বড় অডিটরিয়ামে অস্থায়ী হাসপাতাল প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং প্রয়োজনে দ্রুত মোবাইল হাসপাতাল স্থাপন করা যাবে। চিকিৎসক, নার্স ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম প্রস্তুত রয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, অতীতে টিকা সংকটের একটি বড় কারণ ছিল পর্যাপ্ত মজুদ না থাকা এবং নিয়মিত ক্যাম্পেইন না করা। তবে বর্তমান সরকারের উদ্যোগ ও প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সেই পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়েছে।

 

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ০৩:২৫:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬
১ বার পড়া হয়েছে

দেশে সব ধরনের টিকার বড় মজুদ রয়েছে, ঘাটতি নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৩:২৫:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

 

দেশে সব ধরনের টিকার বড় মজুদ সংগ্রহ করা হয়েছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, এটি একটি রেকর্ড। বর্তমানে দেশে টিকার কোনো ঘাটতি নেই। ভবিষ্যতেও ঘাটতি হওয়ার আশঙ্কা নেই।

আজ বুধবার (৬ মে) ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে ইউনিসেফের পক্ষ থেকে আসা হাম-রুবেলা টিকার চালান গ্রহণ শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, আজকের চালানে ১৫ লাখ ডোজ টিকা একসঙ্গে দেশে এসেছে। পাশাপাশি ৯ হাজার টিডি-টিটাস সিরিজের টিকাও গ্রহণ করা হয়েছে। এ কার্যক্রম এখন নিয়মিত ধারায় চলবে এবং প্রতি সপ্তাহে নতুন করে টিকার চালান দেশে পৌঁছাবে।

তিনি আরো জানান, আগামী ১০ মে এক কোটি ৮ লাখ ডোজ এমআর, টিডি, বিসিজি, ওপিভি ও পেন্টাভ্যালেন্ট টিকা দেশে আসবে এবং তা সরবরাহব্যবস্থায় যুক্ত হবে।

সেপ্টেম্বর ২০২৬ সালের মধ্যে সম্পূর্ণ টিকা সরবরাহ নিশ্চিত করে একটি নিরাপদ বাফার স্টক গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এই মুহূর্তে আমরা দৃঢ়ভাবে বলতে পারি, দেশে টিকার কোনো সংকট নেই। স্টক ঘাটতির কোনো আশঙ্কাও নেই। এ জন্য তিনি ইউনিসেফ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, গ্যাভি ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক অংশীদারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

তিনি জানান, গত মাসের ৪ তারিখ থেকে শুরু হওয়া টিকাদান কর্মসূচিতে এরই মধ্যে ৯৩ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই শতভাগ লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে।

হাম মোকাবেলার বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, টিকা দেওয়ার পর শরীরে প্রতিরোধক্ষমতা তৈরি হতে তিন থেকে চার সপ্তাহ সময় লাগে। তাই তাৎক্ষণিকভাবে রোগ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব না হলেও পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রয়েছে।

তিনি জানান, সম্ভাব্য রোগী বৃদ্ধির কথা বিবেচনায় রেখে হাসপাতালগুলোতে শয্যা প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

ঢাকায় একটি বড় অডিটরিয়ামে অস্থায়ী হাসপাতাল প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং প্রয়োজনে দ্রুত মোবাইল হাসপাতাল স্থাপন করা যাবে। চিকিৎসক, নার্স ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম প্রস্তুত রয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, অতীতে টিকা সংকটের একটি বড় কারণ ছিল পর্যাপ্ত মজুদ না থাকা এবং নিয়মিত ক্যাম্পেইন না করা। তবে বর্তমান সরকারের উদ্যোগ ও প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সেই পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়েছে।