ঢাকা ০৪:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
ইরানে সামরিক অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা করল যুক্তরাষ্ট্র অ্যাম্বুলেন্সকে পথ করে দিতে গাড়ির বহর থামালেন প্রধানমন্ত্রী সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর মায়ের মৃত্যুতে বিরোধীদলীয় নেতার শোক প্রকাশ কলকাতায় বুলডোজার নিয়ে মিছিলে নিষেধাজ্ঞা পুলিশের দেশে সব ধরনের টিকার বড় মজুদ রয়েছে, ঘাটতি নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ১৬ মে চাঁদপুর, ২৫ মে ফেনী যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী পুশ-ইন ইস্যুতে সীমান্তে বিজিবিকে সতর্ক করা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরব আমিরাতে হামলায় গভীর উদ্বেগ বাংলাদেশের পুশইন হলে পাল্টা ব্যবস্থা নিতে দ্বিধা করবে না ঢাকা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে প্রাণ গেল আরো ৬ শিশুর

অ্যাম্বুলেন্সকে পথ করে দিতে গাড়ির বহর থামালেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব সংবাদ :

রাজধানীর চিরচেনা যানজটের সড়কে এক অনন্য ও মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ভিভিআইপি প্রটোকলের তোয়াক্কা না করে নিজের গাড়িবহর থামিয়ে একটি মুমূর্ষু রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্সকে যাওয়ার পথ করে দিয়েছেন তিনি। বুধবার (৬ মে) সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজার এলাকার এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে এই ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সকাল ৯টার কিছু আগে প্রধানমন্ত্রী বনানী থেকে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে হয়ে সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে যাচ্ছিলেন। কারওয়ান বাজার এফডিসি মোড় সংলগ্ন প্রান্তে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসে যে, তার গাড়িবহরের ঠিক পেছনেই একটি অ্যাম্বুলেন্স সাইরেন বাজিয়ে দ্রুত যাওয়ার চেষ্টা করছে। বিষয়টি লক্ষ্য করা মাত্রই প্রধানমন্ত্রী প্রটোকলে থাকা নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন তার বহর থামিয়ে অ্যাম্বুলেন্সটিকে আগে যেতে দেওয়ার জন্য।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ পাওয়ামাত্রই নিরাপত্তা সদস্যরা রাস্তা প্রশস্ত করে অ্যাম্বুলেন্সটিকে পার করে দেন। সাধারণত রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকারপ্রধানদের চলাচলের সময় জননিরাপত্তার খাতিরে অন্য সকল যানচলাচল বন্ধ রাখা হয়। কিন্তু সেই দীর্ঘদিনের প্রথা ও কঠোর প্রটোকল ভেঙে একজন অসুস্থ মানুষের জীবনকে প্রাধান্য দেওয়ার এই ঘটনা উপস্থিত সাধারণ মানুষকে অভিভূত করে।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত পথচারী ও চালকরা জানান, বাংলাদেশে ভিভিআইপি মুভমেন্টের সময় সাধারণ মানুষকে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষায় থাকতে দেখাটাই নিয়মিত চিত্র। তবে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর থেকেই তারেক রহমান একাধিকবার জনমুখী ও মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সেই ধারণায় পরিবর্তন আনছেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা বিষয়টিকে ‘সাধারণ মানুষের প্রতি সরকারপ্রধানের গভীর দায়বদ্ধতা ও সহমর্মিতার বার্তা’ হিসেবে দেখছেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ০৩:৫২:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬
১ বার পড়া হয়েছে

অ্যাম্বুলেন্সকে পথ করে দিতে গাড়ির বহর থামালেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৩:৫২:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

রাজধানীর চিরচেনা যানজটের সড়কে এক অনন্য ও মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ভিভিআইপি প্রটোকলের তোয়াক্কা না করে নিজের গাড়িবহর থামিয়ে একটি মুমূর্ষু রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্সকে যাওয়ার পথ করে দিয়েছেন তিনি। বুধবার (৬ মে) সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজার এলাকার এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে এই ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সকাল ৯টার কিছু আগে প্রধানমন্ত্রী বনানী থেকে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে হয়ে সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে যাচ্ছিলেন। কারওয়ান বাজার এফডিসি মোড় সংলগ্ন প্রান্তে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসে যে, তার গাড়িবহরের ঠিক পেছনেই একটি অ্যাম্বুলেন্স সাইরেন বাজিয়ে দ্রুত যাওয়ার চেষ্টা করছে। বিষয়টি লক্ষ্য করা মাত্রই প্রধানমন্ত্রী প্রটোকলে থাকা নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন তার বহর থামিয়ে অ্যাম্বুলেন্সটিকে আগে যেতে দেওয়ার জন্য।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ পাওয়ামাত্রই নিরাপত্তা সদস্যরা রাস্তা প্রশস্ত করে অ্যাম্বুলেন্সটিকে পার করে দেন। সাধারণত রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকারপ্রধানদের চলাচলের সময় জননিরাপত্তার খাতিরে অন্য সকল যানচলাচল বন্ধ রাখা হয়। কিন্তু সেই দীর্ঘদিনের প্রথা ও কঠোর প্রটোকল ভেঙে একজন অসুস্থ মানুষের জীবনকে প্রাধান্য দেওয়ার এই ঘটনা উপস্থিত সাধারণ মানুষকে অভিভূত করে।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত পথচারী ও চালকরা জানান, বাংলাদেশে ভিভিআইপি মুভমেন্টের সময় সাধারণ মানুষকে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষায় থাকতে দেখাটাই নিয়মিত চিত্র। তবে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর থেকেই তারেক রহমান একাধিকবার জনমুখী ও মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সেই ধারণায় পরিবর্তন আনছেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা বিষয়টিকে ‘সাধারণ মানুষের প্রতি সরকারপ্রধানের গভীর দায়বদ্ধতা ও সহমর্মিতার বার্তা’ হিসেবে দেখছেন।