ঢাকা ১২:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
সিএনএনের প্রতিষ্ঠাতা টেড টার্নার আর নেই অনেকটাই সুস্থতার পথে, শিগগিরই দেশে ফিরছেন মির্জা আব্বাস ইউকে এশিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সেরা প্রামাণ্যচিত্র ‘মামুন: ইন প্রেইজ অফ শ্যাডোস’ ইরানে সামরিক অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা করল যুক্তরাষ্ট্র অ্যাম্বুলেন্সকে পথ করে দিতে গাড়ির বহর থামালেন প্রধানমন্ত্রী সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর মায়ের মৃত্যুতে বিরোধীদলীয় নেতার শোক প্রকাশ কলকাতায় বুলডোজার নিয়ে মিছিলে নিষেধাজ্ঞা পুলিশের দেশে সব ধরনের টিকার বড় মজুদ রয়েছে, ঘাটতি নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ১৬ মে চাঁদপুর, ২৫ মে ফেনী যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী পুশ-ইন ইস্যুতে সীমান্তে বিজিবিকে সতর্ক করা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সিএনএনের প্রতিষ্ঠাতা টেড টার্নার আর নেই

নিজস্ব সংবাদ :

 

মার্কিন সংবাদমাধ্যম ক্যাবল নিউজ নেটওয়ার্কের (সিএনএন) প্রতিষ্ঠাতা টেড টার্নার মারা গেছেন। বুধবার (৬ মে) আটলান্টায় নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর।

টার্নার এন্টারপ্রাইজের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে।

জানানো হয়েছে, মৃত্যুর সময় পরিবারের সদস্যরা তার পাশে ছিলেন।
২০১৮ সালে টেড টার্নার জানান, তিনি ‘লিউই বডি ডিমেনশিয়া’ নামে এক জটিল মস্তিষ্কের রোগে ভুগছেন। জীবনের শেষ দিনগুলো তিনি অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই করেই কাটিয়েছেন।

টেলিভিশন খবরের দুনিয়ায় এক বৈপ্লবিক পরিবর্তনের কারিগর ছিলেন ওহাইওতে জন্ম নেওয়া টার্নার।

১৯৮০ সালের ১ জুন তিনি বিশ্বের প্রথম ২৪ ঘণ্টার নিউজ চ্যানেল হিসেবে সিএনএন প্রতিষ্ঠা করেন।

শুরুতে অনেকে তার এই পরিকল্পনাকে অসম্ভব বলে উড়িয়ে দিলেও খুব দ্রুতই সিএনএন বিশ্ববাসীর কাছে খবরের অন্যতম উৎসে পরিণত হয়। বিশেষ করে ১৯৯১ সালের পারস্য উপসাগরীয় যুদ্ধ সরাসরি সম্প্রচার করে তার নেটওয়ার্ক ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়ায়। একই বছর তিনি টাইম ম্যাগাজিনের ‘ম্যান অব দ্য ইয়ার’ নির্বাচিত হন।

ব্যক্তিজীবনে ‘মাউথ অব দ্য সাউথ’ নামে পরিচিত টার্নার ছিলেন অত্যন্ত স্পষ্টভাষী। বাবার মৃত্যুর পর মাত্র ২৪ বছর বয়সে পারিবারিক বিলবোর্ড ব্যবসার হাল ধরে তিনি তার সাম্রাজ্য বিস্তার শুরু করেন।

টার্নার যুক্তরাষ্ট্রের মিডিয়া ও বিনোদন জগতে অন্যতম শক্তিশালী ব্যক্তিত্বে পরিণত হন। তার প্রতিষ্ঠিত নেটওয়ার্কগুলো মূলত সংবাদ, খেলাধুলা, পুরোনো অনুষ্ঠান (রি-রান) এবং ক্লাসিক সিনেমা নিয়ে কাজ করত।

কিন্তু তিনি সেখানেই থেমে থাকেননি।

তিনি তার ব্যবসায়িক পরিধিতে এমজিএম/ইউএ চলচ্চিত্র স্টুডিও যুক্ত করেন এবং এরপর আরও বড় সিদ্ধান্ত নেন—১৯৯৬ সালে তার টার্নার ব্রডকাস্টিং সিস্টেম-কে টাইম ওয়ার্নার-এর সঙ্গে একীভূত করেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ১১:১২:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬
১ বার পড়া হয়েছে

সিএনএনের প্রতিষ্ঠাতা টেড টার্নার আর নেই

আপডেট সময় ১১:১২:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

 

মার্কিন সংবাদমাধ্যম ক্যাবল নিউজ নেটওয়ার্কের (সিএনএন) প্রতিষ্ঠাতা টেড টার্নার মারা গেছেন। বুধবার (৬ মে) আটলান্টায় নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর।

টার্নার এন্টারপ্রাইজের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে।

জানানো হয়েছে, মৃত্যুর সময় পরিবারের সদস্যরা তার পাশে ছিলেন।
২০১৮ সালে টেড টার্নার জানান, তিনি ‘লিউই বডি ডিমেনশিয়া’ নামে এক জটিল মস্তিষ্কের রোগে ভুগছেন। জীবনের শেষ দিনগুলো তিনি অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই করেই কাটিয়েছেন।

টেলিভিশন খবরের দুনিয়ায় এক বৈপ্লবিক পরিবর্তনের কারিগর ছিলেন ওহাইওতে জন্ম নেওয়া টার্নার।

১৯৮০ সালের ১ জুন তিনি বিশ্বের প্রথম ২৪ ঘণ্টার নিউজ চ্যানেল হিসেবে সিএনএন প্রতিষ্ঠা করেন।

শুরুতে অনেকে তার এই পরিকল্পনাকে অসম্ভব বলে উড়িয়ে দিলেও খুব দ্রুতই সিএনএন বিশ্ববাসীর কাছে খবরের অন্যতম উৎসে পরিণত হয়। বিশেষ করে ১৯৯১ সালের পারস্য উপসাগরীয় যুদ্ধ সরাসরি সম্প্রচার করে তার নেটওয়ার্ক ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়ায়। একই বছর তিনি টাইম ম্যাগাজিনের ‘ম্যান অব দ্য ইয়ার’ নির্বাচিত হন।

ব্যক্তিজীবনে ‘মাউথ অব দ্য সাউথ’ নামে পরিচিত টার্নার ছিলেন অত্যন্ত স্পষ্টভাষী। বাবার মৃত্যুর পর মাত্র ২৪ বছর বয়সে পারিবারিক বিলবোর্ড ব্যবসার হাল ধরে তিনি তার সাম্রাজ্য বিস্তার শুরু করেন।

টার্নার যুক্তরাষ্ট্রের মিডিয়া ও বিনোদন জগতে অন্যতম শক্তিশালী ব্যক্তিত্বে পরিণত হন। তার প্রতিষ্ঠিত নেটওয়ার্কগুলো মূলত সংবাদ, খেলাধুলা, পুরোনো অনুষ্ঠান (রি-রান) এবং ক্লাসিক সিনেমা নিয়ে কাজ করত।

কিন্তু তিনি সেখানেই থেমে থাকেননি।

তিনি তার ব্যবসায়িক পরিধিতে এমজিএম/ইউএ চলচ্চিত্র স্টুডিও যুক্ত করেন এবং এরপর আরও বড় সিদ্ধান্ত নেন—১৯৯৬ সালে তার টার্নার ব্রডকাস্টিং সিস্টেম-কে টাইম ওয়ার্নার-এর সঙ্গে একীভূত করেন।