ফেঞ্চুগঞ্জে হাওরে অবৈধ চায়না জালে মাছ শিকার, প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ
মৌলভীবাজারের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার হাকালুকি হাওরের সীমানাসংলগ্ন এলাকায় অবৈধ ‘চায়না ম্যাজিক জাল’ ও ‘চায়না চুঙ্গা জাল’ দিয়ে মাছ শিকারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, এসব নিষিদ্ধ জাল ব্যবহারের কারণে হাওরের মৎস্যসম্পদ ও জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, হাকালুকি হাওরের জিরো পয়েন্টের পশ্চিমাংশে জুড়ি নদীর প্রবেশমুখ শাইলকান্দি ওয়ার্ডের কৃষ্ণপুর গ্রামসংলগ্ন এলাকা থেকে মৃত সিপতউল্লাহর বাড়ির নিচ থেকে পশ্চিম সীমানা পর্যন্ত জুড়ি নদীতে ৩০০টির বেশি অবৈধ চায়না ম্যাজিক জাল ও চায়না চুঙ্গা জাল পেতে মাছ শিকার করা হচ্ছে।
তাঁদের দাবি, এসব জাল ব্যবহার করে দিন-রাত প্রকাশ্যে মাছ ধরা হলেও এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো অভিযান বা ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। এতে হাকালুকি হাওরের মৎস্যসম্পদ ও জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
জুড়ীনদীর সীমানা লগ্ন কৃষ্ণপুর নামক একটি গ্রাম রয়েছে। নামে গ্রাম থাকলেও তাতে বাড়ী আছে মাত্র একটি,ঐ একটি বাড়ীতে সুফিয়ান মিয়ার পরিবার বসাবাস করেন,সুফিয়ান মিয়ার নেতৃত্বে চলছে এই মৎস্য নিধন কর্মযজ্ঞ।
মৎস্য দস্যু সুফিয়ান মিয়ার বাড়ী সংলগ্ন স্হানে অভিযান চালালে পাওয়া যাবে সকল অবৈধ উপকরণ। প্রশাসন সুফিয়ান মিয়াকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করলেই পাওয়া যাবে সকল মৎস্য দস্যুদের নাম,কারা কারা এই অবৈধ অপকর্মে লিপ্ত।
স্হানীয় সূত্রে জানা যায়,হাকালুকি হওয়রের মৎস্যসম্পদ রক্ষায় ফেঞ্চুগঞ্জ প্রশাসন সম্পূর্ণ উদাসীন।এই পরিস্থিতিতে জেলা প্রশাসনের যৌথ অভিযানের অপেক্ষায় ফেঞ্চগঞ্জের স্হানীয় জনতা।




















