ঢাকা ০৪:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
ফেঞ্চুগঞ্জে হাওরে অবৈধ চায়না জালে মাছ শিকার, প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ লন্ডনে নিউ ভিশন হাউজিং লিমিটেডের ৯ম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্টিত চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি ইজারায় ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে ১৫ বছরের চুক্তি সিলেটে ট্রেনের টিকেটে ভয়াবহ কালোবাজারি, তদন্তে পিবিআই বেঙ্গালুরুতে সিজেপির বিক্ষোভে ধ্রুব রাঠী-প্রকাশ রাজ ইউরোপীয় পার্লামেন্টে ট্রাম্পের নগ্ন সোনালি মূর্তি বিদায়ী মেসিকে যে বার্তা দিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো কঠিন শর্তে ৩৩০ কোটি ডলার বৈদেশিক ঋণ নিচ্ছে সরকার আওয়ামী লীগকে ক্ষমা করার সুযোগ নেই : রাশেদ খান ‘শরীরটা ভালো না’- মৃত্যুর আগে বন্ধুকে নানা পাটেকারের মেসেজ

‘শরীরটা ভালো না’- মৃত্যুর আগে বন্ধুকে নানা পাটেকারের মেসেজ

নিজস্ব সংবাদ :

‘শরীরটা ভালো না’- মৃত্যুর আগে বন্ধুকে নানা পাটেকারের মেসেজ

ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম অভিনেতা ও নির্মাতা নানা পাটেকার আর নেই। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) গোয়ায় নিজের বাসভবনে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

মৃত্যুকালে বরেণ্য এই অভিনেতার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর।

এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে জানা যায়, মৃত্যুর ৩ ঘণ্টা আগে নানা পাটেকার তার বন্ধুকে মেসেজ করেছিলেন। মেসেজে তিনি লিখেছিলেন—‘তার শরীর ভালো লাগছে না’। কিন্তু রাত আড়াইটা বেজে যাওয়ায় তার বন্ধু মেসেজটা দেখতে পাননি।

পরে নানা পাটেকার বন্ধুকে ফোন করেন। এই প্রতিবেদনে তার বন্ধুর নাম-পরিচয় উল্লেখ করা হয়নি।

গোয়ার মণিপাল হাসপাতালের অনকোলজি বিভাগের প্রধান ড. শেখর সালকার জানান, রাত আড়াইটার দিকে তিনি তার বন্ধুকে জানান যে তার শরীর ভালো লাগছে না। কিন্তু রাত হয়ে যাওয়ায় তার বন্ধু বার্তাটি দেখতে পাননি।

এরপর তিনি তাকে ফোন করেন। তার বন্ধু প্রায় ৪টার দিকে তার বাড়িতে যান। ততক্ষণে তার (পাটেকারের) ঘাম হচ্ছিল… তিনি জ্ঞান হারাচ্ছিলেন।
ডাক্তার জানান, পাটেকার মণিপাল হাসপাতালের কাছেই থাকতেন। অ্যাম্বুল্যান্স আনার জন্য তার তত্ত্বাবধায়ককে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়।

তিনি অ্যাম্বুল্যান্স নিয়ে ফিরে এলে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসকরা সেখানে তাকে প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে সিপিআর দিয়ে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা চালান। তবে সব চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে ভোর ৫টা ৩০ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন দায়িত্বরত চিকিৎসকরা।

সুদীর্ঘ অভিনয় ক্যারিয়ারে নিখুঁত অভিনয়শৈলী ও দাপুটে সংলাপ পরিবেশনের জন্য দর্শক হৃদয়ে আলাদা জায়গা করে নিয়েছিলেন নানা পাটেকার। তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত এই কিংবদন্তি ‘নটসম্রাট’, ‘ওয়াজুদ’, ‘পরিন্দা’, ‘আব তাক ছাপ্পান’ এবং ‘যশোবন্ত’-এর মতো অসংখ্য সফল সিনেমায় অভিনয় করে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ০৫:১০:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
৯ বার পড়া হয়েছে

‘শরীরটা ভালো না’- মৃত্যুর আগে বন্ধুকে নানা পাটেকারের মেসেজ

আপডেট সময় ০৫:১০:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম অভিনেতা ও নির্মাতা নানা পাটেকার আর নেই। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) গোয়ায় নিজের বাসভবনে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

মৃত্যুকালে বরেণ্য এই অভিনেতার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর।

এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে জানা যায়, মৃত্যুর ৩ ঘণ্টা আগে নানা পাটেকার তার বন্ধুকে মেসেজ করেছিলেন। মেসেজে তিনি লিখেছিলেন—‘তার শরীর ভালো লাগছে না’। কিন্তু রাত আড়াইটা বেজে যাওয়ায় তার বন্ধু মেসেজটা দেখতে পাননি।

পরে নানা পাটেকার বন্ধুকে ফোন করেন। এই প্রতিবেদনে তার বন্ধুর নাম-পরিচয় উল্লেখ করা হয়নি।

গোয়ার মণিপাল হাসপাতালের অনকোলজি বিভাগের প্রধান ড. শেখর সালকার জানান, রাত আড়াইটার দিকে তিনি তার বন্ধুকে জানান যে তার শরীর ভালো লাগছে না। কিন্তু রাত হয়ে যাওয়ায় তার বন্ধু বার্তাটি দেখতে পাননি।

এরপর তিনি তাকে ফোন করেন। তার বন্ধু প্রায় ৪টার দিকে তার বাড়িতে যান। ততক্ষণে তার (পাটেকারের) ঘাম হচ্ছিল… তিনি জ্ঞান হারাচ্ছিলেন।
ডাক্তার জানান, পাটেকার মণিপাল হাসপাতালের কাছেই থাকতেন। অ্যাম্বুল্যান্স আনার জন্য তার তত্ত্বাবধায়ককে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়।

তিনি অ্যাম্বুল্যান্স নিয়ে ফিরে এলে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসকরা সেখানে তাকে প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে সিপিআর দিয়ে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা চালান। তবে সব চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে ভোর ৫টা ৩০ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন দায়িত্বরত চিকিৎসকরা।

সুদীর্ঘ অভিনয় ক্যারিয়ারে নিখুঁত অভিনয়শৈলী ও দাপুটে সংলাপ পরিবেশনের জন্য দর্শক হৃদয়ে আলাদা জায়গা করে নিয়েছিলেন নানা পাটেকার। তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত এই কিংবদন্তি ‘নটসম্রাট’, ‘ওয়াজুদ’, ‘পরিন্দা’, ‘আব তাক ছাপ্পান’ এবং ‘যশোবন্ত’-এর মতো অসংখ্য সফল সিনেমায় অভিনয় করে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছেন।