ঢাকা ০৮:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
সিলেট রেঞ্জ ডিআইজি জিল্‌লুরকে বদলি লেস্টারের সঙ্গে সম্পর্ক চুকিয়ে শেফিল্ড ইউনাইটেডে হামজা বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন তারেক রহমান জাবির নিরাপত্তা কার্যালয়ের পাশে গাঁজার গাছ, ফুলগাছ ভেবে পরিচর্যা জামালপুরে বাসচাপায় প্রাণ গেল অটোরিকশার ৩ যাত্রীর সিপিএল খেলতে ওয়েস্ট ইন্ডিজে যাচ্ছেন মিরাজ মক্কা প্যাক্ট নিয়ে সরকারের উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছি: আসিফ পাঁচ বছরে ১ কোটি মানুষের বিদেশে কর্মসংস্থান হবে: প্রতিমন্ত্রী নুর বিমানবন্দরে প্রবাসীর স্বর্ণ ছিনতাই: বিএনপি ও ছাত্রদলের ৩ নেতা গ্রেপ্তার পদ্মা সেতুর ওপরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গেল যাত্রীবাহী বাস

রংপুরে ৪ খুন: সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধের ডোপ টেস্টে মাদকের অস্তিত্ব মেলেনি

নিজস্ব সংবাদ :

রংপুরের আলোচিত চার খুনের মামলায় গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডোপ টেস্টের ফল নেগেটিভ এসেছে। অর্থাৎ আসামিদের মাদক সেবনের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

ডোপ টেস্টের ফলের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার সনাতন চক্রবর্তী। যদিও তাদের গ্রেপ্তারের পর পুলিশ জানিয়েছিল, আসামিরা ইয়াবা সেবন করতে গণপতি চক্রবর্তীর বাসার ছাদে যান। এর মাধ্যমেই হত্যাকাণ্ডের সূত্রপাত বলে দাবি করে পুলিশ। এর ফলে চার খুনের আগে আসামিরা ইয়াবা সেবন করেছিলেন—পুলিশের তদন্তে উঠে আসা সেই দাবিকে ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

সনাতন চক্রবর্তী জানান, চার হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর ও স্পর্শকাতর। মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে আসামিদের ডোপ টেস্টের উদ্যোগ নেওয়া হয়। টেকনোলজিস্টকে সঙ্গে নিয়ে কারাগারে গিয়ে তাদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পরীক্ষার ফলাফলে সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের শরীরে মাদকের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।

রংপুর মেডিক্যাল কলেজের টেকনোলজিস্ট মোহাম্মদ আশরাফ বলেন, ডোপ টেস্টের জন্য সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধের ইউরিন স্পেসিমেন বা প্রস্রাবের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরে নমুনাগুলো ল্যাবরেটরিতে পাঠিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে। পরীক্ষার ফলাফলে তাদের মাদক সেবনের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

এর আগে গতকাল রবিবার চারজনকে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডোপ টেস্টের জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়। রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে গিয়ে নমুনা নেওয়া হয়।

গত ২২ আগস্ট রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী, মেয়ে ও ছেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় প্রতিবেশী সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তারা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে পুলিশ জানায়।

তবে এখন ডোপ টেস্টের ফলাফল নেগেটিভ আসায় হত্যাকাণ্ডের আগে আসামিদের মাদক সেবনের দাবি নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। যদিও তদন্তসংশ্লিষ্টরা বলছেন, ডোপ টেস্টের ফলাফল দিয়ে পুরো হত্যাকাণ্ডের তদন্তের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাবে না। হত্যার প্রকৃত কারণ, ঘটনাস্থলের আলামত, আসামিদের জবানবন্দি, সাক্ষীদের বক্তব্য এবং অন্যান্য ফরেনসিক ও পারিপার্শ্বিক তথ্যও তদন্তে বিবেচনায় নেওয়া হবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ০৫:৪৬:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬
৭ বার পড়া হয়েছে

রংপুরে ৪ খুন: সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধের ডোপ টেস্টে মাদকের অস্তিত্ব মেলেনি

আপডেট সময় ০৫:৪৬:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

রংপুরের আলোচিত চার খুনের মামলায় গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডোপ টেস্টের ফল নেগেটিভ এসেছে। অর্থাৎ আসামিদের মাদক সেবনের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

ডোপ টেস্টের ফলের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার সনাতন চক্রবর্তী। যদিও তাদের গ্রেপ্তারের পর পুলিশ জানিয়েছিল, আসামিরা ইয়াবা সেবন করতে গণপতি চক্রবর্তীর বাসার ছাদে যান। এর মাধ্যমেই হত্যাকাণ্ডের সূত্রপাত বলে দাবি করে পুলিশ। এর ফলে চার খুনের আগে আসামিরা ইয়াবা সেবন করেছিলেন—পুলিশের তদন্তে উঠে আসা সেই দাবিকে ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

সনাতন চক্রবর্তী জানান, চার হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর ও স্পর্শকাতর। মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে আসামিদের ডোপ টেস্টের উদ্যোগ নেওয়া হয়। টেকনোলজিস্টকে সঙ্গে নিয়ে কারাগারে গিয়ে তাদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পরীক্ষার ফলাফলে সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের শরীরে মাদকের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।

রংপুর মেডিক্যাল কলেজের টেকনোলজিস্ট মোহাম্মদ আশরাফ বলেন, ডোপ টেস্টের জন্য সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধের ইউরিন স্পেসিমেন বা প্রস্রাবের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরে নমুনাগুলো ল্যাবরেটরিতে পাঠিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে। পরীক্ষার ফলাফলে তাদের মাদক সেবনের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

এর আগে গতকাল রবিবার চারজনকে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডোপ টেস্টের জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়। রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে গিয়ে নমুনা নেওয়া হয়।

গত ২২ আগস্ট রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী, মেয়ে ও ছেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় প্রতিবেশী সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তারা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে পুলিশ জানায়।

তবে এখন ডোপ টেস্টের ফলাফল নেগেটিভ আসায় হত্যাকাণ্ডের আগে আসামিদের মাদক সেবনের দাবি নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। যদিও তদন্তসংশ্লিষ্টরা বলছেন, ডোপ টেস্টের ফলাফল দিয়ে পুরো হত্যাকাণ্ডের তদন্তের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাবে না। হত্যার প্রকৃত কারণ, ঘটনাস্থলের আলামত, আসামিদের জবানবন্দি, সাক্ষীদের বক্তব্য এবং অন্যান্য ফরেনসিক ও পারিপার্শ্বিক তথ্যও তদন্তে বিবেচনায় নেওয়া হবে।