ঢাকা ১০:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
রংপুর জেলা পরিষদ প্রশাসকের বিরুদ্ধে নিজ উপজেলায় অধিকাংশ প্রকল্প বরাদ্দের অভিযোগ সৌদি আরবে বিদেশি ভ্রমণকারীদের জন্য নতুন ‘প্যাকেজ ভিসা’ চালু বার্মিংহামে তীব্র তাপপ্রবাহে পথচারীদের মাঝে ঠান্ডা পানি বিতরণ করলেন সাবেক কাউন্সিলর প্রার্থী ওবায়দুল কবীর সিলেটের নতুন ডিসি আব্দুল্লাহ আল মামুন মৌলভীবাজারে ধলাই নদীর ভাঙন: পানিবন্দি ১০ হাজার মানুষ যুক্তরাষ্ট্রে খাবার ডেলিভারির সময় দুর্বৃত্তদের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত মেসির দুই রেকর্ডকে স্বীকৃতি দিল গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস বগুড়ায় হবে তুরস্কের সঙ্গে যৌথ ড্রোন কারখানা: মীর আলম মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধে ১২ বাংলাদেশি নিহত হয়েছে: প্রাবাসী কল্যাণমন্ত্রী সিলেটে যাত্রা শুরু করলো উবার

রংপুর জেলা পরিষদ প্রশাসকের বিরুদ্ধে নিজ উপজেলায় অধিকাংশ প্রকল্প বরাদ্দের অভিযোগ

নিজস্ব সংবাদ :

রংপুর জেলা পরিষদ প্রশাসকের বিরুদ্ধে নিজ উপজেলায় অধিকাংশ প্রকল্প বরাদ্দের অভিযোগ

রংপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে তাঁর নিজ উপজেলা পীরগঞ্জে অধিকাংশ উন্নয়ন প্রকল্প বরাদ্দ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। জেলা পরিষদের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আওতায় নেওয়া ১২৭টি প্রকল্পের মধ্যে ৬৪টিই পীরগঞ্জ উপজেলায় বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। অপরদিকে জেলার বাকি সাতটি উপজেলা ও রংপুর সিটি করপোরেশন এলাকার জন্য বরাদ্দ হয়েছে মাত্র ৬৩টি প্রকল্প। এ নিয়ে জেলাজুড়ে বৈষম্যমূলক বরাদ্দের অভিযোগ উঠেছে।

জেলা পরিষদ সূত্রে জানা যায়, বিভিন্ন অর্থবছরে জেলা পরিষদের অনুকূলে এডিপি থেকে সাশ্রয় হওয়া ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা দিয়ে ১২৭টি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রকল্প বণ্টনের মধ্যে পীরগঞ্জে ৬৪টি, বদরগঞ্জে ১টি, মিঠাপুকুরে ৬টি, কাউনিয়ায় ১১টি, গঙ্গাচড়ায় ৮টি, পীরগাছায় ১৩টি, তারাগঞ্জে ৬টি, সদর উপজেলায় ৬টি এবং রংপুর সিটি করপোরেশন এলাকায় ১২টি প্রকল্প বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, একটি উপজেলায় এত বেশি প্রকল্প বরাদ্দ দেওয়ায় উন্নয়ন বণ্টনে ভারসাম্য নষ্ট হয়েছে। তাদের মতে, প্রকল্প বরাদ্দের ক্ষেত্রে জনসংখ্যা, ভৌগোলিক বিস্তৃতি এবং এলাকার প্রকৃত উন্নয়ন চাহিদাকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত ছিল।

অভিযোগের বিষয়ে রংপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা এনামুল হক বলেন, “প্রশাসক সাইফুল ইসলাম নিজের উপজেলায় একচেটিয়াভাবে অধিকাংশ প্রকল্প বরাদ্দ দিয়ে নৈতিক ভিত্তি হারিয়েছেন।”

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, “এটি রিপোর্ট করার মতো কোনো বিষয় নয়। এনসিপি নেতা আক্তার হোসেন তাঁর এলাকার জন্য ৩ কোটি টাকা বরাদ্দ এনেছেন। সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ ৩০০ কোটি টাকা নিয়ে গেছেন। আমাদের বরাদ্দ সব এলাকাতেই হয়েছে এবং এতে ভারসাম্য রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমি ঘুষ খাই কি না, সেটা নিয়ে নিউজ করেন। যদি প্রমাণ করতে পারেন আমি টাকা খেয়েছি, সেটা নিয়ে নিউজ করেন। তাহলে আপনাকে অ্যাওয়ার্ড দেব।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ০৯:৩৯:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
১ বার পড়া হয়েছে

রংপুর জেলা পরিষদ প্রশাসকের বিরুদ্ধে নিজ উপজেলায় অধিকাংশ প্রকল্প বরাদ্দের অভিযোগ

আপডেট সময় ০৯:৩৯:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

রংপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে তাঁর নিজ উপজেলা পীরগঞ্জে অধিকাংশ উন্নয়ন প্রকল্প বরাদ্দ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। জেলা পরিষদের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আওতায় নেওয়া ১২৭টি প্রকল্পের মধ্যে ৬৪টিই পীরগঞ্জ উপজেলায় বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। অপরদিকে জেলার বাকি সাতটি উপজেলা ও রংপুর সিটি করপোরেশন এলাকার জন্য বরাদ্দ হয়েছে মাত্র ৬৩টি প্রকল্প। এ নিয়ে জেলাজুড়ে বৈষম্যমূলক বরাদ্দের অভিযোগ উঠেছে।

জেলা পরিষদ সূত্রে জানা যায়, বিভিন্ন অর্থবছরে জেলা পরিষদের অনুকূলে এডিপি থেকে সাশ্রয় হওয়া ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা দিয়ে ১২৭টি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রকল্প বণ্টনের মধ্যে পীরগঞ্জে ৬৪টি, বদরগঞ্জে ১টি, মিঠাপুকুরে ৬টি, কাউনিয়ায় ১১টি, গঙ্গাচড়ায় ৮টি, পীরগাছায় ১৩টি, তারাগঞ্জে ৬টি, সদর উপজেলায় ৬টি এবং রংপুর সিটি করপোরেশন এলাকায় ১২টি প্রকল্প বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, একটি উপজেলায় এত বেশি প্রকল্প বরাদ্দ দেওয়ায় উন্নয়ন বণ্টনে ভারসাম্য নষ্ট হয়েছে। তাদের মতে, প্রকল্প বরাদ্দের ক্ষেত্রে জনসংখ্যা, ভৌগোলিক বিস্তৃতি এবং এলাকার প্রকৃত উন্নয়ন চাহিদাকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত ছিল।

অভিযোগের বিষয়ে রংপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা এনামুল হক বলেন, “প্রশাসক সাইফুল ইসলাম নিজের উপজেলায় একচেটিয়াভাবে অধিকাংশ প্রকল্প বরাদ্দ দিয়ে নৈতিক ভিত্তি হারিয়েছেন।”

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, “এটি রিপোর্ট করার মতো কোনো বিষয় নয়। এনসিপি নেতা আক্তার হোসেন তাঁর এলাকার জন্য ৩ কোটি টাকা বরাদ্দ এনেছেন। সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ ৩০০ কোটি টাকা নিয়ে গেছেন। আমাদের বরাদ্দ সব এলাকাতেই হয়েছে এবং এতে ভারসাম্য রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমি ঘুষ খাই কি না, সেটা নিয়ে নিউজ করেন। যদি প্রমাণ করতে পারেন আমি টাকা খেয়েছি, সেটা নিয়ে নিউজ করেন। তাহলে আপনাকে অ্যাওয়ার্ড দেব।