ঢাকা ১১:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের পথ সামনে খুলবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব সংবাদ :

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের পথ সামনে খুলবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

সামনে রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানের পথ খুলবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। শনিবার (২৭ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফর বিষয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ের সময় এ কথা জানান তিনি।

সংবাদ ব্রিফিংয়ে ড. খলিলুর রহমান বলেন, ‘রোহিঙ্গা প্রসঙ্গে চীন আমাদের বলেছে যে তারা বাংলাদেশ এবং মায়ানমার দুই পক্ষকে সাহায্য করবে, যাতে দ্রুততার সঙ্গে এই সমস্যাটা সমাধান হয়।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে তিনটি পক্ষ আছে, উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘তিনটা পক্ষের একটা হচ্ছে মায়ানমার, আরেকটা এখন জায়গাটা যাদের অধীনে আছে আরাকান আর্মি এবং বাংলাদেশ। এ ছাড়া রোহিঙ্গা, যারা আমাদের দেশে আশ্রিত আছেন, তারাও একটা পক্ষ।’

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী যখন আমাকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেন, মায়ানমারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং আরাকান আর্মিপ্রধান—উভয় পক্ষই আমাকে অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন।

আমি বেশি খোলাসা করে বলতে পারব না। সুতরাং আমাদের যোগাযোগ আছে। বর্তমান সরকার যে ধরনের জনসমর্থন নিয়ে এসেছে, যে শক্তিতে এসেছে; আমি বিশ্বাস করি, আগামী দিনগুলোতে আমরা এই সমস্যার সমাধানের একটা পথ দেখতে পাব। আপনারা মনে রাখবেন, আগে দুইবার কিন্তু বিএনপি সরকার রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান করেছে।

এটা সবাই জানে এবং আমরা যে সমাধান করব, এটাও সবাই জানে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ০৯:৫৯:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
২ বার পড়া হয়েছে

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের পথ সামনে খুলবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৯:৫৯:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

সামনে রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানের পথ খুলবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। শনিবার (২৭ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফর বিষয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ের সময় এ কথা জানান তিনি।

সংবাদ ব্রিফিংয়ে ড. খলিলুর রহমান বলেন, ‘রোহিঙ্গা প্রসঙ্গে চীন আমাদের বলেছে যে তারা বাংলাদেশ এবং মায়ানমার দুই পক্ষকে সাহায্য করবে, যাতে দ্রুততার সঙ্গে এই সমস্যাটা সমাধান হয়।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে তিনটি পক্ষ আছে, উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘তিনটা পক্ষের একটা হচ্ছে মায়ানমার, আরেকটা এখন জায়গাটা যাদের অধীনে আছে আরাকান আর্মি এবং বাংলাদেশ। এ ছাড়া রোহিঙ্গা, যারা আমাদের দেশে আশ্রিত আছেন, তারাও একটা পক্ষ।’

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী যখন আমাকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেন, মায়ানমারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং আরাকান আর্মিপ্রধান—উভয় পক্ষই আমাকে অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন।

আমি বেশি খোলাসা করে বলতে পারব না। সুতরাং আমাদের যোগাযোগ আছে। বর্তমান সরকার যে ধরনের জনসমর্থন নিয়ে এসেছে, যে শক্তিতে এসেছে; আমি বিশ্বাস করি, আগামী দিনগুলোতে আমরা এই সমস্যার সমাধানের একটা পথ দেখতে পাব। আপনারা মনে রাখবেন, আগে দুইবার কিন্তু বিএনপি সরকার রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান করেছে।

এটা সবাই জানে এবং আমরা যে সমাধান করব, এটাও সবাই জানে।