ঢাকা ০২:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
সিলেটে ৫০০ টাকা মজুরির দাবিতে চা শ্রমিকদের কর্মবিরতি চলতি বছরের মধ্যেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু: সিইসি ৬৪ জেলায় ৬৪ জন ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী’ থাকলে মন্দ হতো না: রুমিন ফারহানা সংসদে বিরোধী দলের ওয়াকআউট রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলামকে অভিনন্দন জানিয়েছেন পুতিন পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী আমাদের তারেক রহমান: শওকতুল ইসলাম আমি এই সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত : স্পিকার জামিন চাই না, বাসায় যাওয়ার তাড়া নেই: ট্রাইব্যুনালকে দীপু মনি নেপালে ভয়াবহ বন্যা-ধসে নিহতের সংখ্যা ছাড়াল ৩০০ নর্থহ্যাম্পটনশায়ারে ৪র্থ ব্রিটিশ বাংলাদেশি বিজনেস অ্যাওয়ার্ডসের প্রথম রোডশো অনুষ্ঠিত

তিস্তা মহাপরিকল্পনায় কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী চীন

নিজস্ব সংবাদ :

তিস্তা মহাপরিকল্পনায় কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী চীন

চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বেইজিংয়ের ঐতিহাসিক গ্রেট হল অব দ্য পিপল-এ স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকাল ৫টায় শীর্ষ পর্যায়ের এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান সৃষ্টির মতো গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় ও আঞ্চলিক ইস্যুগুলো স্থান পেয়েছে।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে চীনের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ‘লাল গালিচা’ সংবর্ধনা ও ‘গার্ড অব অনার’ জানানো হয়। বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক সই হয়, যা দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বৈঠকের পর এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র এবং উপদেষ্টা মাহদী আমিন জানান, তিস্তার প্রজেক্টের বিষয়ে আমাদের একটা মহাপরিকল্পনা রয়েছে, যেটা বিএনপি নির্বাচনের ইশতেহারে প্রণীত হয়েছে।

তার আলোকে এই মহাপরিকল্পনার প্ল্যানিং স্টেজ থেকে শুরু করে যেখানে প্রয়োজন চীন আমাদের টেকনিক্যাল সাপোর্ট প্রোভাইড করবে। তাদের জ্ঞান রয়েছে তার ওপর ভিত্তি করে আমাদের প্রজেক্ট ডিফাইন করা, প্ল্যানিং করা, এক্সিকিউশন সব জায়গাতে ধারাবাহিকভাবে তারা ইনভলভ হবে বলে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

তিনি জানান, জয়েন্ট ফিজিবিলিটি স্টাডি করাটা খুব প্রয়োজন। এত বড় একটা প্রজেক্টে সেই জয়েন্ট ফিজিবিলিটি স্টাডির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সঙ্গে চীন কাজ করতে চায় এবং টোটাল ওয়াটার রিসোর্স ম্যানেজমেন্টের ড্রেনেজ সিস্টেমে যে এক্সপার্ট যেখানে রয়েছে সেটি বাংলাদেশের মধ্যে নদীমাত্রিক দেশে কাজে লাগানো সম্ভব তা দুই দেশেরই সরকার পোষণ করেছে।

মাহদী আমিন জানান, বাংলাদেশের সবচয়ে বড় ট্রেডিং পার্টনার চীন। আমাদের একটা বড় সুযোগ রয়েছে। কারণ একদিকে যেমন সবচেয়ে বড় ট্রেডিং পার্টনার একই সঙ্গে আমাদের বাংলাদেশ থেকে চীনে যে পরিমাণ রপ্তানি হয়, চীন থেকে বাংলাদেশের রপ্তানি হয় তার অনেক বেশি। সেই ক্ষেত্রে কি আমরা আমদানি বাড়াতে পারি কিনা? একই সঙ্গে চীনে বাংলাদেশের দিক থেকে রপ্তানি বাড়ানোর মাধ্যমে সেটা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ১২:৪৬:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
৪৯ বার পড়া হয়েছে

তিস্তা মহাপরিকল্পনায় কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী চীন

আপডেট সময় ১২:৪৬:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বেইজিংয়ের ঐতিহাসিক গ্রেট হল অব দ্য পিপল-এ স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকাল ৫টায় শীর্ষ পর্যায়ের এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান সৃষ্টির মতো গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় ও আঞ্চলিক ইস্যুগুলো স্থান পেয়েছে।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে চীনের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ‘লাল গালিচা’ সংবর্ধনা ও ‘গার্ড অব অনার’ জানানো হয়। বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক সই হয়, যা দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বৈঠকের পর এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র এবং উপদেষ্টা মাহদী আমিন জানান, তিস্তার প্রজেক্টের বিষয়ে আমাদের একটা মহাপরিকল্পনা রয়েছে, যেটা বিএনপি নির্বাচনের ইশতেহারে প্রণীত হয়েছে।

তার আলোকে এই মহাপরিকল্পনার প্ল্যানিং স্টেজ থেকে শুরু করে যেখানে প্রয়োজন চীন আমাদের টেকনিক্যাল সাপোর্ট প্রোভাইড করবে। তাদের জ্ঞান রয়েছে তার ওপর ভিত্তি করে আমাদের প্রজেক্ট ডিফাইন করা, প্ল্যানিং করা, এক্সিকিউশন সব জায়গাতে ধারাবাহিকভাবে তারা ইনভলভ হবে বলে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

তিনি জানান, জয়েন্ট ফিজিবিলিটি স্টাডি করাটা খুব প্রয়োজন। এত বড় একটা প্রজেক্টে সেই জয়েন্ট ফিজিবিলিটি স্টাডির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সঙ্গে চীন কাজ করতে চায় এবং টোটাল ওয়াটার রিসোর্স ম্যানেজমেন্টের ড্রেনেজ সিস্টেমে যে এক্সপার্ট যেখানে রয়েছে সেটি বাংলাদেশের মধ্যে নদীমাত্রিক দেশে কাজে লাগানো সম্ভব তা দুই দেশেরই সরকার পোষণ করেছে।

মাহদী আমিন জানান, বাংলাদেশের সবচয়ে বড় ট্রেডিং পার্টনার চীন। আমাদের একটা বড় সুযোগ রয়েছে। কারণ একদিকে যেমন সবচেয়ে বড় ট্রেডিং পার্টনার একই সঙ্গে আমাদের বাংলাদেশ থেকে চীনে যে পরিমাণ রপ্তানি হয়, চীন থেকে বাংলাদেশের রপ্তানি হয় তার অনেক বেশি। সেই ক্ষেত্রে কি আমরা আমদানি বাড়াতে পারি কিনা? একই সঙ্গে চীনে বাংলাদেশের দিক থেকে রপ্তানি বাড়ানোর মাধ্যমে সেটা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।