ঢাকা ০৮:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলামকে অভিনন্দন জানিয়েছেন পুতিন পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী আমাদের তারেক রহমান: শওকতুল ইসলাম আমি এই সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত : স্পিকার জামিন চাই না, বাসায় যাওয়ার তাড়া নেই: ট্রাইব্যুনালকে দীপু মনি নেপালে ভয়াবহ বন্যা-ধসে নিহতের সংখ্যা ছাড়াল ৩০০ নর্থহ্যাম্পটনশায়ারে ৪র্থ ব্রিটিশ বাংলাদেশি বিজনেস অ্যাওয়ার্ডসের প্রথম রোডশো অনুষ্ঠিত নেপালে ভয়াবহ পাহাড়ি ঢলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৫৭ জন নেপালে বন্যায় নিখোঁজ ২৯১ জন বিদেশি পর্যটক, কেমন আছেন অপু বিশ্বাস নেপালে তুষারধসে বন্যা: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৬, ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা ‘কল্পনার অতীত’ নেপালে বন্যা-ভূমিধস: ২৯১ বিদেশিসহ ৩৮৪ পর্যটক নিখোঁজ

আমি এই সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত : স্পিকার

নিজস্ব সংবাদ :

আমি এই সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত : স্পিকার

বর্তমান জাতীয় সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীরবিক্রম)। সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেছেন, ‘আমি এই সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত।

আজকে একে অপরকে কথা বলার সুযোগকে যেভাবে বাধা দেওয়ার প্রচেষ্টা দেখেছি, এটা সংসদের জন্য ভালো লক্ষণ নয়।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ও বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট হট্টগোল ও বাগবিতণ্ডার পর স্পিকার এসব কথা বলেন। আজ বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন শুরু হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার।

সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে স্পিকার বলেন, ‘বহু ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত গণতন্ত্রকে সচল রাখতে এবং জনগণের এই প্রতিষ্ঠানকে কার্যকর রাখতে হলে রুলস অব প্রসিডিউর কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।’

‘আপনাদের বলব, সংসদের রুলস অব প্রসিডিউর পড়ুন। স্পিকার যখন কথা বলেন তখন সবাইকে বসে শুনতে হয়। এই আইন-নীতি যদি না মানেন, ভঙ্গ করেন তাহলে এই সংসদ বেশিদিন চলবে না’, যোগ করেন স্পিকার।

জাতীয় সংসদে নিজের ৪০ বছরের অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করেন স্পিকার। তিনি অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে একটি ভালো সংসদ উপহার দেওয়ার জন্য সব সংসদ সদস্যের প্রতি আহ্বান জানান।

কুমিল্লা-৪ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর প্রশ্ন বুঝতে পারেননি জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘স্পিকার, এটা প্রশ্ন হলো, না পল্টনের বক্তৃতা হলো, বুঝতে পারিনি।’ এর পরই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য ঘিরে সংসদে হট্টগোল ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘যদি কথাই না বলতে দেন, তাহলে কিসের বাকস্বাধীনতা।

এর পরেই সংসদে হট্টগোল শুরু হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন বক্তব্য এক্সপাঞ্জ করার দাবি জানানো হয় বিরোধী দলের পক্ষ থেকে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ০৭:৫৫:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
৪ বার পড়া হয়েছে

আমি এই সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত : স্পিকার

আপডেট সময় ০৭:৫৫:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

বর্তমান জাতীয় সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীরবিক্রম)। সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেছেন, ‘আমি এই সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত।

আজকে একে অপরকে কথা বলার সুযোগকে যেভাবে বাধা দেওয়ার প্রচেষ্টা দেখেছি, এটা সংসদের জন্য ভালো লক্ষণ নয়।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ও বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট হট্টগোল ও বাগবিতণ্ডার পর স্পিকার এসব কথা বলেন। আজ বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন শুরু হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার।

সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে স্পিকার বলেন, ‘বহু ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত গণতন্ত্রকে সচল রাখতে এবং জনগণের এই প্রতিষ্ঠানকে কার্যকর রাখতে হলে রুলস অব প্রসিডিউর কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।’

‘আপনাদের বলব, সংসদের রুলস অব প্রসিডিউর পড়ুন। স্পিকার যখন কথা বলেন তখন সবাইকে বসে শুনতে হয়। এই আইন-নীতি যদি না মানেন, ভঙ্গ করেন তাহলে এই সংসদ বেশিদিন চলবে না’, যোগ করেন স্পিকার।

জাতীয় সংসদে নিজের ৪০ বছরের অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করেন স্পিকার। তিনি অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে একটি ভালো সংসদ উপহার দেওয়ার জন্য সব সংসদ সদস্যের প্রতি আহ্বান জানান।

কুমিল্লা-৪ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর প্রশ্ন বুঝতে পারেননি জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘স্পিকার, এটা প্রশ্ন হলো, না পল্টনের বক্তৃতা হলো, বুঝতে পারিনি।’ এর পরই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য ঘিরে সংসদে হট্টগোল ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘যদি কথাই না বলতে দেন, তাহলে কিসের বাকস্বাধীনতা।

এর পরেই সংসদে হট্টগোল শুরু হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন বক্তব্য এক্সপাঞ্জ করার দাবি জানানো হয় বিরোধী দলের পক্ষ থেকে।