ঢাকা ০১:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
নেপালে ভয়াবহ পাহাড়ি ঢলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৫৭ জন নেপালে বন্যায় নিখোঁজ ২৯১ জন বিদেশি পর্যটক, কেমন আছেন অপু বিশ্বাস নেপালে তুষারধসে বন্যা: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৬, ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা ‘কল্পনার অতীত’ নেপালে বন্যা-ভূমিধস: ২৯১ বিদেশিসহ ৩৮৪ পর্যটক নিখোঁজ বাংলাদেশ-ব্রাজিল ম্যাচ আয়োজনে কত টাকা লাগবে? প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা পেলেন আশিক চৌধুরী ভুল প্রতিবেদনের জন্য সিপিডির দুঃখ প্রকাশ বর্ণাঢ‍্য আয়োজনে লন্ডনে কাকরদিয়া-তেরাতল উচ্চ বিদ্যালয়ের ৪৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠিত বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকে-এর দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন ১৮ অক্টোবর আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)

নেপালে ভয়াবহ পাহাড়ি ঢলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৫৭ জন

নিজস্ব সংবাদ :

নেপাল-তিব্বত সীমান্তে আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৫৭ জনে দাঁড়িয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন শত শত বিদেশি পর্যটক। নেপাল পুলিশের বরাত দিয়ে মৃতের এ সংখ্যা জানিয়েছে বিবিসি।

বুধবার (২৬ আগস্ট) স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৮টার দিকে এ তুষারধস ও আকস্মিক বন্যার ঘটনা ঘটে। সর্বশেষ তথ্যে নেপালের পুলিশ জানিয়েছে, বন্যার পর দেশটিতে ১৫৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

এদিকে নেপাল পর্যটন বোর্ড সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, নিখোঁজ পর্যটকদের মধ্যে ভারতের ১০৫ জনেরও বেশি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৫৪ জন এবং যুক্তরাজ্য থেকে ৩৩ জন ছাড়াও নেপালের ৯৩ জনেরও বেশি পর্যটকসহ মোট ৩৮৪ জন নিখোঁজ রয়েছেন।

এক বিবৃতিতে পর্যটন বোর্ড জানায়, সীমান্তের উভয় পাশেই জোরদার অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলে অবস্থানরত বা সেখান দিয়ে ভ্রমণরত পর্যটকদের নিরাপত্তা ও বর্তমান অবস্থান নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষ কাজ করে যাচ্ছে।

নেপালের রাজধানী কাঠমাণ্ডুর উত্তরে অবস্থিত রসুয়া জেলায় এ বন্যা আঘাত হানে। নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল জানান, ভূমিকম্পের পর তুষারধস শুরু হয় এবং এর ফলে আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়।

তবে তথ্যগুলো এখনো যাচাই করে দেখা হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। নেপালের পাশাপাশি চীনও ‘ব্যাপক ক্ষতির’ মুখে পড়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির।

নেপাল সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় হেলিকপ্টার ও দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। একজন মুখপাত্র বিবিসিকে বলেছেন, ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা ‘কল্পনার অতীত’। এটি ২০১৫ সালের ভূমিকম্পের পর নেপালের সবচেয়ে ভয়াবহ বিপর্যয়।

ওই ভূমিকম্পে প্রায় ৯ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।

চীন-নেপাল সীমান্তের নিম্নাঞ্চলের বেশ কয়েকটি জেলা এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এতে ব্যাপক প্রাণহানি ও সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তবে তারা এখনো কোনো স্পষ্ট হিসাব জানাতে পারেননি।

ভোটকোশী নদীর তীরের রসুয়া ও নুয়াকোট জেলার বেশ কয়েকটি জনবসতি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এলাকাগুলো জনবিরল হলেও সেখানকার সড়কগুলো নেপাল-চীন বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রধান রুট। জলবিদ্যুৎ প্রকল্প, মহাসড়ক এবং সেতু সহ ওই এলাকার গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ধসে পড়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ০১:০২:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
৮ বার পড়া হয়েছে

নেপালে ভয়াবহ পাহাড়ি ঢলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৫৭ জন

আপডেট সময় ০১:০২:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

নেপাল-তিব্বত সীমান্তে আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৫৭ জনে দাঁড়িয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন শত শত বিদেশি পর্যটক। নেপাল পুলিশের বরাত দিয়ে মৃতের এ সংখ্যা জানিয়েছে বিবিসি।

বুধবার (২৬ আগস্ট) স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৮টার দিকে এ তুষারধস ও আকস্মিক বন্যার ঘটনা ঘটে। সর্বশেষ তথ্যে নেপালের পুলিশ জানিয়েছে, বন্যার পর দেশটিতে ১৫৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

এদিকে নেপাল পর্যটন বোর্ড সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, নিখোঁজ পর্যটকদের মধ্যে ভারতের ১০৫ জনেরও বেশি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৫৪ জন এবং যুক্তরাজ্য থেকে ৩৩ জন ছাড়াও নেপালের ৯৩ জনেরও বেশি পর্যটকসহ মোট ৩৮৪ জন নিখোঁজ রয়েছেন।

এক বিবৃতিতে পর্যটন বোর্ড জানায়, সীমান্তের উভয় পাশেই জোরদার অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলে অবস্থানরত বা সেখান দিয়ে ভ্রমণরত পর্যটকদের নিরাপত্তা ও বর্তমান অবস্থান নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষ কাজ করে যাচ্ছে।

নেপালের রাজধানী কাঠমাণ্ডুর উত্তরে অবস্থিত রসুয়া জেলায় এ বন্যা আঘাত হানে। নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল জানান, ভূমিকম্পের পর তুষারধস শুরু হয় এবং এর ফলে আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়।

তবে তথ্যগুলো এখনো যাচাই করে দেখা হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। নেপালের পাশাপাশি চীনও ‘ব্যাপক ক্ষতির’ মুখে পড়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির।

নেপাল সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় হেলিকপ্টার ও দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। একজন মুখপাত্র বিবিসিকে বলেছেন, ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা ‘কল্পনার অতীত’। এটি ২০১৫ সালের ভূমিকম্পের পর নেপালের সবচেয়ে ভয়াবহ বিপর্যয়।

ওই ভূমিকম্পে প্রায় ৯ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।

চীন-নেপাল সীমান্তের নিম্নাঞ্চলের বেশ কয়েকটি জেলা এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এতে ব্যাপক প্রাণহানি ও সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তবে তারা এখনো কোনো স্পষ্ট হিসাব জানাতে পারেননি।

ভোটকোশী নদীর তীরের রসুয়া ও নুয়াকোট জেলার বেশ কয়েকটি জনবসতি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এলাকাগুলো জনবিরল হলেও সেখানকার সড়কগুলো নেপাল-চীন বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রধান রুট। জলবিদ্যুৎ প্রকল্প, মহাসড়ক এবং সেতু সহ ওই এলাকার গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ধসে পড়েছে।