ঢাকা ১২:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
বাংলাদেশ-ব্রাজিল ম্যাচ আয়োজনে কত টাকা লাগবে? প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা পেলেন আশিক চৌধুরী ভুল প্রতিবেদনের জন্য সিপিডির দুঃখ প্রকাশ বর্ণাঢ‍্য আয়োজনে লন্ডনে কাকরদিয়া-তেরাতল উচ্চ বিদ্যালয়ের ৪৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠিত বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকে-এর দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন ১৮ অক্টোবর আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মহানবী (সা.)-এর আদর্শ তরুণদের জন্য হতে পারে প্রেরণার উৎস: প্রধানমন্ত্রী বিনা খরচে ১০ হাজার কর্মীকে মালয়েশিয়া পাঠাবে সরকার ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির: আইনমন্ত্রী দীর্ঘ ৪৭ বছর পর যুক্তরাষ্ট্র থেকে মুক্তি পেল সিরিয়া

বাংলাদেশ-ব্রাজিল ম্যাচ আয়োজনে কত টাকা লাগবে?

নিজস্ব সংবাদ :

পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের বিপক্ষে বাংলাদেশকে খেলতে দেখার মতো রোমাঞ্চকর দৃশ্য এ দেশের ফুটবলপ্রেমীদের কাছে দেখার সুযোগ এসেছে। যাদের শুধুই টেলিভিশনের পর্দা কিংবা বিশ্বকাপের রূপকথায় দেখা যায়, সেই ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, লুকাস পাকেতা কিংবা এনদ্রিকদের সামনাসামনি গ্যালারিতে বসে দেখার সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইবেন না কেউই।

তবে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের সাম্প্রতিক বক্তব্যে বাস্তবতার দেয়ালে ধাক্কা খেয়েছে ফুটবলপ্রেমীদের সেই আমেজ।
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ব্রাজিলের মতো হেভিওয়েট দলকে আতিথেয়তা দিতে বাংলাদেশ সরকারের রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে কোনো অর্থ ব্যয় করা হবে না।

দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে সরকারের এমন অবস্থানকে অনেকেই বাস্তবসম্মত বলে মনে করছেন। তবে প্রশ্ন উঠছে—একটি প্রীতি ম্যাচ আয়োজনে ঠিক কত টাকা খরচ হয়, যার জন্য সরকার এমন শক্ত সিদ্ধান্ত নিল?

অতীতে চোখ বোলালে দেখা যায়, ২০১১ সালে ঢাকায় আর্জেন্টিনা ও নাইজেরিয়ার সেই ঐতিহাসিক প্রীতি ম্যাচ আয়োজনে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) খরচ হয়েছিল প্রায় ৩.৮ মিলিয়ন ডলার (তৎকালীন বাজারদরে প্রায় ২৬-২৭ কোটি টাকা)।

এবার ব্রাজিলের জাতীয় দলকে ঢাকায় নিয়ে আসতে প্রাথমিক খরচ ধরা হয়েছে প্রায় ৩ মিলিয়ন ডলার। বর্তমান মার্কিন ডলারের উচ্চমূল্যের হিসেবে বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৩৭ কোটি টাকা!

মুদ্রাস্ফীতি ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটের এই সময়ে কেবল একটি প্রীতি ম্যাচের জন্য এত বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা খরচে সরকারের সায় নেই। তবে হাল ছেড়ে দেওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি এখনই। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী পথ একটি খোলা রেখেছেন—যদি বাফুফে বা কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠান নিজস্ব উদ্যোগে স্পন্সর জোগাড় করতে পারে, তবে ম্যাচ আয়োজনে সরকারের কোনো আপত্তি থাকবে না।

সে ক্ষেত্রে আয়োজনের সব আর্থিক দায়ভার সেই স্পন্সরদেরই নিতে হবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ১১:৫০:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
১৩ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ-ব্রাজিল ম্যাচ আয়োজনে কত টাকা লাগবে?

আপডেট সময় ১১:৫০:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের বিপক্ষে বাংলাদেশকে খেলতে দেখার মতো রোমাঞ্চকর দৃশ্য এ দেশের ফুটবলপ্রেমীদের কাছে দেখার সুযোগ এসেছে। যাদের শুধুই টেলিভিশনের পর্দা কিংবা বিশ্বকাপের রূপকথায় দেখা যায়, সেই ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, লুকাস পাকেতা কিংবা এনদ্রিকদের সামনাসামনি গ্যালারিতে বসে দেখার সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইবেন না কেউই।

তবে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের সাম্প্রতিক বক্তব্যে বাস্তবতার দেয়ালে ধাক্কা খেয়েছে ফুটবলপ্রেমীদের সেই আমেজ।
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ব্রাজিলের মতো হেভিওয়েট দলকে আতিথেয়তা দিতে বাংলাদেশ সরকারের রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে কোনো অর্থ ব্যয় করা হবে না।

দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে সরকারের এমন অবস্থানকে অনেকেই বাস্তবসম্মত বলে মনে করছেন। তবে প্রশ্ন উঠছে—একটি প্রীতি ম্যাচ আয়োজনে ঠিক কত টাকা খরচ হয়, যার জন্য সরকার এমন শক্ত সিদ্ধান্ত নিল?

অতীতে চোখ বোলালে দেখা যায়, ২০১১ সালে ঢাকায় আর্জেন্টিনা ও নাইজেরিয়ার সেই ঐতিহাসিক প্রীতি ম্যাচ আয়োজনে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) খরচ হয়েছিল প্রায় ৩.৮ মিলিয়ন ডলার (তৎকালীন বাজারদরে প্রায় ২৬-২৭ কোটি টাকা)।

এবার ব্রাজিলের জাতীয় দলকে ঢাকায় নিয়ে আসতে প্রাথমিক খরচ ধরা হয়েছে প্রায় ৩ মিলিয়ন ডলার। বর্তমান মার্কিন ডলারের উচ্চমূল্যের হিসেবে বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৩৭ কোটি টাকা!

মুদ্রাস্ফীতি ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটের এই সময়ে কেবল একটি প্রীতি ম্যাচের জন্য এত বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা খরচে সরকারের সায় নেই। তবে হাল ছেড়ে দেওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি এখনই। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী পথ একটি খোলা রেখেছেন—যদি বাফুফে বা কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠান নিজস্ব উদ্যোগে স্পন্সর জোগাড় করতে পারে, তবে ম্যাচ আয়োজনে সরকারের কোনো আপত্তি থাকবে না।

সে ক্ষেত্রে আয়োজনের সব আর্থিক দায়ভার সেই স্পন্সরদেরই নিতে হবে।