তিন লাল কার্ডের ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু মেক্সিকোর
বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় আসর। ৪৮ দল, শতাধিক ম্যাচ।প্রথমবারের মতো উদ্বোধন অনুষ্ঠানও হল একাধিক দেশে। আর উদ্বোধনী ম্যাচ? সেখানেও হলো রেকর্ডের ছড়াছড়ি।আগের বিশ্বকাপে যেখানে সব মিলিয়ে লাল কার্ড ছিল ৪ টি,সেখানে ২০২৬ বিশ্বকাপ প্রথম ম্যাচেই লাল কার্ড দেখল ৩টি,বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে এটিই সর্বোচ্চ লাল কার্ডের রেকর্ড। হলুদ কার্ডও দেখেছেন অনেকে।কার্ডের ছড়াছড়ির ম্যাচে দাপট দেখিয়ে জয় তুলে নিয়ে শুভ সূচনা করল টুর্নামেন্টের সহ-আয়োজক মেক্সিকো।
বৃহস্পতিবার রাতে মেক্সিকো সিটির অ্যাজতেকা স্টেডিয়ামে স্বাগতিকরা জিতেছে ২-০ গোলে। কানায় কানায় পূর্ণ ৮০ হাজারের বেশি দর্শক ধারণ ক্ষমতার গ্যালারির সামনে ম্যাচের দুই অর্ধে একবার করে লক্ষ্যভেদের উল্লাস করে তারা। জুলিয়ান কিনিয়োনোনেস নবম মিনিটে দলকে এগিয়ে দেওয়ার পর ৬৭তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন অভিজ্ঞ তারকা স্ট্রাইকার রাউল হিমেনেজ।
কোনো দলই পুরো ১১ জন নিয়ে ম্যাচ শেষ করতে পারেনি। দ্বিতীয়ার্ধে রেফারি উইলতন সাম্পাইও দেখান তিনটি সরাসরি লাল কার্ড— দুটি দক্ষিণ আফ্রিকাকে ও একটি মেক্সিকোকে। ৪৯তম মিনিটে স্ফেফেলো সিথোলে ও ৮৪তম মিনিটে থেম্বা জোয়েন মাঠ ছাড়লে নয় জনের দলে পরিণত হয় দক্ষিণ আফ্রিকা। এরপর যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে সেজার মন্তেস লাল কার্ড দেখলে মেক্সিকো নেমে আসে ১০ জনের দলে।
ম্যাচের ৬৬ মিনিটে আবারও গোলের দেখা পায় মেক্সিকো। রাউল হিমিনেজ দলের ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। এরপর ম্যাচের ৮৪ মিনিটে দক্ষিণ আফ্রিকার মিডফিল্ডার থেম্বা জেওয়ানে লাল কার্ড দেখলে ৯ জনের দলে পরিণত হয়।
এরপর ম্যাচের যোগ করা সময়ে লাল কার্ড দেখেন মেক্সিকোর সেজার মন্তেস। তবে তাতে জয় পেতে অসুবিধা হয়নি মেক্সিকোর। ২-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্বাগতিকরা।




















