ঢাকা ১২:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
যেকোনো সময়ের চেয়ে চিন্তাশীল বাজেট হয়েছে: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক সিরিজ জয় বাংলাদেশের বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ সিবলীর সাথে লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাবের মতবিনিময় ​লেস্টারে ইউরো বাংলা ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত সিরিজ জিততে ১৯২ রান দরকার বাংলাদেশের চলতি মাসের শেষের দিকে চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী সৌরবিদ্যুৎ খাতে কর শূন্য রাখার প্রস্তাব ৬ শিশুর মৃত্যু : আদ্‌-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাড়ছে সব ধরনের সিগারেট ও মদের দাম ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

যেকোনো সময়ের চেয়ে চিন্তাশীল বাজেট হয়েছে: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

নিজস্ব সংবাদ :

যেকোনো সময়ের চেয়ে চিন্তাশীল বাজেট হয়েছে: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

দেশের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে চিন্তাশীল হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানীয় ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। তবে দেশের আর্থিক কাঠামো অত্যন্ত দুর্বল হওয়ায় এই বাজেট বাস্তবায়ন বড় বিষয় হয়ে দাঁড়াবে বলে মনে করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১১জুন) গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে এ মন্তব্য করেন তিনি।

দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, মোটামুটিভাবে এই বাজেটের যে নীতি কাঠামো সেটা অর্থমন্ত্রী বলেছেন। আমার কাছে মনে হয়েছে যে, অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে একটা চিন্তাশীল বাজেট তৈরি হয়েছে। এই চিন্তাশীল বাজেটের মূল নীতি-কাঠামোর দিক, সেখানে অর্থনৈতিক স্থিতায়নের জন্য এক বছরের সময়ের কথা বলা হচ্ছে, আরও তিন বছরের পুনরুদ্ধারের সময়ের কথা বলা হচ্ছে এবং আরও এক বছর এটাকে বিনির্মাণের কথা বলা হচ্ছে। যে সমস্ত পদক্ষেপের কথা এখন পর্যন্ত এসেছে তাতে দেখা যাচ্ছে যে, সরকার অর্থনীতিতে চাঞ্চল্য আনার জন্য বিনিয়ন্ত্রণ, একইসঙ্গে উদারীকরণের ওপর বড় জোর দিয়েছে।

তিনি বলেন, এটার ভেতরে একটি মানবিক অর্থনীতি গড়ার চেষ্টার কথা বলা হয়েছে। সেজন্য বিভিন্ন বরাদ্দের উল্লেখ আছে। যুব সমাজ, পিছিয়ে পড়া মানুষ, এদের কথাও একইসঙ্গে যুক্ত হয়েছে। তৃতীয়ত, বিনিয়ন্ত্রণ এবং মানবিকতার পাশে এসেছে ডিজিটালাইজেশন ও ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তির বিষয়। আমি এই তিনটি বিষয়কে চিহ্নিত করেছি, যোগ করেন দেবপ্রিয়।

দেবপ্রিয় বলেন, নীতি কাঠামো নিঃসন্দেহে খুবই শক্তিশালী এবং সেই অর্থে সূক্ষ্মভাবে, বিচক্ষণতার সঙ্গে তৈরি হয়েছে। কিন্তু এই নীতি কাঠামোকে বাস্তবায়ন করার জন্য যে আর্থিক ভিত্তি, যে আর্থিক কাঠামো, সেটা অত্যন্ত দুর্বল। কারণ এটার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ নেই এবং যে অর্থের প্রাক্কলন করা হয়েছে, সেটা খুব বাস্তবসম্মত বলে মনে হয় না।

তিনি বলেন, আর্থিক কাঠামোতে বিপুল পরিমাণে বৈদেশিক ঋণের ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং এই আর্থিক শৃঙ্খলার ক্ষেত্রে দুশ্চিন্তাটা সেজন্য। কারণ অনেক ক্ষেত্রে বড় ধরনের থোক বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যেটা মনে হয়, যদি আর্থিক বিপত্তি দেখা যায়, তাহলে এগুলোর ক্ষেত্রে কাটছাঁট হবে। শেষ বিচারে এই বাজেট বাস্তবায়নটাই তো বড় বিষয় হয়ে দাঁড়াবে।

দেবপ্রিয় আরও বলেন, এই সুন্দর বাজেটটিকে আগামী দিনে কীভাবে উনারা বাস্তবায়ন করেন, সংস্কারের পথে নিয়ে যান, সেটাই দেখতে চাই।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ১০:০০:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
৩ বার পড়া হয়েছে

যেকোনো সময়ের চেয়ে চিন্তাশীল বাজেট হয়েছে: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

আপডেট সময় ১০:০০:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

দেশের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে চিন্তাশীল হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানীয় ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। তবে দেশের আর্থিক কাঠামো অত্যন্ত দুর্বল হওয়ায় এই বাজেট বাস্তবায়ন বড় বিষয় হয়ে দাঁড়াবে বলে মনে করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১১জুন) গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে এ মন্তব্য করেন তিনি।

দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, মোটামুটিভাবে এই বাজেটের যে নীতি কাঠামো সেটা অর্থমন্ত্রী বলেছেন। আমার কাছে মনে হয়েছে যে, অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে একটা চিন্তাশীল বাজেট তৈরি হয়েছে। এই চিন্তাশীল বাজেটের মূল নীতি-কাঠামোর দিক, সেখানে অর্থনৈতিক স্থিতায়নের জন্য এক বছরের সময়ের কথা বলা হচ্ছে, আরও তিন বছরের পুনরুদ্ধারের সময়ের কথা বলা হচ্ছে এবং আরও এক বছর এটাকে বিনির্মাণের কথা বলা হচ্ছে। যে সমস্ত পদক্ষেপের কথা এখন পর্যন্ত এসেছে তাতে দেখা যাচ্ছে যে, সরকার অর্থনীতিতে চাঞ্চল্য আনার জন্য বিনিয়ন্ত্রণ, একইসঙ্গে উদারীকরণের ওপর বড় জোর দিয়েছে।

তিনি বলেন, এটার ভেতরে একটি মানবিক অর্থনীতি গড়ার চেষ্টার কথা বলা হয়েছে। সেজন্য বিভিন্ন বরাদ্দের উল্লেখ আছে। যুব সমাজ, পিছিয়ে পড়া মানুষ, এদের কথাও একইসঙ্গে যুক্ত হয়েছে। তৃতীয়ত, বিনিয়ন্ত্রণ এবং মানবিকতার পাশে এসেছে ডিজিটালাইজেশন ও ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তির বিষয়। আমি এই তিনটি বিষয়কে চিহ্নিত করেছি, যোগ করেন দেবপ্রিয়।

দেবপ্রিয় বলেন, নীতি কাঠামো নিঃসন্দেহে খুবই শক্তিশালী এবং সেই অর্থে সূক্ষ্মভাবে, বিচক্ষণতার সঙ্গে তৈরি হয়েছে। কিন্তু এই নীতি কাঠামোকে বাস্তবায়ন করার জন্য যে আর্থিক ভিত্তি, যে আর্থিক কাঠামো, সেটা অত্যন্ত দুর্বল। কারণ এটার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ নেই এবং যে অর্থের প্রাক্কলন করা হয়েছে, সেটা খুব বাস্তবসম্মত বলে মনে হয় না।

তিনি বলেন, আর্থিক কাঠামোতে বিপুল পরিমাণে বৈদেশিক ঋণের ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং এই আর্থিক শৃঙ্খলার ক্ষেত্রে দুশ্চিন্তাটা সেজন্য। কারণ অনেক ক্ষেত্রে বড় ধরনের থোক বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যেটা মনে হয়, যদি আর্থিক বিপত্তি দেখা যায়, তাহলে এগুলোর ক্ষেত্রে কাটছাঁট হবে। শেষ বিচারে এই বাজেট বাস্তবায়নটাই তো বড় বিষয় হয়ে দাঁড়াবে।

দেবপ্রিয় আরও বলেন, এই সুন্দর বাজেটটিকে আগামী দিনে কীভাবে উনারা বাস্তবায়ন করেন, সংস্কারের পথে নিয়ে যান, সেটাই দেখতে চাই।