ঢাকা ০৯:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
জ্বালানি সঙ্কট আবার কেন তীব্র, জবাব খুঁজতে হবে সরকারকেই: মান্না সিলেট রেঞ্জ ডিআইজি জিল্‌লুরকে বদলি লেস্টারের সঙ্গে সম্পর্ক চুকিয়ে শেফিল্ড ইউনাইটেডে হামজা বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন তারেক রহমান জাবির নিরাপত্তা কার্যালয়ের পাশে গাঁজার গাছ, ফুলগাছ ভেবে পরিচর্যা জামালপুরে বাসচাপায় প্রাণ গেল অটোরিকশার ৩ যাত্রীর সিপিএল খেলতে ওয়েস্ট ইন্ডিজে যাচ্ছেন মিরাজ মক্কা প্যাক্ট নিয়ে সরকারের উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছি: আসিফ পাঁচ বছরে ১ কোটি মানুষের বিদেশে কর্মসংস্থান হবে: প্রতিমন্ত্রী নুর বিমানবন্দরে প্রবাসীর স্বর্ণ ছিনতাই: বিএনপি ও ছাত্রদলের ৩ নেতা গ্রেপ্তার

দেশের ১৪৯৮টি পর্যটন কেন্দ্র নিয়ে মহাপরিকল্পনা করছে সরকার

নিজস্ব সংবাদ :

দেশের ১৪৯৮টি পর্যটন কেন্দ্র নিয়ে মহাপরিকল্পনা করছে সরকার

দেশের ১ হাজার ৪৯৮টি পর্যটন কেন্দ্র চিহ্নিত করে সমন্বিত পর্যটন মহাপরিকল্পনা চূড়ান্ত করছে সরকার। একই সঙ্গে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই পর্যটন উন্নয়নের লক্ষ্যে ‘জাতীয় পর্যটন নীতিমালা ২০২৬’ প্রণয়নের কাজও শুরু হয়েছে।

রবিবার (৩০ আগস্ট) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য শওকত আরা আক্তারের এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এ তথ্য জানান। এ সময় অধিবেশনের সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম।

মন্ত্রী জানান, দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে এবং দেশের পর্যটন আকর্ষণগুলোকে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে সারাদেশে প্রায় ১ হাজার ৪৯৮টি পর্যটন কেন্দ্র চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব কেন্দ্র নিয়ে সমন্বিত পর্যটন মহাপরিকল্পনা চূড়ান্ত করার কাজ চলছে।

পর্যটন খাতের তথ্যের ঘাটতি দূর করে পরিকল্পিত উন্নয়নের লক্ষ্যে ‘ট্যুরিজম স্যাটেলাইট অ্যাকাউন্ট’ প্রণয়নের কাজও চলমান রয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।

তিনি বলেন, স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে ‘কমিউনিটি বেজড ট্যুরিজম’ মডেলে পর্যটন স্পট উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি পর্যটন কেন্দ্রগুলোর টেকসই উন্নয়ন করা হবে।

পর্যটকদের নিরাপত্তা বাড়াতে ট্যুরিস্ট পুলিশের জনবল বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও সংসদে জানান মন্ত্রী।

এদিকে দেশের সাংস্কৃতিক পর্যটনের বিকাশে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় যৌথভাবে কাজ করবে। এ লক্ষ্যে দুই মন্ত্রণালয়ের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

মন্ত্রী জানান, সমঝোতা স্মারক সইয়ের পর এ বিষয়ে ‘স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর’ (এসওপি) প্রণয়ন করা হবে। পাশাপাশি কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নিতে একটি যৌথ টাস্কফোর্স গঠন করা হবে।

বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক পর্যটন গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরতে ‘বিউটিফুল বাংলাদেশ’ ব্র্যান্ডিং কার্যক্রমও নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে একটি ওয়েবসাইট তৈরির কাজও চলছে বলে জানান পর্যটনমন্ত্রী।

সরকারের এসব উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের সম্ভাবনাময় পর্যটন কেন্দ্রগুলোকে পরিকল্পিত, পরিবেশবান্ধব ও টেকসইভাবে গড়ে তুলে দেশি-বিদেশি পর্যটক আকৃষ্ট করার লক্ষ্য রয়েছে বলে সংসদে জানান তিনি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ০৭:৩২:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬
১৫ বার পড়া হয়েছে

দেশের ১৪৯৮টি পর্যটন কেন্দ্র নিয়ে মহাপরিকল্পনা করছে সরকার

আপডেট সময় ০৭:৩২:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬

দেশের ১ হাজার ৪৯৮টি পর্যটন কেন্দ্র চিহ্নিত করে সমন্বিত পর্যটন মহাপরিকল্পনা চূড়ান্ত করছে সরকার। একই সঙ্গে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই পর্যটন উন্নয়নের লক্ষ্যে ‘জাতীয় পর্যটন নীতিমালা ২০২৬’ প্রণয়নের কাজও শুরু হয়েছে।

রবিবার (৩০ আগস্ট) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য শওকত আরা আক্তারের এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এ তথ্য জানান। এ সময় অধিবেশনের সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম।

মন্ত্রী জানান, দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে এবং দেশের পর্যটন আকর্ষণগুলোকে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে সারাদেশে প্রায় ১ হাজার ৪৯৮টি পর্যটন কেন্দ্র চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব কেন্দ্র নিয়ে সমন্বিত পর্যটন মহাপরিকল্পনা চূড়ান্ত করার কাজ চলছে।

পর্যটন খাতের তথ্যের ঘাটতি দূর করে পরিকল্পিত উন্নয়নের লক্ষ্যে ‘ট্যুরিজম স্যাটেলাইট অ্যাকাউন্ট’ প্রণয়নের কাজও চলমান রয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।

তিনি বলেন, স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে ‘কমিউনিটি বেজড ট্যুরিজম’ মডেলে পর্যটন স্পট উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি পর্যটন কেন্দ্রগুলোর টেকসই উন্নয়ন করা হবে।

পর্যটকদের নিরাপত্তা বাড়াতে ট্যুরিস্ট পুলিশের জনবল বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও সংসদে জানান মন্ত্রী।

এদিকে দেশের সাংস্কৃতিক পর্যটনের বিকাশে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় যৌথভাবে কাজ করবে। এ লক্ষ্যে দুই মন্ত্রণালয়ের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

মন্ত্রী জানান, সমঝোতা স্মারক সইয়ের পর এ বিষয়ে ‘স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর’ (এসওপি) প্রণয়ন করা হবে। পাশাপাশি কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নিতে একটি যৌথ টাস্কফোর্স গঠন করা হবে।

বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক পর্যটন গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরতে ‘বিউটিফুল বাংলাদেশ’ ব্র্যান্ডিং কার্যক্রমও নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে একটি ওয়েবসাইট তৈরির কাজও চলছে বলে জানান পর্যটনমন্ত্রী।

সরকারের এসব উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের সম্ভাবনাময় পর্যটন কেন্দ্রগুলোকে পরিকল্পিত, পরিবেশবান্ধব ও টেকসইভাবে গড়ে তুলে দেশি-বিদেশি পর্যটক আকৃষ্ট করার লক্ষ্য রয়েছে বলে সংসদে জানান তিনি।