ঢাকা ০৩:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যন্তর মন্তর ও আশপাশের এলাকায় ইন্টারনেট বন্ধ করল মোদি সরকার

নিজস্ব সংবাদ :

যন্তর মন্তর ও আশপাশের এলাকায় ইন্টারনেট বন্ধ করল মোদি সরকার

শিক্ষার্থীদের চলমান বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজধানী দিল্লির যন্তর মন্তর ও আশপাশের এলাকায় মোবাইল ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দিয়েছে ভারত সরকার। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল থেকে কার্যকর হওয়া এ নিষেধাজ্ঞার প্রভাব প্রায় দুই কিলোমিটার দূরের মান্ডি হাউস এলাকাতেও পড়েছে।

প্রথমে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ইন্টারনেট বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হলেও পরে সেই সময়সীমা বাড়িয়ে মধ্যরাত পর্যন্ত করা হয়।

ইন্টারনেট সেবা বন্ধ থাকায় বিক্ষোভকারীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ ও চাকরিজীবীরাও চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। অনলাইন লেনদেন ও ইউপিআই সেবা বন্ধ থাকায় ছোট ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের দুর্ভোগ বেড়েছে। অনেকেই বাধ্য হয়ে নগদ টাকায় কেনাবেচা করছেন। পাশাপাশি ইন্টারনেটনির্ভর যোগাযোগের পাশাপাশি সাধারণ ফোন কলেও বিঘ্ন ঘটছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ভারতে গুজব ও সহিংসতা ঠেকাতে বিভিন্ন সময় নির্দিষ্ট এলাকায় ইন্টারনেট বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হলেও এবার এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা গোপন রাখা হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী, ইন্টারনেট বন্ধের কারণ জনসমক্ষে প্রকাশ করা বাধ্যতামূলক। তবে এবার সেই নির্দেশনা অনুসরণ করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। কোনো আগাম ঘোষণা ছাড়াই ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দেওয়ায় সরকারের এ পদক্ষেপের কড়া সমালোচনা করেছে ডিজিটাল অধিকার রক্ষা সংগঠনগুলো।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ১০:০৩:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
১১ বার পড়া হয়েছে

যন্তর মন্তর ও আশপাশের এলাকায় ইন্টারনেট বন্ধ করল মোদি সরকার

আপডেট সময় ১০:০৩:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

শিক্ষার্থীদের চলমান বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজধানী দিল্লির যন্তর মন্তর ও আশপাশের এলাকায় মোবাইল ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দিয়েছে ভারত সরকার। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল থেকে কার্যকর হওয়া এ নিষেধাজ্ঞার প্রভাব প্রায় দুই কিলোমিটার দূরের মান্ডি হাউস এলাকাতেও পড়েছে।

প্রথমে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ইন্টারনেট বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হলেও পরে সেই সময়সীমা বাড়িয়ে মধ্যরাত পর্যন্ত করা হয়।

ইন্টারনেট সেবা বন্ধ থাকায় বিক্ষোভকারীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ ও চাকরিজীবীরাও চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। অনলাইন লেনদেন ও ইউপিআই সেবা বন্ধ থাকায় ছোট ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের দুর্ভোগ বেড়েছে। অনেকেই বাধ্য হয়ে নগদ টাকায় কেনাবেচা করছেন। পাশাপাশি ইন্টারনেটনির্ভর যোগাযোগের পাশাপাশি সাধারণ ফোন কলেও বিঘ্ন ঘটছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ভারতে গুজব ও সহিংসতা ঠেকাতে বিভিন্ন সময় নির্দিষ্ট এলাকায় ইন্টারনেট বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হলেও এবার এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা গোপন রাখা হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী, ইন্টারনেট বন্ধের কারণ জনসমক্ষে প্রকাশ করা বাধ্যতামূলক। তবে এবার সেই নির্দেশনা অনুসরণ করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। কোনো আগাম ঘোষণা ছাড়াই ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দেওয়ায় সরকারের এ পদক্ষেপের কড়া সমালোচনা করেছে ডিজিটাল অধিকার রক্ষা সংগঠনগুলো।