ঢাকা ০৩:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শুক্রবার ভারতজুড়ে বিক্ষোভের ডাক সিজেপির

নিজস্ব সংবাদ :

ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাত্রদের চলমান আন্দোলনে ‘পুলিশি বর্বরতার’ প্রতিবাদে আগামীকাল শুক্রবার দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)।

বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় দলটি তাদের সমর্থক, ছাত্রসংসদ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের প্রতিটি শহরে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ আয়োজনের আহ্বান জানিয়েছে।

বিক্ষোভের আয়োজকদের উদ্দেশে সিজেপি বলেছে, ‘পুরো সমাবেশের সামনে শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো উচ্চস্বরে পড়ে শোনান। অনুমতি ও আনুষঙ্গিক বিষয়গুলোর জন্য ছাত্রসংগঠন ও অন্য সংগঠনগুলোকে পারস্পরিক সহযোগিতা ও একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’

এদিকে দেশটির কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং বলেছেন, আলোচনার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার চারবার সিজেপির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও কোনো সাড়া মেলেনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনার দরজা সরকারের পক্ষ থেকে সব সময় খোলা রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, আমরা চার চারবার তাদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেছি, কিন্তু কোনো উত্তর পাইনি। আন্দোলনকারীরা চাইলে আলোচনার জন্য জে পি নাড্ডার বাসভবন কিংবা কার্যালয়ে আসতে পারেন।

দেশটির সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে বলছে, দিল্লিতে সিজেপির ‘চলো সংসদ’ মার্চের সময় সংঘর্ষ এবং বেশ কয়েকটি রাজ্যে বিক্ষোভকারীদের ওপর পুলিশের হামলার প্রতিবাদে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। এই ঘটনাগুলো রাজধানীর বাইরেও আন্দোলন ছড়িয়ে দেয়ার সংকল্পকে আরো দৃঢ় করেছে।

বিক্ষোভকারীরা নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগ তুললেও দিল্লি পুলিশের দাবি—মার্চ চলাকালীন বিক্ষোভকারীরা সহিংস হয়ে ওঠে। তারা পুলিশ সদস্যদের ওপর আক্রমণ চালায় এবং সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর করে। দেশব্যাপী এই ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে সংগঠনটি স্থানীয় আয়োজকদের জন্য একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি), প্রচারসামগ্রী এবং স্মারকলিপির একটি টেমপ্লেট প্রচার করেছে।

নির্দেশিকা অনুযায়ী, বিক্ষোভকারীদের নির্দিষ্ট স্থানে জমায়েত হয়ে শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো জনসমক্ষে পাঠ, সাম্প্রতিক বিক্ষোভের সময় তথাকথিত পুলিশি বর্বরতার শিকার হওয়া ব্যক্তিদের প্রতি সংহতি জানানো এবং জেলা কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপি জমা দিতে বলা হয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ০৮:২২:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
৪ বার পড়া হয়েছে

শুক্রবার ভারতজুড়ে বিক্ষোভের ডাক সিজেপির

আপডেট সময় ০৮:২২:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাত্রদের চলমান আন্দোলনে ‘পুলিশি বর্বরতার’ প্রতিবাদে আগামীকাল শুক্রবার দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)।

বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় দলটি তাদের সমর্থক, ছাত্রসংসদ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের প্রতিটি শহরে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ আয়োজনের আহ্বান জানিয়েছে।

বিক্ষোভের আয়োজকদের উদ্দেশে সিজেপি বলেছে, ‘পুরো সমাবেশের সামনে শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো উচ্চস্বরে পড়ে শোনান। অনুমতি ও আনুষঙ্গিক বিষয়গুলোর জন্য ছাত্রসংগঠন ও অন্য সংগঠনগুলোকে পারস্পরিক সহযোগিতা ও একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’

এদিকে দেশটির কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং বলেছেন, আলোচনার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার চারবার সিজেপির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও কোনো সাড়া মেলেনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনার দরজা সরকারের পক্ষ থেকে সব সময় খোলা রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, আমরা চার চারবার তাদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেছি, কিন্তু কোনো উত্তর পাইনি। আন্দোলনকারীরা চাইলে আলোচনার জন্য জে পি নাড্ডার বাসভবন কিংবা কার্যালয়ে আসতে পারেন।

দেশটির সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে বলছে, দিল্লিতে সিজেপির ‘চলো সংসদ’ মার্চের সময় সংঘর্ষ এবং বেশ কয়েকটি রাজ্যে বিক্ষোভকারীদের ওপর পুলিশের হামলার প্রতিবাদে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। এই ঘটনাগুলো রাজধানীর বাইরেও আন্দোলন ছড়িয়ে দেয়ার সংকল্পকে আরো দৃঢ় করেছে।

বিক্ষোভকারীরা নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগ তুললেও দিল্লি পুলিশের দাবি—মার্চ চলাকালীন বিক্ষোভকারীরা সহিংস হয়ে ওঠে। তারা পুলিশ সদস্যদের ওপর আক্রমণ চালায় এবং সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর করে। দেশব্যাপী এই ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে সংগঠনটি স্থানীয় আয়োজকদের জন্য একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি), প্রচারসামগ্রী এবং স্মারকলিপির একটি টেমপ্লেট প্রচার করেছে।

নির্দেশিকা অনুযায়ী, বিক্ষোভকারীদের নির্দিষ্ট স্থানে জমায়েত হয়ে শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো জনসমক্ষে পাঠ, সাম্প্রতিক বিক্ষোভের সময় তথাকথিত পুলিশি বর্বরতার শিকার হওয়া ব্যক্তিদের প্রতি সংহতি জানানো এবং জেলা কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপি জমা দিতে বলা হয়েছে।