‘দুর্নীতি হলে বদলি নয়, সরাসরি বরখাস্ত করা হবে’
কৃষককার্ড তৈরিতে কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্ব বা দুর্নীতি হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কেবল বদলি নয়, সরাসরি বরখাস্ত করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। আমি নিজে দুর্নীতি করব না, কাউকে করতেও দেব না বলে মন্তব্য করেন ডেপুটি স্পিকার ও নেত্রকোণা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
বুধবার রাতে নেত্রকোণা জেলার কলমাকান্দা উপজেলার লেংগুরা ইউনিয়নের লেংগুরা স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে আয়োজিত ‘যান্ত্রিক পদ্ধতিতে ধানের চারা রোপণ উদ্বোধন ও চারা বিতরণ’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ফ্যামিলি কার্ড বণ্টনে স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মে ক্ষোভ প্রকাশ করে কৃষক কার্ড বিতরণে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও নেত্রকোণা-১ (কলমাকান্দা-দুর্গাপুর) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। কৃষককার্ড তৈরিতে কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্ব বা দুর্নীতি হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কেবল বদলি নয়, সরাসরি বরখাস্ত করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
বক্তব্যের শুরুতেই লেংগুরা ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ ও বণ্টনে নানা অনিয়মের চিত্র তুলে ধরে ডেপুটি স্পিকার বলেন, আমি কৃষকের সন্তান, আমি জানি ধান হচ্ছে কৃষকের প্রাণ, দেশের প্রাণ। কৃষকদের মূল্যায়ন করার জন্যই আমরা কৃষক কার্ড প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কিন্তু এর আগে ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে যা হয়েছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে এই লেংগুরা ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ডকে পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু মাঠ পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের দায়িত্বে থাকা শিক্ষকেরা ঘরে ঘরে না গিয়ে পক্ষপাতিত্ব করেছেন।’
বিজ্ঞাপন তথ্য সংগ্রহকারীদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘বিল্ডিংয়ের মালিকেরা ফ্যামিলি কার্ড পেয়েছেন, অথচ যার ঘর ভেঙে গেছে কিংবা যিনি অন্ধ-প্রতিবন্ধী, তিনি কার্ড পাননি। অনেকেই বিস্কুট-চা খেয়ে প্রভাবশালী ও স্বাবলম্বীদের নাম তালিকায় তুলেছেন। যারা এসব করেছেন, আল্লাহর ওয়াস্তে তওবা করেন।




















