ঢাকা ০৪:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
হবিগঞ্জে বাস চলাচল বন্ধ ঘোষণা, ভোগান্তিতে যাত্রীরা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কৃত্রিমভাবে দ্রব্যের মূল্য বাড়ানো হচ্ছে: জামায়াত আমির সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের জামিন, মুক্তিতে নেই বাধা ‘গত ১৭ বছর পুলিশকে পেটোয়া বাহিনী হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে’ জাতীয় নির্বাচনে জামায়াতের খরচ সাড়ে ৪ কোটি টাকা ইরান যুদ্ধের ধাক্কায় চাপের মধ্যেই চীন সফরে ট্রাম্প ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান যুগ যুগ ধরে বাঙালিদের অনুপ্রাণিত করবে’ ‌‘হামের টিকা কেন কেনা হয়নি তদন্তে কমিটি হবে’ বাংলাদেশের মানুষ কাঁটাতার ভয় পায় না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা যখন খুশি ওষুধের দাম বাড়ানো যাবে না: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

সিলেটে কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহ করবে না কওমি মাদরাসাগুলো

নিজস্ব সংবাদ :

আসন্ন ঈদুল আজহায় কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহ করবে না সিলেট বিভাগের কওমি মাদরাসাগুলো। আজ সোমবার দুপুরে ‘সিলেট বিভাগ কওমি মাদরাসা সংরক্ষণ পরিষদ’ সংবাদ সম্মেলন করে এ সিদ্ধান্তের কথা জানায়।

বিগত দুই সরকারের ‘ষড়যন্ত্র ও অকার্যকর সিদ্ধান্ত’ এবং বর্তমান সরকারের উদাসীনতার অভিযোগ তুলে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।

সিলেট মহানগরের সোবহানীঘাট এলাকায় অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে পরিষদের সদস্য সচিব মাওলানা মুশতাক আহমদ খান বলেন, বছরজুড়ে সর্বসাধারণের দান, মৌসুমি চাঁদা, কোরবানির পশুর চামড়া কওমি মাদরাসা পরিচালনায় আয়ের অন্যতম উৎস। কিন্তু বিগত সরকার ২০১৩ সালে কওমি মাদরাসার এই অন্যতম আয়ের উৎস বন্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করে। ওই সরকারের অসৎ উদ্দেশ্যে ক্রমান্বয়ে দেশের রপ্তানি শিল্পের অন্যতম এই পণ্য দেশের বাজারে দরপতনের শিকার হতে থাকে। শেষ পর্যন্ত কোরবানির চামড়া প্রায় মূল্যহীন পণ্যে পরিণত হয়।

তিনি বলেন, বর্তমান অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে, কওমি মাদরাসাগুলো এলাকার মানুষের কোরবানির চামড়া সংগ্রহ করে যত টাকা পরিবহন খরচ করে, চামড়া বিক্রি করে সেই টাকাও ফেরত পায় না।

মাওলানা মুশতাক আহমদ খান বলেন, সরকার পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার চামড়া শিল্প রক্ষায় উদ্যোগের কিছুটা তৎপরতা দেখালেও সুফল মেলেনি। গতবছর কোরবানির মৌসুমে ইউনূস সরকার কওমি মাদরাসাগুলোকে চামড়া সংরক্ষণের জন্য কাঁচা লবণ সরবরাহ করে। কিন্তু এ উদ্যোগটি অযৌক্তিক ও অকার্যকর প্রমাণিত হয়েছে। ওই সরকারের উচিত ছিল চামড়া শিল্পের দেশীয় বাণিজ্যিক সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়ে চামড়ার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা।

সিলেট বিভাগ কওমি মাদরাসা সংরক্ষণ পরিষদ বলছে, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর চামড়া শিল্পের সুদিন ফেরার আশায় ছিলাম। কিন্তু সরকারের ১৮০ দিনের কোনো প্রকল্পেই চামড়া শিল্প নিয়ে কোনো পরিকল্পনা নেই। অথচ এটি একটি রাষ্ট্রের বড় আয়ের খাত। আগের সেই সিন্ডিকেট ভাঙতে পারেনি এই সরকার। যা কওমি মাদরাসাগুলোর কর্তৃপক্ষকে চরমভাবে হতাশ করেছে। সার্বিক বিবেচনায় সিলেট বিভাগের কওমি মাদরাসাগুলো আসন্ন কোরবানির মৌসুমে চামড়া সংগ্রহ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ০৮:১১:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬
১১ বার পড়া হয়েছে

সিলেটে কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহ করবে না কওমি মাদরাসাগুলো

আপডেট সময় ০৮:১১:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

আসন্ন ঈদুল আজহায় কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহ করবে না সিলেট বিভাগের কওমি মাদরাসাগুলো। আজ সোমবার দুপুরে ‘সিলেট বিভাগ কওমি মাদরাসা সংরক্ষণ পরিষদ’ সংবাদ সম্মেলন করে এ সিদ্ধান্তের কথা জানায়।

বিগত দুই সরকারের ‘ষড়যন্ত্র ও অকার্যকর সিদ্ধান্ত’ এবং বর্তমান সরকারের উদাসীনতার অভিযোগ তুলে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।

সিলেট মহানগরের সোবহানীঘাট এলাকায় অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে পরিষদের সদস্য সচিব মাওলানা মুশতাক আহমদ খান বলেন, বছরজুড়ে সর্বসাধারণের দান, মৌসুমি চাঁদা, কোরবানির পশুর চামড়া কওমি মাদরাসা পরিচালনায় আয়ের অন্যতম উৎস। কিন্তু বিগত সরকার ২০১৩ সালে কওমি মাদরাসার এই অন্যতম আয়ের উৎস বন্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করে। ওই সরকারের অসৎ উদ্দেশ্যে ক্রমান্বয়ে দেশের রপ্তানি শিল্পের অন্যতম এই পণ্য দেশের বাজারে দরপতনের শিকার হতে থাকে। শেষ পর্যন্ত কোরবানির চামড়া প্রায় মূল্যহীন পণ্যে পরিণত হয়।

তিনি বলেন, বর্তমান অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে, কওমি মাদরাসাগুলো এলাকার মানুষের কোরবানির চামড়া সংগ্রহ করে যত টাকা পরিবহন খরচ করে, চামড়া বিক্রি করে সেই টাকাও ফেরত পায় না।

মাওলানা মুশতাক আহমদ খান বলেন, সরকার পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার চামড়া শিল্প রক্ষায় উদ্যোগের কিছুটা তৎপরতা দেখালেও সুফল মেলেনি। গতবছর কোরবানির মৌসুমে ইউনূস সরকার কওমি মাদরাসাগুলোকে চামড়া সংরক্ষণের জন্য কাঁচা লবণ সরবরাহ করে। কিন্তু এ উদ্যোগটি অযৌক্তিক ও অকার্যকর প্রমাণিত হয়েছে। ওই সরকারের উচিত ছিল চামড়া শিল্পের দেশীয় বাণিজ্যিক সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়ে চামড়ার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা।

সিলেট বিভাগ কওমি মাদরাসা সংরক্ষণ পরিষদ বলছে, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর চামড়া শিল্পের সুদিন ফেরার আশায় ছিলাম। কিন্তু সরকারের ১৮০ দিনের কোনো প্রকল্পেই চামড়া শিল্প নিয়ে কোনো পরিকল্পনা নেই। অথচ এটি একটি রাষ্ট্রের বড় আয়ের খাত। আগের সেই সিন্ডিকেট ভাঙতে পারেনি এই সরকার। যা কওমি মাদরাসাগুলোর কর্তৃপক্ষকে চরমভাবে হতাশ করেছে। সার্বিক বিবেচনায় সিলেট বিভাগের কওমি মাদরাসাগুলো আসন্ন কোরবানির মৌসুমে চামড়া সংগ্রহ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।