ঢাকা ১১:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :

অন্তর্বর্তী সরকারের বাণিজ্যিক চুক্তি ও দুর্নীতির তদন্তে হাইকোর্টে রিট

নিজস্ব সংবাদ :

অন্তর্বর্তী সরকারের বাণিজ্যিক চুক্তি ও দুর্নীতির তদন্তে হাইকোর্টে রিট

আর্থিক অব্যবস্থাপনা ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারস্পরিক বাণিজ্যিক চুক্তি, দুর্নীতির অভিযোগসহ সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের সংবিধান পরিপন্থী কর্মকাণ্ড তদন্তে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। গত ২৯ এপ্রিল হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি করেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মুহাম্মদ মহসিন রশিদ।

আজ সোমবার রিটটি বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের হাইকোর্ট বেঞ্চে উপস্থাপন করা হয় জানিয়ে মহসিন রশিদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আদালত বলেছেন আগামী রবিবার রিটটি কার্যতালিকায় রাখা হবে।’

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ড. মুহাম্মদ ইউনূসে বিভিন্ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরে রিটে বলা হয়েছে, সরকার প্রধান হিসেবে অধ্যাপক ইউনূস বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন, যা আইনি পর্যালোচনার দাবি রাখে।

তিনি অবৈধভাবে নিজের এবং তার সংস্থাগুলোর বিরুদ্ধে থাকা সব বিচারাধীন মামলা প্রত্যাহার করিয়েছেন, যেখানে আয়কর সংক্রান্ত ৩৮টি রিট ও রেফারেন্স মামলা ছিল। এসব মামলায় কর ফাঁকির পরিমাণ ছিল ১১১ কোটি ১৭ লাখ ৪৯ হাজার ১১২ টাকা। এ ছাড়া তার একটি প্রতিষ্ঠানের ৬৬৬ কোটি টাকার কর দায় মওকুফ করিয়েছেন। তিনি জনশক্তি রপ্তানি, ডিজিটাল ওয়ালেট অপারেশন এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লাইসেন্সসহ অন্য সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করেছেন।
এসব কর্মকাণ্ডের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

রিটে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তিই আইনের ঊর্ধ্বে নন। ড. ইউনূসের এসব কর্মকাণ্ড কেবল প্রতিষ্ঠিত আইনি নীতির পরিপন্থীই নয়, বরং জবাবদিহি, আইনের শাসনের মৌলিক ভিত্তিকে আঘাত করেছে। ফলে আইনের শাসন টিকিয়ে রাখার স্বার্থে তার এসব কর্মকাণ্ডের পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।

আর এ তদন্তের জন্য একটি স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠন করা অপরিহার্য।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ০৮:৫০:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬
৯ বার পড়া হয়েছে

অন্তর্বর্তী সরকারের বাণিজ্যিক চুক্তি ও দুর্নীতির তদন্তে হাইকোর্টে রিট

আপডেট সময় ০৮:৫০:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

আর্থিক অব্যবস্থাপনা ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারস্পরিক বাণিজ্যিক চুক্তি, দুর্নীতির অভিযোগসহ সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের সংবিধান পরিপন্থী কর্মকাণ্ড তদন্তে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। গত ২৯ এপ্রিল হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি করেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মুহাম্মদ মহসিন রশিদ।

আজ সোমবার রিটটি বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের হাইকোর্ট বেঞ্চে উপস্থাপন করা হয় জানিয়ে মহসিন রশিদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আদালত বলেছেন আগামী রবিবার রিটটি কার্যতালিকায় রাখা হবে।’

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ড. মুহাম্মদ ইউনূসে বিভিন্ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরে রিটে বলা হয়েছে, সরকার প্রধান হিসেবে অধ্যাপক ইউনূস বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন, যা আইনি পর্যালোচনার দাবি রাখে।

তিনি অবৈধভাবে নিজের এবং তার সংস্থাগুলোর বিরুদ্ধে থাকা সব বিচারাধীন মামলা প্রত্যাহার করিয়েছেন, যেখানে আয়কর সংক্রান্ত ৩৮টি রিট ও রেফারেন্স মামলা ছিল। এসব মামলায় কর ফাঁকির পরিমাণ ছিল ১১১ কোটি ১৭ লাখ ৪৯ হাজার ১১২ টাকা। এ ছাড়া তার একটি প্রতিষ্ঠানের ৬৬৬ কোটি টাকার কর দায় মওকুফ করিয়েছেন। তিনি জনশক্তি রপ্তানি, ডিজিটাল ওয়ালেট অপারেশন এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লাইসেন্সসহ অন্য সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করেছেন।
এসব কর্মকাণ্ডের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

রিটে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তিই আইনের ঊর্ধ্বে নন। ড. ইউনূসের এসব কর্মকাণ্ড কেবল প্রতিষ্ঠিত আইনি নীতির পরিপন্থীই নয়, বরং জবাবদিহি, আইনের শাসনের মৌলিক ভিত্তিকে আঘাত করেছে। ফলে আইনের শাসন টিকিয়ে রাখার স্বার্থে তার এসব কর্মকাণ্ডের পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।

আর এ তদন্তের জন্য একটি স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠন করা অপরিহার্য।