ঢাকা ০৬:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
News Title :
গণভোটের রায় কোর্ট পর্যন্ত নিলে পরিণতি ভয়াবহ হবে: শিবির সভাপতি ‘ইসরায়েলের হয়ে কেউ যুদ্ধ করতে চায় না’ জবি সাংবাদিক সমিতিতে ছাত্রদলের হামলা, আহত ১০ স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়া ‘নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে একজন রাজসাক্ষী পেলাম, তার নাম রিজওয়ানা’ ‘ঈদযাত্রায় ভাড়া বাড়ালে পরিবহনের রুট পারমিট বাতিল’ নিজেরসহ পরিবারের সদস্যদের ব্যাংক স্টেটমেন্ট প্রকাশ করলেন আসিফ মাহমুদ খেলোয়াড়দের জরিমানা: পিসিবির তীব্র সমালোচনা মোহাম্মদ আমিরের ‘ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ’ নির্ধারিত তারিখে মুক্তি পাচ্ছে না যশের বহুল প্রতীক্ষিত ছবি ‘টক্সিক’

‘নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে একজন রাজসাক্ষী পেলাম, তার নাম রিজওয়ানা’

নিজস্ব সংবাদ :

 

সদ্য বিদায়ি অন্তর্বর্তী সরকারের দুই উপদেষ্টাকে ‘মীরজাফর’ আখ্যা দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ মন্তব্য করেন।

এসময় দলের পক্ষ থেকে নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অভিযোগে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের দাবি জানানো হয়। ত্রয়োদশ নির্বাচনে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ‘৫৩টি আসনে অফিশিয়ালি আমরা অভিযোগ দাখিল করেছি।

সেই ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি লড়াই আমাদের পক্ষ থেকে অব্যাহত থাকবে।

নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে একজন রাজসাক্ষী পাওয়া গেছে জানিয়ে মো. তাহের বলেন, “গতকাল আমরা একজন রাজসাক্ষী পেয়েছি। সেই রাজসাক্ষীর নাম, সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা। তার ভাষ্য, ‘যারা নারীদের উপযুক্ত অধিকার নিশ্চিত করতে পারে নাই তারা বিরোধীদলে থাকলেও আমরা কিন্তু তাদের মূলধারা বা প্রধান শক্তি হিসেবে আসতে দেই নাই।

তাহলে বুঝা যায় আমরা যে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কথা বলে আসছি সেটাকেই স্বীকার করে তিনি রাজসাক্ষী হয়েছেন।

জামায়াতের এই নেতা বলেন, ‘সাবেক উপদেষ্টার (রিজওয়ানা) কাছে আমরা জানতে চাই, নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে তার সঙ্গে আর কারা কারা জড়িত ছিলেন। পুরা সরকার (অন্তর্বর্তী সরকার) ছিল, নাকি সরকারের একটি শক্তিশালী অংশ ছিল যারা নির্বাচনকে প্রভাবিত করেছে।’

এসময় বর্তমান সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে নিয়েও প্রশ্ন তোলে জামায়াত।

দলটির নায়েবে আমির বলেন, ‘একটি নীতিগত কথা ছিল, অন্তর্বর্তী সরকারে উপদেষ্টা হিসেবে যারা দায়িত্বে থাকছেন তারা কোনো দলীয় সরকারের অংশ হবেন না। কোনো মন্ত্রিত্ব গ্রহণ করবেন না। তাই খলিলুর রহমান সাহেব পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করে তার আগের শপথের পরিপন্থী কাজ করেছেন।

খলিলুর রহমানকে অভিযুক্ত করে মো. তাহের বলেন, ‘খলিলুর রহমান ছিলেন লন্ডন কনস্পিরেসির প্রধান হোতা। সেখান থেকে তিনি সরকারকে (অন্তর্বর্তী সরকার) মোটিভেট করে, ষড়যন্ত্র করে বর্তমান যারা সরকারে আছেন তাদেরকে সুবিধা দেওয়ার জন্যই অব্যাহতভাবে কাজ করেছিলেন।

তার সেই কাজের পুরস্কার হিসেবেই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই রিঅ্যাওয়ার্ডটা পেয়েছেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ০৪:৩৮:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬
৩ বার পড়া হয়েছে

‘নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে একজন রাজসাক্ষী পেলাম, তার নাম রিজওয়ানা’

আপডেট সময় ০৪:৩৮:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

 

সদ্য বিদায়ি অন্তর্বর্তী সরকারের দুই উপদেষ্টাকে ‘মীরজাফর’ আখ্যা দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ মন্তব্য করেন।

এসময় দলের পক্ষ থেকে নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অভিযোগে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের দাবি জানানো হয়। ত্রয়োদশ নির্বাচনে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ‘৫৩টি আসনে অফিশিয়ালি আমরা অভিযোগ দাখিল করেছি।

সেই ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি লড়াই আমাদের পক্ষ থেকে অব্যাহত থাকবে।

নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে একজন রাজসাক্ষী পাওয়া গেছে জানিয়ে মো. তাহের বলেন, “গতকাল আমরা একজন রাজসাক্ষী পেয়েছি। সেই রাজসাক্ষীর নাম, সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা। তার ভাষ্য, ‘যারা নারীদের উপযুক্ত অধিকার নিশ্চিত করতে পারে নাই তারা বিরোধীদলে থাকলেও আমরা কিন্তু তাদের মূলধারা বা প্রধান শক্তি হিসেবে আসতে দেই নাই।

তাহলে বুঝা যায় আমরা যে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কথা বলে আসছি সেটাকেই স্বীকার করে তিনি রাজসাক্ষী হয়েছেন।

জামায়াতের এই নেতা বলেন, ‘সাবেক উপদেষ্টার (রিজওয়ানা) কাছে আমরা জানতে চাই, নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে তার সঙ্গে আর কারা কারা জড়িত ছিলেন। পুরা সরকার (অন্তর্বর্তী সরকার) ছিল, নাকি সরকারের একটি শক্তিশালী অংশ ছিল যারা নির্বাচনকে প্রভাবিত করেছে।’

এসময় বর্তমান সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে নিয়েও প্রশ্ন তোলে জামায়াত।

দলটির নায়েবে আমির বলেন, ‘একটি নীতিগত কথা ছিল, অন্তর্বর্তী সরকারে উপদেষ্টা হিসেবে যারা দায়িত্বে থাকছেন তারা কোনো দলীয় সরকারের অংশ হবেন না। কোনো মন্ত্রিত্ব গ্রহণ করবেন না। তাই খলিলুর রহমান সাহেব পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করে তার আগের শপথের পরিপন্থী কাজ করেছেন।

খলিলুর রহমানকে অভিযুক্ত করে মো. তাহের বলেন, ‘খলিলুর রহমান ছিলেন লন্ডন কনস্পিরেসির প্রধান হোতা। সেখান থেকে তিনি সরকারকে (অন্তর্বর্তী সরকার) মোটিভেট করে, ষড়যন্ত্র করে বর্তমান যারা সরকারে আছেন তাদেরকে সুবিধা দেওয়ার জন্যই অব্যাহতভাবে কাজ করেছিলেন।

তার সেই কাজের পুরস্কার হিসেবেই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই রিঅ্যাওয়ার্ডটা পেয়েছেন।