ঢাকা ০৫:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সন্দেহজনক ভোটারের পরিচয় নিশ্চিত করতে হবে: মাহদী আমিন

নিজস্ব সংবাদ :

বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি মুখপাত্র ও দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন বলেছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির অবশ্যম্ভাবী বিজয়ী হচ্ছে দেখে একটি নির্দিষ্ট দল নানা অপপ্রচার চালাচ্ছে। একই সঙ্গে ভোটকেন্দ্রে সন্দেহজনক ভোটারের ক্ষেত্রে হজ, ওমরাহ বা পাসপোর্টের ছবি তোলার মতো করে মুখমণ্ডলের যে অংশটুকু অনাবৃত রেখে ছবি তুলতে হয় সেভাবে পরিচয় নিশ্চিত করতে হবে।

আজ সোমবার বিকালে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীকে ইঙ্গিত করে মাহদী আমিন বলেন, ইতিপূর্বে ওই দলটির নেতাকর্মীরা বাসায়-বাসায় গিয়ে ভোটারদের বিকাশ নম্বর ও ভোটার আইডি নিয়েছে।

বিকাশ, রকেট বা নগদের মাধ্যমে এভাবে অবৈধ অর্থ প্রেরণ বা জান্নাতের টিকিটের প্রলোভনকে ধর্মপ্রাণ দেশবাসী প্রত্যাখ্যান করছেন। দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রচুর বোরখা ও নিকাব বানানোর বিষয়ে আমরা জানতে পেরেছি।

তিনি বলেন, ইসলামী মূল্যবোধের ধারক দল হিসেবে বিএনপি সব সময় বিশ্বাস করে, বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের কাছে বোরকা ও নিকাব ধর্মীয় সংস্কৃতির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমরা অবশ্যই নারীদের আব্রু ও পর্দার ব্যাপারে সর্বোচ্চ শ্রদ্ধাশীল।

কিন্তু ইসলামী সেই পোশাককে অপব্যবহার করে কেউ যদি মিথ্যা পরিচয়ে জাল ভোট দেওয়ার চেষ্টা করে, তাহলে সেটি হবে দুঃখজনক।
তিনি আরো বলেন, সন্দেহজনক ভোটারের পরিচয় নিশ্চিত করতে, এনআইডি কার্ড, হজ, ওমরাহ, পাসপোর্ট বা ভিসার ছবি তোলার মতো করেই, মুখমণ্ডলের যে অংশটুকু অনাবৃত রেখে ছবি তুলতে হয়, ভোটার তালিকা অনুযায়ী নারী প্রিসাইডিং বা সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ও নারী এজেন্টের উপস্থিতিতে ভোট দেওয়ার আগে ভোটারের পরিচয় নিশ্চিত করতে হবে।

মাহদী আমিন বলেন, আমরা দেখতে পাচ্ছি প্রশাসনের ও নির্বাচন পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত একটি অংশের সঙ্গে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সম্পর্ক রয়েছে বলে একটি মহল অপপ্রচার চালাচ্ছে। এটি অনাকাঙ্ক্ষিত ও দূরত্ব সৃষ্টির অপচেষ্টা।

রাষ্ট্রের প্রতিটি সংস্থা, নির্বাচন কমিশন এবং অন্তর্বর্তী সরকারের নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সব কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দের নিরপেক্ষতা ও পেশাদারির ওপর জনগণের মতো আমরা আস্থা রাখতে চাই। সুতরাং এই বিভ্রান্তি ছড়ানো নিন্দাজনক। যারা এটি করছে তাদের প্রতি আমরা আহ্বান জানাব, অপপ্রচার থেকে বিরত থাকুন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ১০:০৮:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
১৩ বার পড়া হয়েছে

সন্দেহজনক ভোটারের পরিচয় নিশ্চিত করতে হবে: মাহদী আমিন

আপডেট সময় ১০:০৮:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি মুখপাত্র ও দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন বলেছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির অবশ্যম্ভাবী বিজয়ী হচ্ছে দেখে একটি নির্দিষ্ট দল নানা অপপ্রচার চালাচ্ছে। একই সঙ্গে ভোটকেন্দ্রে সন্দেহজনক ভোটারের ক্ষেত্রে হজ, ওমরাহ বা পাসপোর্টের ছবি তোলার মতো করে মুখমণ্ডলের যে অংশটুকু অনাবৃত রেখে ছবি তুলতে হয় সেভাবে পরিচয় নিশ্চিত করতে হবে।

আজ সোমবার বিকালে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীকে ইঙ্গিত করে মাহদী আমিন বলেন, ইতিপূর্বে ওই দলটির নেতাকর্মীরা বাসায়-বাসায় গিয়ে ভোটারদের বিকাশ নম্বর ও ভোটার আইডি নিয়েছে।

বিকাশ, রকেট বা নগদের মাধ্যমে এভাবে অবৈধ অর্থ প্রেরণ বা জান্নাতের টিকিটের প্রলোভনকে ধর্মপ্রাণ দেশবাসী প্রত্যাখ্যান করছেন। দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রচুর বোরখা ও নিকাব বানানোর বিষয়ে আমরা জানতে পেরেছি।

তিনি বলেন, ইসলামী মূল্যবোধের ধারক দল হিসেবে বিএনপি সব সময় বিশ্বাস করে, বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের কাছে বোরকা ও নিকাব ধর্মীয় সংস্কৃতির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমরা অবশ্যই নারীদের আব্রু ও পর্দার ব্যাপারে সর্বোচ্চ শ্রদ্ধাশীল।

কিন্তু ইসলামী সেই পোশাককে অপব্যবহার করে কেউ যদি মিথ্যা পরিচয়ে জাল ভোট দেওয়ার চেষ্টা করে, তাহলে সেটি হবে দুঃখজনক।
তিনি আরো বলেন, সন্দেহজনক ভোটারের পরিচয় নিশ্চিত করতে, এনআইডি কার্ড, হজ, ওমরাহ, পাসপোর্ট বা ভিসার ছবি তোলার মতো করেই, মুখমণ্ডলের যে অংশটুকু অনাবৃত রেখে ছবি তুলতে হয়, ভোটার তালিকা অনুযায়ী নারী প্রিসাইডিং বা সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ও নারী এজেন্টের উপস্থিতিতে ভোট দেওয়ার আগে ভোটারের পরিচয় নিশ্চিত করতে হবে।

মাহদী আমিন বলেন, আমরা দেখতে পাচ্ছি প্রশাসনের ও নির্বাচন পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত একটি অংশের সঙ্গে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সম্পর্ক রয়েছে বলে একটি মহল অপপ্রচার চালাচ্ছে। এটি অনাকাঙ্ক্ষিত ও দূরত্ব সৃষ্টির অপচেষ্টা।

রাষ্ট্রের প্রতিটি সংস্থা, নির্বাচন কমিশন এবং অন্তর্বর্তী সরকারের নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সব কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দের নিরপেক্ষতা ও পেশাদারির ওপর জনগণের মতো আমরা আস্থা রাখতে চাই। সুতরাং এই বিভ্রান্তি ছড়ানো নিন্দাজনক। যারা এটি করছে তাদের প্রতি আমরা আহ্বান জানাব, অপপ্রচার থেকে বিরত থাকুন।