ঢাকা ০২:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মত বদলে ভারতের সঙ্গে খেলতে রাজি পাকিস্তান

নিজস্ব সংবাদ :

অবশেষে পাকিস্তানের মত বদল। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামতে রাজি হয়েছে পাকিস্তান।

ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা আর নানা টানাপোড়েনের জেরে শুরুতে ম্যাচটি বয়কটের ঘোষণা দিলেও শেষ পর্যন্ত নিজেদের অবস্থান থেকে সরে এসেছে পাকিস্তান সরকার। মূলত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল আইসিসি এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের বিশেষ অনুরোধের প্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে পিসিবি।

সোমবার রাতে পাকিস্তান সরকারের আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, খেলাধুলার চেতনা সমুন্নত রাখতে এবং বিশ্ব ক্রিকেটের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতেই তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই সংকট নিরসনে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পাশাপাশি সংযুক্ত আরব আমিরাত ও শ্রীলঙ্কাও সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে। বিশেষ করে শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট অনুঢ়া কুমারা দিশানায়েকে এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফের মধ্যকার আলোচনার পর জট খুলতে শুরু করে।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, পাকিস্তান বর্তমানে বাংলাদেশের পাশে রয়েছে এবং বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলামের পক্ষ থেকে জানানো কৃতজ্ঞতাকেও তারা ইতিবাচকভাবে দেখছে। পাকিস্তান সরকার আশা প্রকাশ করেছে, তাদের ক্রিকেটাররা জাতীয় গৌরব আর খেলোয়াড়সুলভ মানসিকতা নিয়েই মাঠে নামবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ০১:২৮:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
৫ বার পড়া হয়েছে

মত বদলে ভারতের সঙ্গে খেলতে রাজি পাকিস্তান

আপডেট সময় ০১:২৮:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

অবশেষে পাকিস্তানের মত বদল। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামতে রাজি হয়েছে পাকিস্তান।

ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা আর নানা টানাপোড়েনের জেরে শুরুতে ম্যাচটি বয়কটের ঘোষণা দিলেও শেষ পর্যন্ত নিজেদের অবস্থান থেকে সরে এসেছে পাকিস্তান সরকার। মূলত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল আইসিসি এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের বিশেষ অনুরোধের প্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে পিসিবি।

সোমবার রাতে পাকিস্তান সরকারের আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, খেলাধুলার চেতনা সমুন্নত রাখতে এবং বিশ্ব ক্রিকেটের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতেই তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই সংকট নিরসনে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পাশাপাশি সংযুক্ত আরব আমিরাত ও শ্রীলঙ্কাও সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে। বিশেষ করে শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট অনুঢ়া কুমারা দিশানায়েকে এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফের মধ্যকার আলোচনার পর জট খুলতে শুরু করে।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, পাকিস্তান বর্তমানে বাংলাদেশের পাশে রয়েছে এবং বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলামের পক্ষ থেকে জানানো কৃতজ্ঞতাকেও তারা ইতিবাচকভাবে দেখছে। পাকিস্তান সরকার আশা প্রকাশ করেছে, তাদের ক্রিকেটাররা জাতীয় গৌরব আর খেলোয়াড়সুলভ মানসিকতা নিয়েই মাঠে নামবে।