ঢাকা ০২:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মেট্রোরেল প্রকল্পে সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকার কাজ পেল ভারতীয় প্রতিষ্ঠান

নিজস্ব সংবাদ :

মেট্রোরেল প্রকল্পে সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকার কাজ পেল ভারতীয় প্রতিষ্ঠান

ঢাকা মেট্রোরেল লাইন-১ প্রকল্পের দুটি গুরুত্বপূর্ণ সিস্টেম প্যাকেজের নকশা প্রণয়ন ও নির্মাণকাজের চুক্তি পেয়েছে ভারতের শীর্ষস্থানীয় অবকাঠামো নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান লারসেন অ্যান্ড টুব্রো (এলঅ্যান্ডটি)।মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) প্রতিষ্ঠানটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, তাদের পরিবহন ব্যবসা বিভাগ ঢাকা ম্যাস র‍্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের আওতায় এসব কাজের চুক্তি পেয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ৫ হাজার কোটি রুপির বেশি মূল্যের চুক্তিকে বড় চুক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। সেই হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশি মুদ্রায় সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকার বেশি মূল্যের কাজ পেয়েছে।

প্রকল্পটির বাস্তবায়নে জাপানের খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠান সুমিটমো কর্পোরেশনের সঙ্গে যৌথ অংশীদারিতে কাজ করবে এলএন্ডটি’র ট্রান্সপোর্টেশন ইনফ্লাস্ট্রাকচার বিভাগ। চুক্তির আওতায় রেলপথ নির্মাণ, বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা, সিগন্যালিং, টেলিযোগাযোগ এবং প্ল্যাটফর্ম স্ক্রিন ডোর (পিএসডি) স্থাপনের কাজ রয়েছে।

এর আগে একই প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের প্রথম মেট্রোরেল করিডর ঢাকা মেট্রোরেল লাইন-৬-এর সমন্বিত রেলওয়ে সিস্টেম প্যাকেজের কাজ পেয়েছিল। প্রতিষ্ঠানটি ওই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করেছে। বর্তমানে লাইন-৬ বাণিজ্যিকভাবে চালু রয়েছে।

এ বিষয়ে এলঅ্যান্ডটি’র সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ট্রান্সপোর্টেশন ইনফ্রাস্ট্রাকচার বিভাগের প্রধান রামকুমার এস বলেন, ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)-এর কাছ থেকে বারবার অর্ডার পাওয়াটা বিশ্বব্যাপী বৃহৎ পরিসরের, সমন্বিত নগর গণপরিবহন প্রকল্প বাস্তবায়নে এলঅ্যান্ডটি’র সক্ষমতারই প্রমাণ।

সম্প্রতি ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা মেট্রোর কাজও পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি, যা বর্তমানে বাস্তবায়নাধীন।

উল্লেখ্য, জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) অর্থায়নে ঢাকা মেট্রোরেল লাইন-১ প্রকল্পটি প্রায় ৩১ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি আধুনিক গণপরিবহন ব্যবস্থা প্রদান করবে। এর মধ্যে রয়েছে কমলাপুর থেকে এয়ারপোর্ট পর্যন্ত এয়ারপোর্ট রুট এবং নতুনবাজার থেকে পূর্বাচল টার্মিনাল পর্যন্ত পূর্বাচল রুট, যেখানে ১৯টি স্টেশন ও পিতালগঞ্জে একটি ডিপো থাকবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ০৬:১৮:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
১০ বার পড়া হয়েছে

মেট্রোরেল প্রকল্পে সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকার কাজ পেল ভারতীয় প্রতিষ্ঠান

আপডেট সময় ০৬:১৮:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

ঢাকা মেট্রোরেল লাইন-১ প্রকল্পের দুটি গুরুত্বপূর্ণ সিস্টেম প্যাকেজের নকশা প্রণয়ন ও নির্মাণকাজের চুক্তি পেয়েছে ভারতের শীর্ষস্থানীয় অবকাঠামো নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান লারসেন অ্যান্ড টুব্রো (এলঅ্যান্ডটি)।মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) প্রতিষ্ঠানটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, তাদের পরিবহন ব্যবসা বিভাগ ঢাকা ম্যাস র‍্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের আওতায় এসব কাজের চুক্তি পেয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ৫ হাজার কোটি রুপির বেশি মূল্যের চুক্তিকে বড় চুক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। সেই হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশি মুদ্রায় সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকার বেশি মূল্যের কাজ পেয়েছে।

প্রকল্পটির বাস্তবায়নে জাপানের খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠান সুমিটমো কর্পোরেশনের সঙ্গে যৌথ অংশীদারিতে কাজ করবে এলএন্ডটি’র ট্রান্সপোর্টেশন ইনফ্লাস্ট্রাকচার বিভাগ। চুক্তির আওতায় রেলপথ নির্মাণ, বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা, সিগন্যালিং, টেলিযোগাযোগ এবং প্ল্যাটফর্ম স্ক্রিন ডোর (পিএসডি) স্থাপনের কাজ রয়েছে।

এর আগে একই প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের প্রথম মেট্রোরেল করিডর ঢাকা মেট্রোরেল লাইন-৬-এর সমন্বিত রেলওয়ে সিস্টেম প্যাকেজের কাজ পেয়েছিল। প্রতিষ্ঠানটি ওই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করেছে। বর্তমানে লাইন-৬ বাণিজ্যিকভাবে চালু রয়েছে।

এ বিষয়ে এলঅ্যান্ডটি’র সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ট্রান্সপোর্টেশন ইনফ্রাস্ট্রাকচার বিভাগের প্রধান রামকুমার এস বলেন, ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)-এর কাছ থেকে বারবার অর্ডার পাওয়াটা বিশ্বব্যাপী বৃহৎ পরিসরের, সমন্বিত নগর গণপরিবহন প্রকল্প বাস্তবায়নে এলঅ্যান্ডটি’র সক্ষমতারই প্রমাণ।

সম্প্রতি ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা মেট্রোর কাজও পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি, যা বর্তমানে বাস্তবায়নাধীন।

উল্লেখ্য, জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) অর্থায়নে ঢাকা মেট্রোরেল লাইন-১ প্রকল্পটি প্রায় ৩১ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি আধুনিক গণপরিবহন ব্যবস্থা প্রদান করবে। এর মধ্যে রয়েছে কমলাপুর থেকে এয়ারপোর্ট পর্যন্ত এয়ারপোর্ট রুট এবং নতুনবাজার থেকে পূর্বাচল টার্মিনাল পর্যন্ত পূর্বাচল রুট, যেখানে ১৯টি স্টেশন ও পিতালগঞ্জে একটি ডিপো থাকবে।