ঢাকা ০২:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
বেতন না পেয়ে শ্রমিকরা আন্দোলনে নামলে দায়ী থাকবেন মালিকরা: কুয়েত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুন্দরবন ছেড়ে আবারও লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্কে ৫ গ্রামের মানুষ হাসপাতালে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে মারধর, সেই ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপির বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর ১০০-র পর ২০০ মিটারেও দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখিয়েছেন ইমরানুর ও শিরিন, জিতলেন শিরোপা সুনামগঞ্জের আলোচিত এসিল্যান্ডকে সিলেটে বদলি জুলাইয়ের ছাত্র আন্দোলনের পক্ষেই ছিলেন পলক: আইনজীবী জ্বালানি নিরাপত্তায় জাইকার বাজেট সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী ‘ক্রসফায়ারের হুমকি দিয়ে পুলিশকে কলঙ্কিত করছেন আইজিপি’ ফেসবুকে ঘোষণা দিয়ে রাজনীতি ছাড়লেন ছাত্রদল নেতা

বেতন না পেয়ে শ্রমিকরা আন্দোলনে নামলে দায়ী থাকবেন মালিকরা: কুয়েত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব সংবাদ :

বিশেষ প্রতিনিধি আহাদ আম্বিয়া খোকন : কুয়েতে জীবনযাত্রার ব্যয় ও নিত্যপণ্যের দাম বাড়লেও সেই অনুপাতে বাড়েনি প্রবাসী শ্রমিকদের বেতন। এমন পরিস্থিতিতে প্রবাসী কর্মীদের প্রতি সহমর্মিতা দেখানোর আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির উপপ্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ ফাহাদ আল-ইউসুফ আল-সাবাহ। একই সঙ্গে জাতীয়তা নির্বিশেষে সব কর্মীর বেতন যথাসময়ে পরিশোধ করতে নিয়োগকর্তাদের প্রতি কঠোর বার্তা দিয়েছেন তিনি।

রোববার (২৫ অক্টোবর) কুয়েতের ইংরেজি দৈনিক আরব টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, শ্রমিকদের অধিকার নিয়ে আলোচনার সময় মন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, কুয়েতি কর্মীদের বেতন নিশ্চিত করা হলেও বিদেশি কর্মীদের বেতন দিতে দেরি করা কীভাবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে?

তার মতে, কোনো কর্মীর জাতীয়তার ভিত্তিতে বেতন পরিশোধে বৈষম্য করা উচিত নয়। প্রতিষ্ঠানের জন্য কাজ করা প্রত্যেক কর্মীরই ন্যায্য পাওনা যথাসময়ে পাওয়ার অধিকার রয়েছে।

শেখ ফাহাদ আল-ইউসুফ বলেন, খাদ্যপণ্যসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বেড়েছে, বেড়েছে জীবনযাত্রার ব্যয়ও। কিন্তু অনেক প্রবাসী কর্মীর বেতন সেই অনুপাতে বাড়েনি। এ অবস্থায় তারা কীভাবে নিজেদের ও পরিবারের ব্যয় নির্বাহ করবেন—এমন প্রশ্ন তুলে নিয়োগকর্তাদের মানবিক হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

বেতন বকেয়া থাকাকে শ্রমিক অসন্তোষ ও কর্মবিরতির অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন মন্ত্রী। তার ভাষ্য অনুযায়ী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের গত আড়াই বছরে শ্রমিকদের বেতন পরিশোধের বিষয়টি তিনি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করেছেন। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের প্রতিবেদন পর্যালোচনার পাশাপাশি সরাসরি নিয়োগকর্তাদের সঙ্গেও যোগাযোগ করে বেতন পরিশোধের অবস্থা জানার চেষ্টা করেছেন।

তিনি সতর্ক করে বলেন, শ্রমিকদের বেতন পরিশোধে অবহেলা, মানবপাচার ও অর্থপাচারের মতো কর্মকাণ্ড কুয়েতের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তির ক্ষতি করতে পারে। তাই শ্রম আইন ও বিধিবিধান যথাযথভাবে প্রয়োগের পাশাপাশি নিয়োগকর্তাদের দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করা জরুরি।

মন্ত্রী আরও বলেন, বেতন না পেয়ে শ্রমিকেরা যেন প্রতিবাদে রাস্তায় নামতে বাধ্য না হন, সে জন্য আগেভাগেই সমস্যার সমাধান করতে হবে। কর্মীদের পাওনা পরিশোধ এবং তাদের সঙ্গে ন্যায্য আচরণ করা নিয়োগকর্তাদের আইনগত ও মানবিক দায়িত্ব।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ১১:৫০:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
৩০ বার পড়া হয়েছে

বেতন না পেয়ে শ্রমিকরা আন্দোলনে নামলে দায়ী থাকবেন মালিকরা: কুয়েত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময় ১১:৫০:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

বিশেষ প্রতিনিধি আহাদ আম্বিয়া খোকন : কুয়েতে জীবনযাত্রার ব্যয় ও নিত্যপণ্যের দাম বাড়লেও সেই অনুপাতে বাড়েনি প্রবাসী শ্রমিকদের বেতন। এমন পরিস্থিতিতে প্রবাসী কর্মীদের প্রতি সহমর্মিতা দেখানোর আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির উপপ্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ ফাহাদ আল-ইউসুফ আল-সাবাহ। একই সঙ্গে জাতীয়তা নির্বিশেষে সব কর্মীর বেতন যথাসময়ে পরিশোধ করতে নিয়োগকর্তাদের প্রতি কঠোর বার্তা দিয়েছেন তিনি।

রোববার (২৫ অক্টোবর) কুয়েতের ইংরেজি দৈনিক আরব টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, শ্রমিকদের অধিকার নিয়ে আলোচনার সময় মন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, কুয়েতি কর্মীদের বেতন নিশ্চিত করা হলেও বিদেশি কর্মীদের বেতন দিতে দেরি করা কীভাবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে?

তার মতে, কোনো কর্মীর জাতীয়তার ভিত্তিতে বেতন পরিশোধে বৈষম্য করা উচিত নয়। প্রতিষ্ঠানের জন্য কাজ করা প্রত্যেক কর্মীরই ন্যায্য পাওনা যথাসময়ে পাওয়ার অধিকার রয়েছে।

শেখ ফাহাদ আল-ইউসুফ বলেন, খাদ্যপণ্যসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বেড়েছে, বেড়েছে জীবনযাত্রার ব্যয়ও। কিন্তু অনেক প্রবাসী কর্মীর বেতন সেই অনুপাতে বাড়েনি। এ অবস্থায় তারা কীভাবে নিজেদের ও পরিবারের ব্যয় নির্বাহ করবেন—এমন প্রশ্ন তুলে নিয়োগকর্তাদের মানবিক হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

বেতন বকেয়া থাকাকে শ্রমিক অসন্তোষ ও কর্মবিরতির অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন মন্ত্রী। তার ভাষ্য অনুযায়ী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের গত আড়াই বছরে শ্রমিকদের বেতন পরিশোধের বিষয়টি তিনি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করেছেন। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের প্রতিবেদন পর্যালোচনার পাশাপাশি সরাসরি নিয়োগকর্তাদের সঙ্গেও যোগাযোগ করে বেতন পরিশোধের অবস্থা জানার চেষ্টা করেছেন।

তিনি সতর্ক করে বলেন, শ্রমিকদের বেতন পরিশোধে অবহেলা, মানবপাচার ও অর্থপাচারের মতো কর্মকাণ্ড কুয়েতের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তির ক্ষতি করতে পারে। তাই শ্রম আইন ও বিধিবিধান যথাযথভাবে প্রয়োগের পাশাপাশি নিয়োগকর্তাদের দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করা জরুরি।

মন্ত্রী আরও বলেন, বেতন না পেয়ে শ্রমিকেরা যেন প্রতিবাদে রাস্তায় নামতে বাধ্য না হন, সে জন্য আগেভাগেই সমস্যার সমাধান করতে হবে। কর্মীদের পাওনা পরিশোধ এবং তাদের সঙ্গে ন্যায্য আচরণ করা নিয়োগকর্তাদের আইনগত ও মানবিক দায়িত্ব।