ঢাকা ০৪:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
কুয়েতে কেপিএল টি-টোয়েন্টির শিরোপা জিতল বাংলাদেশি দল জিলিব প্রবাসী ক্রিকেট ক্লাব যারা একাত্তরে ধোঁকা দিয়েছিল, তারা চব্বিশেও দিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী আজমিরীগঞ্জে নদীতে ডুবে গৃহবধূ নিখোঁজ গাজায় পরিস্থিতি ভয়াবহ, প্রতিদিন ৫০টি ইসরায়েলি হামলা : জাতিসংঘ এআই ক্যামেরার মামলার তথ্য এসএমএসে পাঠাবে পুলিশ রাজশাহীতে ৩৮ হাজার আখচাষিকে প্রণোদনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানকে কেউ বিতর্কিত করবেন না: প্রধানমন্ত্রী বার্মিংহামে ছাতক-দোয়ারাবাসীদের সংবর্ধনা দুর্গাপূজার ছুটিতে সিলেটে ৫০ কোটি টাকার ব্যবসার প্রত্যাশা বাংলাদেশ ও ব্রিটেনের শক্তিশালী সম্পর্ক রয়েছে: ব্রিটিশ হাইকমিশনার

যারা একাত্তরে ধোঁকা দিয়েছিল, তারা চব্বিশেও দিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব সংবাদ :

যারা একাত্তরে ধোঁকা দিয়েছিল, তারা চব্বিশেও দিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

যারা একাত্তরে ধোঁকা দিয়েছিল, তারা চব্বিশের জুলাই আন্দোলনেও ধোঁকা দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার বিকালে রাজশাহীর মাদ্রাসা মাঠে এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তারেক রহমান বলেন, ‘স্বৈরাচার পালিয়ে যাওয়ার আগে শত শত মানুষকে হত্যা করে গিয়েছিল। সেই সব শহীদদের স্মরণে আমরা গতকাল (সোমবার) ঢাকায় একটি স্মৃতিস্তম্ভ তৈরি করেছি। বিএনপি একাত্তরকে ধারণ করে, বিএনপি চব্বিশকে ধারণ করে। চব্বিশকে ধারণ করে বলেই জুলাই যোদ্ধাদের পাশে বিএনপি দাঁড়িয়েছে। শহীদ পরিবারের সদস্যদেরকে আমরা চেষ্টা করছি বিভিন্নভাবে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে। আহত জুলাই যোদ্ধাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করছি।’

তিনি বলেন, ‘স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধনের অনুষ্ঠানে আমরা সব রাজনৈতিক দলকে দাওয়াত দিয়েছিলাম, যারা মুখে বলে চব্বিশকে তারা ধারণ করে। কিন্তু আমরা কী দেখলাম? জুলাইয়ের শহীদদের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য সেই সব দলগুলোর কোনও প্রতিনিধি সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিল না। অর্থাৎ একাত্তর সালে তারা জনগণকে যেভাবে ধোঁকা দিয়েছে, ঠিক একইভাবে আমরা দেখেছি, চব্বিশের জুলাই আন্দোলনেও তারা ধোঁকা দিয়েছে। তারা মুখে একটি বলছে। তাদের কর্মে আমরা আরেকটি কাজের প্রতিফলন আমরা দেখতে পাচ্ছি।’

সীমান্তের ওপার থেকে অর্থ সরবরাহ করে দেশের ভেতরে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা চলছে অভিযোগ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের কাছে গোয়েন্দাদের খবর আছে। আপনারা নিশ্চয় দেখেছেন, দেশের কয়েকটি জায়গায় কয়েকটি কল-কারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ সৃষ্টি করার চেষ্টা করা হয়েছে। এ বিষয়ে আমি পরিষ্কার করে হাজারও মানুষের সামনে একটি কথা বলতে চাই। পরিষ্কার গোয়েন্দা তথ্য আছে, যে স্বৈরাচার পালিয়ে গেছে তারা সেখানে অর্থ সরবরাহ করছে। অর্থ সরবরাহ করে কাদের সাহায্য করছে? এই যে কিছু লোক আছে যারা ভ্রান্তি ছড়ায় দেশে, যারা বিভিন্ন টিকিট বিক্রির চেষ্টা করেছিল নির্বাচনের আগে মিথ্যা কথা বলে। এই দুই পক্ষ এক হয়েছে। একজন পয়সা দিচ্ছে সীমান্তের ওপার থেকে। আরেকজন এখানে বসে অস্থিরতা তৈরি করার চেষ্টা করছে। এদের বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।’

জনগণ তাদের টিকিট খায় না মন্তব্য করে তারেক রহমান বলেন, ‘নির্বাচনের আগে তারা যেন কী টিকিট বিক্রি করেছিল। সেই টিকিট জনগণ খায় না। তখন বলেছিল, রাখ তোর ফ্যামিলি কার্ড। ফ্যামিলি কার্ড বন্ধ হলে মা-বোন ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাদের তো কিছু যায় আসে না। আজ আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে ফ্যামিলি কার্ড, খাল খনন, কৃষক ভাইদের কৃষি কার্ড চালু করবো কি না।’

তিনি বলেন, ‘উত্তর যদি হ্যাঁ হয়ে থাকে, তাহলে ১২ তারিখে যেভাবে বিএনপির পাশে ছিলেন, আগামী ৫ বছরও বিএনপিকে সমর্থন দিয়ে যেতে হবে। সেই সব ভ্রান্ত রাজনৈতিক দল, যারা একাত্তর সাল থেকে শুরু করে গতকাল পর্যন্ত যখনই সুযোগ পেয়েছে তখনই জনগণকে ভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছে, দেশকে ভিন্নপথে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছে, তাদের বিষয়ে সতর্ক হতে হবে।’

এর আগে আখচাষিদের প্রণোদনা প্রদান ও জনসভায় প্রধানমন্ত্রী কম্পিউটারে বাটন টিপে এই অর্থ সংশ্লিষ্ট চাষিদের মোবাইল অ্যাকাউন্টে প্রদান করেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন আমি কম্পিউটার একটা বোতাম চাপ দেবো। চাপটা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কয়েক মিনিটের মধ্যে আখচাষি ভাইদের অ্যাকাউন্টে সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া সহযোগিতা কয়েক মিনিটের মধ্যে ইনশাল্লাহ পৌঁছে যাবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ০৯:৫২:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
৬ বার পড়া হয়েছে

যারা একাত্তরে ধোঁকা দিয়েছিল, তারা চব্বিশেও দিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৯:৫২:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

যারা একাত্তরে ধোঁকা দিয়েছিল, তারা চব্বিশের জুলাই আন্দোলনেও ধোঁকা দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার বিকালে রাজশাহীর মাদ্রাসা মাঠে এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তারেক রহমান বলেন, ‘স্বৈরাচার পালিয়ে যাওয়ার আগে শত শত মানুষকে হত্যা করে গিয়েছিল। সেই সব শহীদদের স্মরণে আমরা গতকাল (সোমবার) ঢাকায় একটি স্মৃতিস্তম্ভ তৈরি করেছি। বিএনপি একাত্তরকে ধারণ করে, বিএনপি চব্বিশকে ধারণ করে। চব্বিশকে ধারণ করে বলেই জুলাই যোদ্ধাদের পাশে বিএনপি দাঁড়িয়েছে। শহীদ পরিবারের সদস্যদেরকে আমরা চেষ্টা করছি বিভিন্নভাবে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে। আহত জুলাই যোদ্ধাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করছি।’

তিনি বলেন, ‘স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধনের অনুষ্ঠানে আমরা সব রাজনৈতিক দলকে দাওয়াত দিয়েছিলাম, যারা মুখে বলে চব্বিশকে তারা ধারণ করে। কিন্তু আমরা কী দেখলাম? জুলাইয়ের শহীদদের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য সেই সব দলগুলোর কোনও প্রতিনিধি সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিল না। অর্থাৎ একাত্তর সালে তারা জনগণকে যেভাবে ধোঁকা দিয়েছে, ঠিক একইভাবে আমরা দেখেছি, চব্বিশের জুলাই আন্দোলনেও তারা ধোঁকা দিয়েছে। তারা মুখে একটি বলছে। তাদের কর্মে আমরা আরেকটি কাজের প্রতিফলন আমরা দেখতে পাচ্ছি।’

সীমান্তের ওপার থেকে অর্থ সরবরাহ করে দেশের ভেতরে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা চলছে অভিযোগ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের কাছে গোয়েন্দাদের খবর আছে। আপনারা নিশ্চয় দেখেছেন, দেশের কয়েকটি জায়গায় কয়েকটি কল-কারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ সৃষ্টি করার চেষ্টা করা হয়েছে। এ বিষয়ে আমি পরিষ্কার করে হাজারও মানুষের সামনে একটি কথা বলতে চাই। পরিষ্কার গোয়েন্দা তথ্য আছে, যে স্বৈরাচার পালিয়ে গেছে তারা সেখানে অর্থ সরবরাহ করছে। অর্থ সরবরাহ করে কাদের সাহায্য করছে? এই যে কিছু লোক আছে যারা ভ্রান্তি ছড়ায় দেশে, যারা বিভিন্ন টিকিট বিক্রির চেষ্টা করেছিল নির্বাচনের আগে মিথ্যা কথা বলে। এই দুই পক্ষ এক হয়েছে। একজন পয়সা দিচ্ছে সীমান্তের ওপার থেকে। আরেকজন এখানে বসে অস্থিরতা তৈরি করার চেষ্টা করছে। এদের বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।’

জনগণ তাদের টিকিট খায় না মন্তব্য করে তারেক রহমান বলেন, ‘নির্বাচনের আগে তারা যেন কী টিকিট বিক্রি করেছিল। সেই টিকিট জনগণ খায় না। তখন বলেছিল, রাখ তোর ফ্যামিলি কার্ড। ফ্যামিলি কার্ড বন্ধ হলে মা-বোন ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাদের তো কিছু যায় আসে না। আজ আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে ফ্যামিলি কার্ড, খাল খনন, কৃষক ভাইদের কৃষি কার্ড চালু করবো কি না।’

তিনি বলেন, ‘উত্তর যদি হ্যাঁ হয়ে থাকে, তাহলে ১২ তারিখে যেভাবে বিএনপির পাশে ছিলেন, আগামী ৫ বছরও বিএনপিকে সমর্থন দিয়ে যেতে হবে। সেই সব ভ্রান্ত রাজনৈতিক দল, যারা একাত্তর সাল থেকে শুরু করে গতকাল পর্যন্ত যখনই সুযোগ পেয়েছে তখনই জনগণকে ভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছে, দেশকে ভিন্নপথে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছে, তাদের বিষয়ে সতর্ক হতে হবে।’

এর আগে আখচাষিদের প্রণোদনা প্রদান ও জনসভায় প্রধানমন্ত্রী কম্পিউটারে বাটন টিপে এই অর্থ সংশ্লিষ্ট চাষিদের মোবাইল অ্যাকাউন্টে প্রদান করেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন আমি কম্পিউটার একটা বোতাম চাপ দেবো। চাপটা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কয়েক মিনিটের মধ্যে আখচাষি ভাইদের অ্যাকাউন্টে সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া সহযোগিতা কয়েক মিনিটের মধ্যে ইনশাল্লাহ পৌঁছে যাবে।