ঢাকা ০৪:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশ ও ব্রিটেনের শক্তিশালী সম্পর্ক রয়েছে: ব্রিটিশ হাইকমিশনার

নিজস্ব সংবাদ :

বাংলাদেশ ও ব্রিটেনের শক্তিশালী সম্পর্ক রয়েছে: ব্রিটিশ হাইকমিশনার

বাংলাদেশ ও ব্রিটেনের মধ্যে খুব শক্তিশালী সম্পর্ক রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক। তিনি বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের সঙ্গে খুব ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করি। আমাদের দুই দেশের মধ্যে খুব শক্তিশালী সম্পর্ক রয়েছে। যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বিশাল জনগোষ্ঠী রয়েছে এবং বাংলাদেশে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে আমাদের খুব শক্তিশালী অংশীদারি রয়েছে। আমরা বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানকে সমর্থন করতে একসঙ্গে কাজ করি।

সোমবার সন্ধ্যায় টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে কুমুদিনী কমপ্লেক্স পরিদর্শনে এসে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের একটি প্রতিনিধিদল নিয়ে সেখানে পৌঁছান তিনি।

এ সময় সারাহ কুক বলেন, কুমুদিনী কমপ্লেক্সে এটি আমার তৃতীয় সফর। কুমুদিনী হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ব্রিটিশ ও ইউরোপীয় দূতাবাসগুলোর দীর্ঘদিনের সুসম্পর্ক রয়েছে। প্রতিবছরই এখানে এই ধরনের আন্তঃধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক উৎসবের আয়োজন করা হয়।

তিনি বলেন, কুমুদিনীর রঙিন উৎসব সব মানুষকে একত্রিত করে। এখানকার মানুষের সঙ্গে আমিও দারুণ সময় কাটাই। এখানকার উদযাপন, রং, সংগীত, নৃত্য, উৎসব বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষকে একত্রিত করে। সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে এই উৎসব উদযাপন করছে। এটি খুবই বিশেষ একটি উপলক্ষ, আমি এখানে আসতে পেরে খুবই আনন্দিত।

রোহিঙ্গা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকটে দীর্ঘদিনের অন্যতম সহায়তাকারী। আমরা গত নয় বছরে ৪৬ কোটি পাউন্ডেরও বেশি সহায়তা দিয়েছি। আমরা এই কার্যক্রমের শক্ত সমর্থক এবং মিয়ানমারে যখন পরিস্থিতি অনুকূল হবে, তখন নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ এবং স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনকে সমর্থন করতে আমরা সরকারগুলোর সঙ্গে খুব ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছি।’

সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের ডেপুটি হাইকমিশনার দীপক এলমার বলেন, ‘সব জায়গার মানুষ একসঙ্গে তাদের ভবিষ্যৎ উদযাপন করতে এসেছে। সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের অনেক সহকর্মী ও বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে আমিও এসেছি আপনাদের ধন্যবাদ জানাতে।’

কুমুদিনী লাইব্রেরিতে চা চক্র শেষে নৌকায় লৌহজং নদী পার হয়ে দানবীর রণদা প্রসাদ সাহার মির্জাপুর গ্রামের বাড়ির পূজামণ্ডপে আয়োজিত বর্ণিল সাংস্কৃতিক উৎসবে যোগ দেন তারা। সেখানে কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাজীব প্রসাদ সাহা তাদের স্বাগত জানান।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ১১:৪০:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
৬ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ ও ব্রিটেনের শক্তিশালী সম্পর্ক রয়েছে: ব্রিটিশ হাইকমিশনার

আপডেট সময় ১১:৪০:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশ ও ব্রিটেনের মধ্যে খুব শক্তিশালী সম্পর্ক রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক। তিনি বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের সঙ্গে খুব ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করি। আমাদের দুই দেশের মধ্যে খুব শক্তিশালী সম্পর্ক রয়েছে। যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বিশাল জনগোষ্ঠী রয়েছে এবং বাংলাদেশে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে আমাদের খুব শক্তিশালী অংশীদারি রয়েছে। আমরা বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানকে সমর্থন করতে একসঙ্গে কাজ করি।

সোমবার সন্ধ্যায় টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে কুমুদিনী কমপ্লেক্স পরিদর্শনে এসে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের একটি প্রতিনিধিদল নিয়ে সেখানে পৌঁছান তিনি।

এ সময় সারাহ কুক বলেন, কুমুদিনী কমপ্লেক্সে এটি আমার তৃতীয় সফর। কুমুদিনী হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ব্রিটিশ ও ইউরোপীয় দূতাবাসগুলোর দীর্ঘদিনের সুসম্পর্ক রয়েছে। প্রতিবছরই এখানে এই ধরনের আন্তঃধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক উৎসবের আয়োজন করা হয়।

তিনি বলেন, কুমুদিনীর রঙিন উৎসব সব মানুষকে একত্রিত করে। এখানকার মানুষের সঙ্গে আমিও দারুণ সময় কাটাই। এখানকার উদযাপন, রং, সংগীত, নৃত্য, উৎসব বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষকে একত্রিত করে। সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে এই উৎসব উদযাপন করছে। এটি খুবই বিশেষ একটি উপলক্ষ, আমি এখানে আসতে পেরে খুবই আনন্দিত।

রোহিঙ্গা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকটে দীর্ঘদিনের অন্যতম সহায়তাকারী। আমরা গত নয় বছরে ৪৬ কোটি পাউন্ডেরও বেশি সহায়তা দিয়েছি। আমরা এই কার্যক্রমের শক্ত সমর্থক এবং মিয়ানমারে যখন পরিস্থিতি অনুকূল হবে, তখন নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ এবং স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনকে সমর্থন করতে আমরা সরকারগুলোর সঙ্গে খুব ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছি।’

সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের ডেপুটি হাইকমিশনার দীপক এলমার বলেন, ‘সব জায়গার মানুষ একসঙ্গে তাদের ভবিষ্যৎ উদযাপন করতে এসেছে। সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের অনেক সহকর্মী ও বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে আমিও এসেছি আপনাদের ধন্যবাদ জানাতে।’

কুমুদিনী লাইব্রেরিতে চা চক্র শেষে নৌকায় লৌহজং নদী পার হয়ে দানবীর রণদা প্রসাদ সাহার মির্জাপুর গ্রামের বাড়ির পূজামণ্ডপে আয়োজিত বর্ণিল সাংস্কৃতিক উৎসবে যোগ দেন তারা। সেখানে কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাজীব প্রসাদ সাহা তাদের স্বাগত জানান।