ঢাকা ০৪:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
জুলাই আন্দোলনে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ছাত্রদল: নাসির উদ্দিন এতিমখানা থেকে আর্জেন্টিনা দলে বিস্ময়বালক ‘কিকি’ রামোস অভিষেক শর্মার ব্যাটিং তাণ্ডব, করলেন ৯১ বলে ২৩৩ সেই দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মুকলেসুরের পাশে দাঁড়াবেন খায়রুল বাসার জুলাইয়ে এলো ৩৫ হাজার কোটি টাকার রেমিট্যান্স প্রধানমন্ত্রীর ফটোগ্রাফারের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ খাম্বা থাকলেও এখন বিদ্যুৎ পাওয়া যায়না: সিলেটে নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী যেকোন সময় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা ‘ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ চাইলে বাহাত্তরের সংবিধান বাতিল করতে হবে’ রোগীকে ভ্যাকসিন না দেওয়ায় কর্মীকে বরখাস্তের নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

বড় জয়ে সিরিজ নিশ্চিত করলো বাংলাদেশ

নিজস্ব সংবাদ :

বড় জয়ে সিরিজ নিশ্চিত করলো বাংলাদেশ

নেদারল্যান্ডসের ইনিংস শেষেই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ হয়ে গিয়েছিল। ম্যাচটা যে জিততে যাচ্ছে বাংলাদেশ, তা এক প্রকার নিশ্চিত ছিল। ব্যতিক্রম কিছুও হলো না সিলেটে।

অপেক্ষা শুধু কত তাড়াতাড়ি ম্যাচটা জিততে পারে বাংলাদেশ।

১০৪ রানের সেই লক্ষ্য ৪১ বল হাতে রেখে জিতেছে স্বাগতিকেরা। ৯ উইকেটের জয়ে সিরিজও নিজেদের করে নিয়েছেন তানজিদ হাসান তামিম-লিটন দাসরা।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ওপেনিংয়ে ৪০ রানের জুটি গড়েন তানজিদ তামিম-পারভেজ হোসেন ইমন। ৩ চার ও ১ ছক্কায় ইমন ২৩ রানে ফিরে যাওয়ার পর তানজিদ তামিম জয়ের বাকি কাজ করেন অধিনায়ক লিটনকে নিয়ে।

তাতে শুরুতে দেখেশুনে খেলা ওপেনার পরে আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ফিফটিও তুলে নিয়েছেন।

তানজিদ তামিম ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ ফিফটির ইনিংসটি সাজান ৪ চার ও ২ ছক্কায়।বাঁহাতি ওপেনারের ৫৪ রানের বিপরীতে ১৮ রানে অপরাজিত থাকেন অধিনায়ক লিটন। ২ ছক্কা হাঁকিয়ে একটা রেকর্ড গড়েছেন তানজিদ তামিম।

এক পঞ্জিকাবর্ষে সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ড। এ বছর এখন পর্যন্ত সংক্ষিপ্ত সংস্করণে ২৩ ছক্কা হাঁকিয়েছেন তিনি। ২২ ছক্কায় দুইয়ে আছেন ইমন। সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ আগামী ৩ সেপ্টেম্বর।

এর আগে বাংলাদেশের বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি নেদারল্যান্ডস।

১২০ বলের লড়াইয়ে যে মাত্র ১০৩ রানে অলআউট হয়েছে। তাতে বিব্রতকর এক রেকর্ডও গড়েছে ডাচরা। বাংলাদেশের বিপক্ষে সর্বনিম্ন দলীয় রানের। আগেরটি ছিল ১৩১ রানের, ২০১২ সালে নিজেদের ঘরের মাঠ হেগেতে করেছিল তারা।

প্রতিপক্ষকে অল্প রানে আটকাতে শুরুতে বোলিংয়ে নেতৃত্ব দেন নাসুম আহমেদ। প্রত্যাবর্তনের ম্যাচে সর্বোচ্চ ৩ উইকেটও নেন তিনি। বাঁহাতি স্পিনারের সঙ্গে পরে উইকেট উদযাপনে যোগ দেন দুটি করে উইকেট নেওয়া দুই পেসার তাসকিন আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমান। প্রতিপক্ষরা এই রানটাও করতে পারত না যদি ৯ নম্বরে নেমে সর্বোচ্চ ৩০ রানের ইনিংস না খেলতেন আরিয়ান দত্ত।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ০৮:২৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
২১৬ বার পড়া হয়েছে

বড় জয়ে সিরিজ নিশ্চিত করলো বাংলাদেশ

আপডেট সময় ০৮:২৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নেদারল্যান্ডসের ইনিংস শেষেই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ হয়ে গিয়েছিল। ম্যাচটা যে জিততে যাচ্ছে বাংলাদেশ, তা এক প্রকার নিশ্চিত ছিল। ব্যতিক্রম কিছুও হলো না সিলেটে।

অপেক্ষা শুধু কত তাড়াতাড়ি ম্যাচটা জিততে পারে বাংলাদেশ।

১০৪ রানের সেই লক্ষ্য ৪১ বল হাতে রেখে জিতেছে স্বাগতিকেরা। ৯ উইকেটের জয়ে সিরিজও নিজেদের করে নিয়েছেন তানজিদ হাসান তামিম-লিটন দাসরা।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ওপেনিংয়ে ৪০ রানের জুটি গড়েন তানজিদ তামিম-পারভেজ হোসেন ইমন। ৩ চার ও ১ ছক্কায় ইমন ২৩ রানে ফিরে যাওয়ার পর তানজিদ তামিম জয়ের বাকি কাজ করেন অধিনায়ক লিটনকে নিয়ে।

তাতে শুরুতে দেখেশুনে খেলা ওপেনার পরে আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ফিফটিও তুলে নিয়েছেন।

তানজিদ তামিম ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ ফিফটির ইনিংসটি সাজান ৪ চার ও ২ ছক্কায়।বাঁহাতি ওপেনারের ৫৪ রানের বিপরীতে ১৮ রানে অপরাজিত থাকেন অধিনায়ক লিটন। ২ ছক্কা হাঁকিয়ে একটা রেকর্ড গড়েছেন তানজিদ তামিম।

এক পঞ্জিকাবর্ষে সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ড। এ বছর এখন পর্যন্ত সংক্ষিপ্ত সংস্করণে ২৩ ছক্কা হাঁকিয়েছেন তিনি। ২২ ছক্কায় দুইয়ে আছেন ইমন। সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ আগামী ৩ সেপ্টেম্বর।

এর আগে বাংলাদেশের বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি নেদারল্যান্ডস।

১২০ বলের লড়াইয়ে যে মাত্র ১০৩ রানে অলআউট হয়েছে। তাতে বিব্রতকর এক রেকর্ডও গড়েছে ডাচরা। বাংলাদেশের বিপক্ষে সর্বনিম্ন দলীয় রানের। আগেরটি ছিল ১৩১ রানের, ২০১২ সালে নিজেদের ঘরের মাঠ হেগেতে করেছিল তারা।

প্রতিপক্ষকে অল্প রানে আটকাতে শুরুতে বোলিংয়ে নেতৃত্ব দেন নাসুম আহমেদ। প্রত্যাবর্তনের ম্যাচে সর্বোচ্চ ৩ উইকেটও নেন তিনি। বাঁহাতি স্পিনারের সঙ্গে পরে উইকেট উদযাপনে যোগ দেন দুটি করে উইকেট নেওয়া দুই পেসার তাসকিন আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমান। প্রতিপক্ষরা এই রানটাও করতে পারত না যদি ৯ নম্বরে নেমে সর্বোচ্চ ৩০ রানের ইনিংস না খেলতেন আরিয়ান দত্ত।