ঢাকা ১২:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
জুলাই আন্দোলনে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ছাত্রদল: নাসির উদ্দিন এতিমখানা থেকে আর্জেন্টিনা দলে বিস্ময়বালক ‘কিকি’ রামোস অভিষেক শর্মার ব্যাটিং তাণ্ডব, করলেন ৯১ বলে ২৩৩ সেই দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মুকলেসুরের পাশে দাঁড়াবেন খায়রুল বাসার জুলাইয়ে এলো ৩৫ হাজার কোটি টাকার রেমিট্যান্স প্রধানমন্ত্রীর ফটোগ্রাফারের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ খাম্বা থাকলেও এখন বিদ্যুৎ পাওয়া যায়না: সিলেটে নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী যেকোন সময় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা ‘ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ চাইলে বাহাত্তরের সংবিধান বাতিল করতে হবে’ রোগীকে ভ্যাকসিন না দেওয়ায় কর্মীকে বরখাস্তের নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রীর ফটোগ্রাফারের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ

নিজস্ব সংবাদ :

ঠিকাদার ও ব্যবসায়ীদের কাছে চাঁদা দাবি, সাংবাদিকদের প্রাণনাশের হুমকি, অবৈধ দখলবাজি, টেন্ডারবাজিসহ নানা অভিযোগে প্রধানমন্ত্রীর ফটোগ্রাফার খালেদ হোসেন পরাগের বিরুদ্ধে পাবনায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়াও এসব ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চেয়ে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপিও দেওয়া হয়েছে।

আজ শনিবার দুপুরের দিকে পাবনা প্রেসক্লাবের সামনে প্রথমে মানববন্ধন করেন ভুক্তভোগীরা।

এতে কয়েক শতাধিক নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। পরে বিক্ষোভ মিছিল বের করে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। এসময় ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে একটি প্রতিনিধি দল জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপি প্রদান করে।

এসব কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন পাবনা জুলাই ঐক্য পরিষদের সদস্য আব্দুল্লাহ আল নোমানের পরিচালনায় এটিএন বাংলার পাবনা প্রতিনিধি মোবারক বিশ্বাস, জাতীয় নাগরিক কমিটি, পাবনার যুগ্ম আহ্বায়ক নুর হোসেন লিওন, পাবনা সদর উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মিরাজুল ইসলাম মিরাজ, জুলাই রাজবন্দী অ্যালায়েন্সের পাবনা জেলা আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল্লাহ করিম তন্ময়, পাবনা চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক ইমামুর রহমান প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, বিগত ১৭ বছরে আওয়ামী লীগের নেতাদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে পাবনায় চলাচল করেছে, যা বহু ভিডিও ও ছবির প্রমাণ রয়েছে। কিন্তু ৫ আগস্টের পর সে নানা অপকর্মে লিপ্ত হয়। আর সর্বশেষ প্রধানমন্ত্রীর ফটোগ্রাফার হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পরই মরিয়া হয়ে উঠেছেন। জাসাসের অনুষ্ঠানের নামে বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা নিয়েছেন। জেনারেল হাসপাতাল, মানসিক হাসপাতাল ও গণপূর্ত বিভাগের বিভিন্ন টেন্ডার প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করে টেন্ডারবাজি করছে, পৌরসভাসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের জায়গা দখল করেছেন এবং সাংবাদিকদেরও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে।

তারা আরও বলেন, ইতোমধ্যেই তার সকল অপকর্মের তথ্য প্রশাসনের কাছে রয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একটু খোঁজ নিলেই জানতে পারবেন। সে প্রধানমন্ত্রীর ফটোগ্রাফার হিসেব নিয়োগ পাওয়ায় পাবনাবাসী আনন্দিত ছিল কিন্তু সময়ের ব্যবধানে পাবনার ব্যবসায়ী, ঠিকাদার, সাংবাদকিসহ নানা শ্রেণি পেশার মানুষ তার নানা অপকর্মের কারণে অতিষ্ঠ। অতি সত্তর মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ১০:২২:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬
২ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রীর ফটোগ্রাফারের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ

আপডেট সময় ১০:২২:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

ঠিকাদার ও ব্যবসায়ীদের কাছে চাঁদা দাবি, সাংবাদিকদের প্রাণনাশের হুমকি, অবৈধ দখলবাজি, টেন্ডারবাজিসহ নানা অভিযোগে প্রধানমন্ত্রীর ফটোগ্রাফার খালেদ হোসেন পরাগের বিরুদ্ধে পাবনায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়াও এসব ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চেয়ে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপিও দেওয়া হয়েছে।

আজ শনিবার দুপুরের দিকে পাবনা প্রেসক্লাবের সামনে প্রথমে মানববন্ধন করেন ভুক্তভোগীরা।

এতে কয়েক শতাধিক নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। পরে বিক্ষোভ মিছিল বের করে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। এসময় ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে একটি প্রতিনিধি দল জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপি প্রদান করে।

এসব কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন পাবনা জুলাই ঐক্য পরিষদের সদস্য আব্দুল্লাহ আল নোমানের পরিচালনায় এটিএন বাংলার পাবনা প্রতিনিধি মোবারক বিশ্বাস, জাতীয় নাগরিক কমিটি, পাবনার যুগ্ম আহ্বায়ক নুর হোসেন লিওন, পাবনা সদর উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মিরাজুল ইসলাম মিরাজ, জুলাই রাজবন্দী অ্যালায়েন্সের পাবনা জেলা আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল্লাহ করিম তন্ময়, পাবনা চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক ইমামুর রহমান প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, বিগত ১৭ বছরে আওয়ামী লীগের নেতাদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে পাবনায় চলাচল করেছে, যা বহু ভিডিও ও ছবির প্রমাণ রয়েছে। কিন্তু ৫ আগস্টের পর সে নানা অপকর্মে লিপ্ত হয়। আর সর্বশেষ প্রধানমন্ত্রীর ফটোগ্রাফার হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পরই মরিয়া হয়ে উঠেছেন। জাসাসের অনুষ্ঠানের নামে বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা নিয়েছেন। জেনারেল হাসপাতাল, মানসিক হাসপাতাল ও গণপূর্ত বিভাগের বিভিন্ন টেন্ডার প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করে টেন্ডারবাজি করছে, পৌরসভাসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের জায়গা দখল করেছেন এবং সাংবাদিকদেরও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে।

তারা আরও বলেন, ইতোমধ্যেই তার সকল অপকর্মের তথ্য প্রশাসনের কাছে রয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একটু খোঁজ নিলেই জানতে পারবেন। সে প্রধানমন্ত্রীর ফটোগ্রাফার হিসেব নিয়োগ পাওয়ায় পাবনাবাসী আনন্দিত ছিল কিন্তু সময়ের ব্যবধানে পাবনার ব্যবসায়ী, ঠিকাদার, সাংবাদকিসহ নানা শ্রেণি পেশার মানুষ তার নানা অপকর্মের কারণে অতিষ্ঠ। অতি সত্তর মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।