ঢাকা ১০:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
হবিগঞ্জে ভুল চিকিৎসায় বীর মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যু, তদন্ত কমিটি গঠন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে সৌদি বাদশাহ সালমানের অভিনন্দন আজ সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি দুদকের মামলায় সিলেট মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ কর্মকর্তা-কর্মচারী কারাগারে সিলেটে নিজ বাসার সামনে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা গণভোটের রায় বাস্তবায়নে তিল পরিমাণ ছাড় নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার ‘জামায়াত বিসমিল্লাহ বলে মিথ্যা শুরু করে, এনসিপিও শিখে গেছে’ ৬ মাসে ৯৫ কারখানা বন্ধ, বেকার প্রায় ৬২ হাজার শ্রমিক : সিপিডি প্রথম সফরে ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল নিষিদ্ধ সংগঠন ছাড়া সবাই সভা-সমাবেশ করতে পারবে : আইনমন্ত্রী

দুদকের মামলায় সিলেট মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ কর্মকর্তা-কর্মচারী কারাগারে

নিজস্ব সংবাদ :

জনবল নিয়োগসংক্রান্ত দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় সিলেট মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিমেবি) ৬ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন সিলেট বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালত।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে আসামিরা আদালতে উপস্থিত হয়ে জামিন প্রার্থনা করলে বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক (জেলা জজ) শাহাদাৎ হোসেন প্রামাণিক তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে তাদের সিলেট মেট্রোপলিটন কারাগারে প্রেরণ করে পুলিশ।

দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মোহাম্মদ শফিউল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দুদকের মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন তারা। পরে আদালত তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আত্মসমর্পণ করা ৬ কর্মকর্তা-কর্মচারী হলেন—সহকারী কলেজ পরিদর্শক মাইদুল ইসলাম চৌধুরী, সহকারী পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) গোলাম সরওয়ার, সেকশন অফিসার আতিক শাহরিয়ার ধ্রুব, উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোশাররফ হোসেন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির জুয়েল ও অফিস সহকারী লুৎফা বেগম।

নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে তৎকালীন ভিসি, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারসহ ৫৮ জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ১ এপ্রিল মামলা করা হয়। ওই বছরের ২৫ এপ্রিল ৫৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। মামলায় তৎকালীন ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) অধ্যাপক মোর্শেদ আহমেদ চৌধুরী ও ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো: নঈমুল হক চৌধুরী ছাড়া আরো ৫৬ জন কর্মকর্তাকে আসামি করা হয়। এর মধ্যে ২১ জন জামিনে রয়েছেন। ৭ জন কারাগারে আছেন। বাকিরা পলাতক রয়েছেন।

মামলায় ৫৬ জনের বিরুদ্ধে ১ বছরের বেশি বেতন-ভাতা নেয়ার অভিযোগ ও অ্যাডহক নিয়োগের মেয়াদ বৃদ্ধির অভিযোগ আনা হয়েছে। শুধু ৫৬ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী ১ বছরের বেশি বেতন-ভাতা নেননি, বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৪২ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীই ১ বছরের বেশি বেতন-ভাতা নিয়েছেন। এছাড়া অ্যাডহকের নিয়োগ বৃদ্ধিতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কোনো দায় নেই।

সিন্ডিকেটের অনুমোদনক্রমে কর্তৃপক্ষ এই নিয়োগ দেয়। এছাড়া মন্ত্রণালয়ের অনুদান থেকে বেতন-ভাতা নেয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। কিন্তু একজন চাকরিজীবীর সেটা বোঝার কোনো উপায় নেই, তাকে কোন খাত থেকে বেতন দেয়া হচ্ছে; সেটা একমাত্র নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষই বলতে পারবে। সুতরাং ৫৬ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মামলায় আসামি করা হয়েছে বলে অভিযোগ তাদের।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ০৯:৩৮:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
৭ বার পড়া হয়েছে

দুদকের মামলায় সিলেট মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ কর্মকর্তা-কর্মচারী কারাগারে

আপডেট সময় ০৯:৩৮:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

জনবল নিয়োগসংক্রান্ত দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় সিলেট মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিমেবি) ৬ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন সিলেট বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালত।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে আসামিরা আদালতে উপস্থিত হয়ে জামিন প্রার্থনা করলে বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক (জেলা জজ) শাহাদাৎ হোসেন প্রামাণিক তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে তাদের সিলেট মেট্রোপলিটন কারাগারে প্রেরণ করে পুলিশ।

দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মোহাম্মদ শফিউল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দুদকের মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন তারা। পরে আদালত তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আত্মসমর্পণ করা ৬ কর্মকর্তা-কর্মচারী হলেন—সহকারী কলেজ পরিদর্শক মাইদুল ইসলাম চৌধুরী, সহকারী পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) গোলাম সরওয়ার, সেকশন অফিসার আতিক শাহরিয়ার ধ্রুব, উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোশাররফ হোসেন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির জুয়েল ও অফিস সহকারী লুৎফা বেগম।

নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে তৎকালীন ভিসি, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারসহ ৫৮ জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ১ এপ্রিল মামলা করা হয়। ওই বছরের ২৫ এপ্রিল ৫৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। মামলায় তৎকালীন ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) অধ্যাপক মোর্শেদ আহমেদ চৌধুরী ও ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো: নঈমুল হক চৌধুরী ছাড়া আরো ৫৬ জন কর্মকর্তাকে আসামি করা হয়। এর মধ্যে ২১ জন জামিনে রয়েছেন। ৭ জন কারাগারে আছেন। বাকিরা পলাতক রয়েছেন।

মামলায় ৫৬ জনের বিরুদ্ধে ১ বছরের বেশি বেতন-ভাতা নেয়ার অভিযোগ ও অ্যাডহক নিয়োগের মেয়াদ বৃদ্ধির অভিযোগ আনা হয়েছে। শুধু ৫৬ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী ১ বছরের বেশি বেতন-ভাতা নেননি, বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৪২ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীই ১ বছরের বেশি বেতন-ভাতা নিয়েছেন। এছাড়া অ্যাডহকের নিয়োগ বৃদ্ধিতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কোনো দায় নেই।

সিন্ডিকেটের অনুমোদনক্রমে কর্তৃপক্ষ এই নিয়োগ দেয়। এছাড়া মন্ত্রণালয়ের অনুদান থেকে বেতন-ভাতা নেয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। কিন্তু একজন চাকরিজীবীর সেটা বোঝার কোনো উপায় নেই, তাকে কোন খাত থেকে বেতন দেয়া হচ্ছে; সেটা একমাত্র নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষই বলতে পারবে। সুতরাং ৫৬ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মামলায় আসামি করা হয়েছে বলে অভিযোগ তাদের।