ঢাকা ১০:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
অভিনেতা থেকে মুখ্যমন্ত্রী, বিজয়ের উত্থান ‘সড়ক-মহাসড়কের ওপর কোরবানির পশুর হাট করা যাবে না’ সুনামগঞ্জে বাস-সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল ৫ জনের অন্তর্বর্তী সরকারের বাণিজ্যিক চুক্তি ও দুর্নীতির তদন্তে হাইকোর্টে রিট হাম ও উপসর্গ নিয়ে এক দিনে প্রাণ গেল সর্বোচ্চ ১৭ শিশুর বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদারে ঢাকায় আসছে মার্কিন প্রতিনিধিদল জয়ের সেলিব্রেশন মুডে বিজেপি, তৃণমূলের ওপর হামলা শুরু অন্তর্বর্তী সরকার আমাকে ডিসিদের সঙ্গে মিলিত হওয়ার সুযোগ দেয়নি: রাষ্ট্রপতি ট্রাফিক আইন ভাঙলে অটো নোটিশ, হাজিরা না দিলে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ‘কওমি শিক্ষাব্যবস্থাকে মূলধারার সঙ্গে সমন্বয়ে সরকার কাজ করছে’

চবি ও আশপাশ এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি

নিজস্ব সংবাদ :

চবি ও আশপাশ এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষের জেরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ২ নম্বর গেইট বাজারের পূর্ব সীমা থেকৈ পূর্বদিকে রেলগেইট পর্যন্ত রাস্তায় উভয়পাশে ১৪৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন। রবিবার দুপুর দুইটা থেকে ১ সেস্টেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত এই ১৪৪ ধারা জারি করেছেন হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন।

ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৪ ধারার আদেশে বলা হয়েছে, উল্লেখিত সময়ে এই এলাকায় সকল প্রকার সভা সমাবেশ, বিক্ষোভ মিছিল, গণজমায়েত, বিস্ফোরক দ্রব্য, আগ্নেয়াস্ত্র ও সকল প্রকার দেশী অস্ত্র ইত্যাদি বহনসহ সংশ্লিষ্ট এলাকায় ৫ বা ততোধিক ব্যক্তির একত্রে অবস্থান কিংবা চলাফেরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

রাতের সংঘর্ষের জরে ধরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই নম্বর গেইট এলাকায় স্থানীয় জনসাধারণ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

এতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ উপাচার্য অধ্যাপক মো. কামাল উদ্দিন, প্রক্টর অধ্যাপক তানভীর মোহাম্মদ হায়দার আরিফসহ ৩০ জনের মতো শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। এর আগে রাতে সংঘর্ষে কমপক্ষে ৬০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গতকাল শনিবার (৩০ আগস্ট) রাতে সংঘর্ষের জের ধরে আজ রবিবার দুপুর ১২টার দিকে আবারও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে গ্রামবাসীর সংঘর্ষ শুরু হয়ছে। এ সময় উভয়পক্ষ ইট-পাটকেল ছোঁড়া এবং ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

সংঘর্ষে নতুন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর তানভীর মোহাম্মদ আরিফসহ অনেক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর তানভীর মোহাম্মদ আরিফ বলেন, ‘আমরা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। আমি এখন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আছি। পরে বিস্তারিত জানাতে পারব।

বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থী জানান, স্থানীয় গ্রামবাসী আজ সকালের পর জড়ো হয়ে আবারও শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করেছে। এতে নতুন করে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। গ্রামবাসী চারপাশ থেকে শিক্ষার্থীদের ওপর দুই নম্বর গেইট এলাকায় হামলা করছে। এই পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ক্লাস ও পরীক্ষা স্থগিত করেছে কর্তৃপক্ষ।

আজ রবিবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ উপাচার্য অধ্যাপক কামাল উদ্দিন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।

এ বিষয়ে অব্শ্যই আমরা আইনি পদক্ষেপ নেবো।’জানা যায়, গতকাল শনিবার রাতে স্থানীয়দের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেইট সংলগ্ন এলাকায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ৬০ জন শিক্ষার্থী আহত হন। আহতদের মধ্যে ২১ জনকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ০৩:৫৪:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫
১৬৮ বার পড়া হয়েছে

চবি ও আশপাশ এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি

আপডেট সময় ০৩:৫৪:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষের জেরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ২ নম্বর গেইট বাজারের পূর্ব সীমা থেকৈ পূর্বদিকে রেলগেইট পর্যন্ত রাস্তায় উভয়পাশে ১৪৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন। রবিবার দুপুর দুইটা থেকে ১ সেস্টেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত এই ১৪৪ ধারা জারি করেছেন হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন।

ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৪ ধারার আদেশে বলা হয়েছে, উল্লেখিত সময়ে এই এলাকায় সকল প্রকার সভা সমাবেশ, বিক্ষোভ মিছিল, গণজমায়েত, বিস্ফোরক দ্রব্য, আগ্নেয়াস্ত্র ও সকল প্রকার দেশী অস্ত্র ইত্যাদি বহনসহ সংশ্লিষ্ট এলাকায় ৫ বা ততোধিক ব্যক্তির একত্রে অবস্থান কিংবা চলাফেরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

রাতের সংঘর্ষের জরে ধরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই নম্বর গেইট এলাকায় স্থানীয় জনসাধারণ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

এতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ উপাচার্য অধ্যাপক মো. কামাল উদ্দিন, প্রক্টর অধ্যাপক তানভীর মোহাম্মদ হায়দার আরিফসহ ৩০ জনের মতো শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। এর আগে রাতে সংঘর্ষে কমপক্ষে ৬০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গতকাল শনিবার (৩০ আগস্ট) রাতে সংঘর্ষের জের ধরে আজ রবিবার দুপুর ১২টার দিকে আবারও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে গ্রামবাসীর সংঘর্ষ শুরু হয়ছে। এ সময় উভয়পক্ষ ইট-পাটকেল ছোঁড়া এবং ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

সংঘর্ষে নতুন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর তানভীর মোহাম্মদ আরিফসহ অনেক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর তানভীর মোহাম্মদ আরিফ বলেন, ‘আমরা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। আমি এখন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আছি। পরে বিস্তারিত জানাতে পারব।

বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থী জানান, স্থানীয় গ্রামবাসী আজ সকালের পর জড়ো হয়ে আবারও শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করেছে। এতে নতুন করে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। গ্রামবাসী চারপাশ থেকে শিক্ষার্থীদের ওপর দুই নম্বর গেইট এলাকায় হামলা করছে। এই পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ক্লাস ও পরীক্ষা স্থগিত করেছে কর্তৃপক্ষ।

আজ রবিবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ উপাচার্য অধ্যাপক কামাল উদ্দিন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।

এ বিষয়ে অব্শ্যই আমরা আইনি পদক্ষেপ নেবো।’জানা যায়, গতকাল শনিবার রাতে স্থানীয়দের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেইট সংলগ্ন এলাকায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ৬০ জন শিক্ষার্থী আহত হন। আহতদের মধ্যে ২১ জনকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।