ঢাকা ১২:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
খেলাধুলার প্রসারে প্রতিটি ইউনিয়নে অন্তত ৮ বিঘা জমি বরাদ্দের সিদ্ধান্ত পরীক্ষার্থীদের বড় অংশ দুর্ভোগে পড়েনি: ড. মাহ্‌দী আমিন ‘ফার্মের মুরগি’ বিতর্কে শিক্ষামন্ত্রীকে নিয়ে হাসনাতের বিস্ফোরক মন্তব্য প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসেছেন শিক্ষামন্ত্রী সুন্দরবনে ২৭ বনদস্যুর আত্মসমর্পণ ইয়েমেনে হামলা করতে সৌদিকে সমর্থন দিয়েছেন ট্রাম্প: অ্যাক্সিওস পদার্থ বিজ্ঞানের ভুল প্রশ্নের জন্য পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী দেশে ফিরেই বীরের সংবর্ধনা পেল নরওয়ে দল ওয়েলসের প্রথম ফার্স্ট মিনিস্টার রডরি মর্গানের ভাস্কর্য কার্ডিফে উন্মোচন শিক্ষার্থীদের জীবন ও নিরাপত্তা আগে, পরীক্ষা পরে: পাটওয়ারী

ইয়েমেনে হামলা করতে সৌদিকে সমর্থন দিয়েছেন ট্রাম্প: অ্যাক্সিওস

নিজস্ব সংবাদ :

ইয়েমেনে হামলা করতে সৌদিকে সমর্থন দিয়েছেন ট্রাম্প: অ্যাক্সিওস

ইয়েমেনে ইরান সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে নতুন করে সামরিক অভিযান চালাতে সৌদি আরবকে সবুজ সংকেত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এমন তথ্য প্রকাশ করেছে অ্যাক্সিওস।

সৌদি আরব ও হুতিদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরির পরপরই এমন খবর সামনে এলো। মার্কিন সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, এই পদক্ষেপের ফলে দুই পক্ষের মধ্যকার অনানুষ্ঠানিক যুদ্ধবিরতির অবসান ঘটতে পারে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সংঘাত আরও ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি আছে।

সোমবার হুতিদের নিয়ন্ত্রণে থাকা সানা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভয়াবহ হামলা হয়। ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির দাফন শেষে হুতিদের একটি প্রতিনিধি দল উড়োজাহাজে করে সানার উদ্দেশে রওনা দেওয়ার পর ওই হামলা চালানো হয়। উড়োজাহাজটি পরে লোহিত সাগরের বন্দর নগরী আল হুদায়দাহে অবতরণ করে।

হুতিরা এই হামলার জন্য রিয়াদকে দায়ী করে সৌদি আরবের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি শেষ বলে ঘোষণা দিয়েছে। এরপর গোষ্ঠীটি সৌদির আবহা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করে।

অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবারের হামলার কয়েকদিন আগেই ওয়াশিংটনের সমর্থন চেয়েছিল রিয়াদ। গত বৃহস্পতিবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে বৈঠক করেন সৌদি রাষ্ট্রদূত। পরে রুবিও সৌদির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলেন। এরপর ট্রাম্প সৌদির যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে ফোনে আলাপ করেন। যুবরাজ অভিযানের জন্য ট্রাম্পের সমর্থন চেয়েছিলেন এবং ট্রাম্প তা মঞ্জুর করেন বলে অ্যাক্সিওসকে জানিয়েছেন এক মার্কিন কর্মকর্তা।

সানা বিমানবন্দরে হামলার ঘটনার পর হুতিরা রিয়াদকে অভিযুক্ত করলেও ইয়েমেনের সৌদি সমর্থিত সরকার অভিযানের দায় স্বীকার করেছে। তাদের দাবি এতে রিয়াদের কোনো ভূমিকা ছিল না। সৌদি আরবও আনুষ্ঠানিকভাবে হামলার কথা স্বীকার করেনি।

ইরানপন্থী শিয়া গোষ্ঠী হুতিরা ২০১৪ সালে সানা দখল করে নিলে পরের বছর সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট সেখানে হস্তক্ষেপ করে। ২০২২ সালের এপ্রিলে দুই পক্ষের মধ্যে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়। এর মেয়াদ ছয় মাস পর আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলেও, পরের দিনগুলোতে সরাসরি সংঘাতের ঘটনা ঘটেনি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ০৭:৩৬:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
৪ বার পড়া হয়েছে

ইয়েমেনে হামলা করতে সৌদিকে সমর্থন দিয়েছেন ট্রাম্প: অ্যাক্সিওস

আপডেট সময় ০৭:৩৬:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

ইয়েমেনে ইরান সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে নতুন করে সামরিক অভিযান চালাতে সৌদি আরবকে সবুজ সংকেত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এমন তথ্য প্রকাশ করেছে অ্যাক্সিওস।

সৌদি আরব ও হুতিদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরির পরপরই এমন খবর সামনে এলো। মার্কিন সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, এই পদক্ষেপের ফলে দুই পক্ষের মধ্যকার অনানুষ্ঠানিক যুদ্ধবিরতির অবসান ঘটতে পারে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সংঘাত আরও ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি আছে।

সোমবার হুতিদের নিয়ন্ত্রণে থাকা সানা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভয়াবহ হামলা হয়। ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির দাফন শেষে হুতিদের একটি প্রতিনিধি দল উড়োজাহাজে করে সানার উদ্দেশে রওনা দেওয়ার পর ওই হামলা চালানো হয়। উড়োজাহাজটি পরে লোহিত সাগরের বন্দর নগরী আল হুদায়দাহে অবতরণ করে।

হুতিরা এই হামলার জন্য রিয়াদকে দায়ী করে সৌদি আরবের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি শেষ বলে ঘোষণা দিয়েছে। এরপর গোষ্ঠীটি সৌদির আবহা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করে।

অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবারের হামলার কয়েকদিন আগেই ওয়াশিংটনের সমর্থন চেয়েছিল রিয়াদ। গত বৃহস্পতিবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে বৈঠক করেন সৌদি রাষ্ট্রদূত। পরে রুবিও সৌদির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলেন। এরপর ট্রাম্প সৌদির যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে ফোনে আলাপ করেন। যুবরাজ অভিযানের জন্য ট্রাম্পের সমর্থন চেয়েছিলেন এবং ট্রাম্প তা মঞ্জুর করেন বলে অ্যাক্সিওসকে জানিয়েছেন এক মার্কিন কর্মকর্তা।

সানা বিমানবন্দরে হামলার ঘটনার পর হুতিরা রিয়াদকে অভিযুক্ত করলেও ইয়েমেনের সৌদি সমর্থিত সরকার অভিযানের দায় স্বীকার করেছে। তাদের দাবি এতে রিয়াদের কোনো ভূমিকা ছিল না। সৌদি আরবও আনুষ্ঠানিকভাবে হামলার কথা স্বীকার করেনি।

ইরানপন্থী শিয়া গোষ্ঠী হুতিরা ২০১৪ সালে সানা দখল করে নিলে পরের বছর সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট সেখানে হস্তক্ষেপ করে। ২০২২ সালের এপ্রিলে দুই পক্ষের মধ্যে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়। এর মেয়াদ ছয় মাস পর আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলেও, পরের দিনগুলোতে সরাসরি সংঘাতের ঘটনা ঘটেনি।