ঢাকা ০৩:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সৌদি আরবে দেশি প্রতারকের সাথে বাড়ছে স্থানীয় কফিলদের মিথ্যা প্রলোভন

নিজস্ব সংবাদ :

রিমন হোসেন, সৌদি আরব

বাংলাদেশের প্রবাসীদের জন্য প্রথম সাড়ীর শ্রমবাজার সৌদি আরবে নিয়োগকর্তা বা কফিলদের সীমাহীন প্রতারণায় চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন বহু বাংলাদেশি শ্রমিক। নিয়ম অনুযায়ী কফিলদের আকামা নবায়নের কথা থাকলেও, উল্টো শ্রমিকদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে তা আত্মসাৎ করছেন তাঁরা।

আকামা না থাকায় পুলিশের ধরপাকড় এড়াতে প্রায় দেড় লাখ প্রবাসী বর্তমানে বাধ্য হয়ে আত্মগোপনে বা ‘পলাতক’ জীবন কাটাচ্ছেন। অনেককে কারাগারে মানবেতর সময় পার করতে হচ্ছে, আবার অনেকেই কফিলদের নির্মম নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন।

দেশীয় রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর বিরুদ্ধেও প্রতারণার বিস্তর অভিযোগ রয়েছে। ভালো কাজের প্রলোভন দেখিয়ে ১০ থেকে ১২ লাখ টাকা নেওয়া হলেও সৌদি আরবে গিয়ে প্রতিশ্রুত কাজ ও বেতন পাচ্ছেন না এসব রেমিট্যান্স যোদ্ধা।

বেশিরভাগ প্রবাসী সেদেশে থাকা বাংলাদেশ দূতাবাসের কার্যক্রমকে দোষছেন।

তাই এ সংকট সমাধানে সৌদি সরকারের সঙ্গে দ্রুত দ্বিপক্ষীয় আলোচনার তাগিদের প্রয়োজন মনে করছেন এবং দ্রুত সমাধান চাচ্ছে সৌদি আরব প্রবাসীরা। একই সাথে কফিলদের স্বেচ্ছাচারিতা বন্ধের পাশাপাশি প্রবাসীদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ দূতাবাসে শক্তিশালী সেল গঠনের জোর দাবি জানানো হচ্ছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ০১:১৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬
৫৬ বার পড়া হয়েছে

সৌদি আরবে দেশি প্রতারকের সাথে বাড়ছে স্থানীয় কফিলদের মিথ্যা প্রলোভন

আপডেট সময় ০১:১৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

রিমন হোসেন, সৌদি আরব

বাংলাদেশের প্রবাসীদের জন্য প্রথম সাড়ীর শ্রমবাজার সৌদি আরবে নিয়োগকর্তা বা কফিলদের সীমাহীন প্রতারণায় চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন বহু বাংলাদেশি শ্রমিক। নিয়ম অনুযায়ী কফিলদের আকামা নবায়নের কথা থাকলেও, উল্টো শ্রমিকদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে তা আত্মসাৎ করছেন তাঁরা।

আকামা না থাকায় পুলিশের ধরপাকড় এড়াতে প্রায় দেড় লাখ প্রবাসী বর্তমানে বাধ্য হয়ে আত্মগোপনে বা ‘পলাতক’ জীবন কাটাচ্ছেন। অনেককে কারাগারে মানবেতর সময় পার করতে হচ্ছে, আবার অনেকেই কফিলদের নির্মম নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন।

দেশীয় রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর বিরুদ্ধেও প্রতারণার বিস্তর অভিযোগ রয়েছে। ভালো কাজের প্রলোভন দেখিয়ে ১০ থেকে ১২ লাখ টাকা নেওয়া হলেও সৌদি আরবে গিয়ে প্রতিশ্রুত কাজ ও বেতন পাচ্ছেন না এসব রেমিট্যান্স যোদ্ধা।

বেশিরভাগ প্রবাসী সেদেশে থাকা বাংলাদেশ দূতাবাসের কার্যক্রমকে দোষছেন।

তাই এ সংকট সমাধানে সৌদি সরকারের সঙ্গে দ্রুত দ্বিপক্ষীয় আলোচনার তাগিদের প্রয়োজন মনে করছেন এবং দ্রুত সমাধান চাচ্ছে সৌদি আরব প্রবাসীরা। একই সাথে কফিলদের স্বেচ্ছাচারিতা বন্ধের পাশাপাশি প্রবাসীদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ দূতাবাসে শক্তিশালী সেল গঠনের জোর দাবি জানানো হচ্ছে।