ঢাকা ০৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
News Title :
ভোট চুরি বা কেন্দ্র দখল হলে বসে থাকবো না: আসিফ মাহমুদ বার্মিংহাম সহকারী হাই কমিশনারের সাথে বাংলা প্রেসক্লাব বার্মিংহাম মিডল্যান্ডস এর সৌজন্য সাক্ষাৎ তরুণ সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি যে আহ্বান সাবেক সেনাপ্রধানের দেশজুড়ে লাইলাতুল গুজব চলছে: পাত্তা না দেওয়ার অনুরোধ জামায়াত আমিরের জামায়াতের জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে অপতথ্য ছড়ানো হচ্ছে: জামায়াত আমির ঠাকুরগাঁওয়ে ভোটকেন্দ্রের পাশে পুকুর থেকে লাঠিসোঁটা উদ্ধার ভোটারদের হুমকি: এবার সেই মঞ্জুরুল মুন্সীকে আদালতে তলব এক বছরে নুসরাত ইমরোজ তিশার সম্পদ বেড়ে হয়েছে দ্বিগুণ ইতিবাচক সংস্কার-পরিবর্তনের প্রশ্নে আমরা ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে: শায়খ আহমাদুল্লাহ ভোট চুরি হতে পারে, ফলাফল না নিয়ে ফিরবেন না: ডা. শফিকুর রহমান

তরুণ সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি যে আহ্বান সাবেক সেনাপ্রধানের

নিজস্ব সংবাদ :

তরুণ সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি যে আহ্বান সাবেক সেনাপ্রধানের

সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূইয়া নির্বাচনের আগের রাতে তরুণ সেনা কর্মকর্তাদেরকে প্রতি বিশেষ আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করার কাজে সর্বোচ্চভাবে প্রয়োগ করতে হবে।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাতে তিনি নিজের ফেসবুক পোস্টে এ আহ্বান জানান।

পোস্টে ইকবাল করিম ভূইয়া ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার হবে আইন, ন্যায় ও গণতন্ত্রের রক্ষাকবচ শিরোনামে তরুণ সেনা কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, প্রতিটি সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে, ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতার সঠিক প্রয়োগ শুধু অপরাধ দমন নয়; বরং জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা ও গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি রক্ষার পক্ষাবলম্বন। এই দায়িত্ব সততা, ন্যায়নিষ্ঠা ও সাহসিকতার সঙ্গে পালন করা গেলে সশস্ত্র বাহিনী আবারও জনগণের আস্থার প্রতীকে পরিণত হবে।

সাবেক সেনাপ্রধান আরো লেখেন, দেশের স্বার্থে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতার পরিপূর্ণ প্রয়োগ করতে হবে তরুণ সেনা কর্মকর্তাদের। ফ্যাসিবাদের দুঃসময়ে অনুষ্ঠিত তিনটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনাবাহিনী মাঠে থাকলেও কার্যকর ভূমিকা রাখতে দেওয়া হতো না। জুলাই বিপ্লব-পরবর্তীতে আগামীকাল অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে সেই অবস্থানের বিপরীতে সকলকে পূর্ণমাত্রায় সক্রিয় হতে হবে। তরুণ সেনা কর্মকর্তাদের হাতে অর্পিত ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করার কাজে সর্বোচ্চভাবে প্রয়োগ করতে হবে।

তিনি বিশেষ আহ্বান জানিয়ে আরো লেখেন, এক. ভেঙে পড়া পুলিশ ও জনপ্রশাসন রাজনৈতিক চাপে কোথাও দুর্বলতা দেখালে, সেনা কর্মকর্তাদের সাহসের সঙ্গে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা প্রয়োগ করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

দুই. ব্যক্তিগত পছন্দ-বিরাগ, রাজনৈতিক পক্ষপাত ও স্থানীয় চাপ উপেক্ষা করে কেবল প্রচলিত আইন ও নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।

তিন. ভোটকেন্দ্র দখল, জাল ভোট, ভোটারকে বাধা বা ভীতি প্রদর্শনের মতো অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ও আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে- যাতে নাগরিকরা নিশ্চিত হয় যে রাষ্ট্র ভোটারদের পাশে রয়েছে।

চার, অপরাধ সংঘটিত হওয়ার আগেই দৃশ্যমান উপস্থিতি প্রদর্শনের মাধ্যমে পরিস্থিতি সামাল দিতে হবে। অকারণে বলপ্রয়োগ না করে অঘটনের আশংকা নিয়ন্ত্রণ করাই প্রকৃত দক্ষতার পরিচয়।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ১১:৪৩:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
৯ বার পড়া হয়েছে

তরুণ সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি যে আহ্বান সাবেক সেনাপ্রধানের

আপডেট সময় ১১:৪৩:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূইয়া নির্বাচনের আগের রাতে তরুণ সেনা কর্মকর্তাদেরকে প্রতি বিশেষ আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করার কাজে সর্বোচ্চভাবে প্রয়োগ করতে হবে।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাতে তিনি নিজের ফেসবুক পোস্টে এ আহ্বান জানান।

পোস্টে ইকবাল করিম ভূইয়া ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার হবে আইন, ন্যায় ও গণতন্ত্রের রক্ষাকবচ শিরোনামে তরুণ সেনা কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, প্রতিটি সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে, ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতার সঠিক প্রয়োগ শুধু অপরাধ দমন নয়; বরং জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা ও গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি রক্ষার পক্ষাবলম্বন। এই দায়িত্ব সততা, ন্যায়নিষ্ঠা ও সাহসিকতার সঙ্গে পালন করা গেলে সশস্ত্র বাহিনী আবারও জনগণের আস্থার প্রতীকে পরিণত হবে।

সাবেক সেনাপ্রধান আরো লেখেন, দেশের স্বার্থে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতার পরিপূর্ণ প্রয়োগ করতে হবে তরুণ সেনা কর্মকর্তাদের। ফ্যাসিবাদের দুঃসময়ে অনুষ্ঠিত তিনটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনাবাহিনী মাঠে থাকলেও কার্যকর ভূমিকা রাখতে দেওয়া হতো না। জুলাই বিপ্লব-পরবর্তীতে আগামীকাল অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে সেই অবস্থানের বিপরীতে সকলকে পূর্ণমাত্রায় সক্রিয় হতে হবে। তরুণ সেনা কর্মকর্তাদের হাতে অর্পিত ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করার কাজে সর্বোচ্চভাবে প্রয়োগ করতে হবে।

তিনি বিশেষ আহ্বান জানিয়ে আরো লেখেন, এক. ভেঙে পড়া পুলিশ ও জনপ্রশাসন রাজনৈতিক চাপে কোথাও দুর্বলতা দেখালে, সেনা কর্মকর্তাদের সাহসের সঙ্গে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা প্রয়োগ করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

দুই. ব্যক্তিগত পছন্দ-বিরাগ, রাজনৈতিক পক্ষপাত ও স্থানীয় চাপ উপেক্ষা করে কেবল প্রচলিত আইন ও নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।

তিন. ভোটকেন্দ্র দখল, জাল ভোট, ভোটারকে বাধা বা ভীতি প্রদর্শনের মতো অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ও আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে- যাতে নাগরিকরা নিশ্চিত হয় যে রাষ্ট্র ভোটারদের পাশে রয়েছে।

চার, অপরাধ সংঘটিত হওয়ার আগেই দৃশ্যমান উপস্থিতি প্রদর্শনের মাধ্যমে পরিস্থিতি সামাল দিতে হবে। অকারণে বলপ্রয়োগ না করে অঘটনের আশংকা নিয়ন্ত্রণ করাই প্রকৃত দক্ষতার পরিচয়।