ঢাকা ০৩:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :

মমতা-কেজরিওয়ালসহ শত শত বিক্ষোভকারী দিল্লিতে আটক

নিজস্ব সংবাদ :

মমতা-কেজরিওয়ালসহ শত শত বিক্ষোভকারী দিল্লিতে আটক

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভ ঠেকাতে রাজধানী দিল্লিতে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। আজ শনিবার বিক্ষোভ চলাকালে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালসহ শত শত বিক্ষোভকারীকে আটক করেছে পুলিশ।

এছাড়াও আটক হয়েছেন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকেও।

বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার পুলিশ ও আধা সামরিক বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাণিজ্যিক এলাকায় মুঠোফোনের ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রাখা হয়েছে। এছাড়া কয়েক ডজন মেট্রো স্টেশন ও বাজার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ‘ককরোচ’ আন্দোলনের উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশ ঠেকাতে এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের ডাক দেয়া হয়েছিল। সমালোচকদের অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধনের এ প্রক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) অসম সুবিধা পাচ্ছে।

আয়োজকদের পরিকল্পনা ছিল, দিল্লির কেন্দ্রীয় অংশে নির্ধারিত বিক্ষোভস্থল যন্তর মন্তরে কয়েক হাজার মানুষ জড়ো হবেন। তবে বিক্ষোভ শুরুর আগেই নিরাপত্তা বাহিনী এলাকাটি ঘিরে ফেলে। এরপরও শহরের বিভিন্ন স্থানে ছোট ছোট বিক্ষোভ হয়। এর মধ্যে একটি জনপ্রিয় হস্তশিল্পের বাজার ও ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতা মহাত্মা গান্ধীর স্মৃতিসৌধ এলাকাও ছিল। এসব স্থানে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচন কমিশনের প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান দেন।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রত্যক্ষদর্শী সাংবাদিক জানান, দিল্লির কেন্দ্রীয় এলাকায় তরুণ বিক্ষোভকারীদের কেউ কেউ ‘বিপ্লব দীর্ঘজীবী হোক’ স্লোগান দেন। এ সময় পুলিশ তাদের ধাওয়া করে এবং অনেককে টেনেহিঁচড়ে বাসে তুলে নিয়ে যায়। তাদের সরিয়ে নেয়ার পরও নতুন করে বিক্ষোভকারীরা সেখানে জড়ো হচ্ছিলেন।

পুলিশের সঙ্গে যাওয়ার সময় যোগেন্দ্র সোলাঙ্কি রয়টার্সকে বলেন, ‘এটি জনগণের অধিকার লঙ্ঘন। দেশ আর এটি সহ্য করবে না।’

‘ককরোচ জনতা পার্টি’র এক বিবৃতিতে বলা হয়, মুম্বাই থেকে দিল্লিগামী একটি উড়োজাহাজ অবতরণের পর পুলিশ সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এবং জ্যেষ্ঠ নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকাকে আটক করেছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ০৬:২৭:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
১৪ বার পড়া হয়েছে

মমতা-কেজরিওয়ালসহ শত শত বিক্ষোভকারী দিল্লিতে আটক

আপডেট সময় ০৬:২৭:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভ ঠেকাতে রাজধানী দিল্লিতে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। আজ শনিবার বিক্ষোভ চলাকালে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালসহ শত শত বিক্ষোভকারীকে আটক করেছে পুলিশ।

এছাড়াও আটক হয়েছেন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকেও।

বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার পুলিশ ও আধা সামরিক বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাণিজ্যিক এলাকায় মুঠোফোনের ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রাখা হয়েছে। এছাড়া কয়েক ডজন মেট্রো স্টেশন ও বাজার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ‘ককরোচ’ আন্দোলনের উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশ ঠেকাতে এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের ডাক দেয়া হয়েছিল। সমালোচকদের অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধনের এ প্রক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) অসম সুবিধা পাচ্ছে।

আয়োজকদের পরিকল্পনা ছিল, দিল্লির কেন্দ্রীয় অংশে নির্ধারিত বিক্ষোভস্থল যন্তর মন্তরে কয়েক হাজার মানুষ জড়ো হবেন। তবে বিক্ষোভ শুরুর আগেই নিরাপত্তা বাহিনী এলাকাটি ঘিরে ফেলে। এরপরও শহরের বিভিন্ন স্থানে ছোট ছোট বিক্ষোভ হয়। এর মধ্যে একটি জনপ্রিয় হস্তশিল্পের বাজার ও ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতা মহাত্মা গান্ধীর স্মৃতিসৌধ এলাকাও ছিল। এসব স্থানে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচন কমিশনের প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান দেন।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রত্যক্ষদর্শী সাংবাদিক জানান, দিল্লির কেন্দ্রীয় এলাকায় তরুণ বিক্ষোভকারীদের কেউ কেউ ‘বিপ্লব দীর্ঘজীবী হোক’ স্লোগান দেন। এ সময় পুলিশ তাদের ধাওয়া করে এবং অনেককে টেনেহিঁচড়ে বাসে তুলে নিয়ে যায়। তাদের সরিয়ে নেয়ার পরও নতুন করে বিক্ষোভকারীরা সেখানে জড়ো হচ্ছিলেন।

পুলিশের সঙ্গে যাওয়ার সময় যোগেন্দ্র সোলাঙ্কি রয়টার্সকে বলেন, ‘এটি জনগণের অধিকার লঙ্ঘন। দেশ আর এটি সহ্য করবে না।’

‘ককরোচ জনতা পার্টি’র এক বিবৃতিতে বলা হয়, মুম্বাই থেকে দিল্লিগামী একটি উড়োজাহাজ অবতরণের পর পুলিশ সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এবং জ্যেষ্ঠ নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকাকে আটক করেছে।