ঢাকা ০৪:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
জুলাই আন্দোলনে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ছাত্রদল: নাসির উদ্দিন এতিমখানা থেকে আর্জেন্টিনা দলে বিস্ময়বালক ‘কিকি’ রামোস অভিষেক শর্মার ব্যাটিং তাণ্ডব, করলেন ৯১ বলে ২৩৩ সেই দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মুকলেসুরের পাশে দাঁড়াবেন খায়রুল বাসার জুলাইয়ে এলো ৩৫ হাজার কোটি টাকার রেমিট্যান্স প্রধানমন্ত্রীর ফটোগ্রাফারের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ খাম্বা থাকলেও এখন বিদ্যুৎ পাওয়া যায়না: সিলেটে নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী যেকোন সময় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা ‘ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ চাইলে বাহাত্তরের সংবিধান বাতিল করতে হবে’ রোগীকে ভ্যাকসিন না দেওয়ায় কর্মীকে বরখাস্তের নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

মব সৃষ্টিকারীরা ৩০০ ভাগ হয়ে যাবে, সুবিধা করতে পারবে না: সিইসি

নিজস্ব সংবাদ :

মব সৃষ্টিকারীরা ৩০০ ভাগ হয়ে যাবে, সুবিধা করতে পারবে না: সিইসি

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, “নির্বাচন অনুষ্ঠানের দায়িত্ব যেহেতু আমাদের হাতে, সেহেতু ল অ্যান্ড অর্ডার সিচুয়েশন (আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি) আমাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেজন্য আমরা আমাদের দিক থেকে পুলিশ প্রশাসন, সেনাবাহিনী, যাদের যা করার আছে-সব জায়গায় আমরা সাপোর্ট দিই এবং তাদের সঙ্গে আমাদের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ থাকে। তারাও খুব কো-অপারেটিভ থাকে সব সময়। তারা নির্বাচনে সবসময় আমাদের সাহায্য-সহযোগিতা করে থাকে।”

সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় নিযুক্ত আমেরিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত ট্র্যাসি অ্যান জ্যাকবসনের সঙ্গে বৈঠক শেষে নিজ দপ্তরের সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন সিইসি।
মব নিয়ে চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সের প্রশ্ন প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, “উনি জানতে চাইলেন যে, ইলেকশনের সময় কোনো পার্টির ওপরে যদি মব সৃষ্টি হয় তাহলে কী হবে। আমি বললাম ইলেকশন তো এখনো দেরি আছে। ইলেকশনের সময় যখন ৩০০ কনস্টিটিউয়েন্সিতে একদিনে ইলেকশন হবে, তখন তা ৩০০ জায়গায় ভাগ হয়ে যাবে। যারা মব সৃষ্টি করে ওরা দেখবেন যে যার যার কনস্টিটিউয়েন্সিতে চলে গেছে। একসঙ্গে এত লোক একত্রে আর পাওয়া যাবে না, ঢাকা শহর খালি হয়ে যাবে। যারা মব সৃষ্টি করতে চাইবে তারা সুবিধা করতে পারবে না।”

সিইসি বলেন, “ল অ্যান্ড অর্ডার সিচুয়েশন নিয়ে চিন্তার কিছু নেই। আমরা আমাদের অভিজ্ঞতা থেকে জানি, এই অভিজ্ঞতা থেকে বলেছি। আমরা বিভিন্ন সময়ে এই ধরনের আশঙ্কার কথা শুনেছি, কিন্তু যখন নির্বাচন এসেছে তখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের মধ্যে এসেছে। কারণ নির্বাচনের সময় সবাই চায় অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হোক এবং একটি শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন হোক।”

প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, “একটা কথা তিনি (চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স) এক ফাঁক দিয়ে বলেছেন গুজব ও ষড়যন্ত্র তত্ত্ব নিয়ে। আমি বলেছি এই দেশটা গুজবের দেশ। তিনি আবার গুজবটা দূর করতে চান। আমি গুজব কানে না নিতে বলেছি। আমরা পুরো নির্বাচন বাতিলের ক্ষমতা ফেরত আনার ব্যবস্থা করেছি।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ০৮:১৬:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
১৯১ বার পড়া হয়েছে

মব সৃষ্টিকারীরা ৩০০ ভাগ হয়ে যাবে, সুবিধা করতে পারবে না: সিইসি

আপডেট সময় ০৮:১৬:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, “নির্বাচন অনুষ্ঠানের দায়িত্ব যেহেতু আমাদের হাতে, সেহেতু ল অ্যান্ড অর্ডার সিচুয়েশন (আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি) আমাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেজন্য আমরা আমাদের দিক থেকে পুলিশ প্রশাসন, সেনাবাহিনী, যাদের যা করার আছে-সব জায়গায় আমরা সাপোর্ট দিই এবং তাদের সঙ্গে আমাদের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ থাকে। তারাও খুব কো-অপারেটিভ থাকে সব সময়। তারা নির্বাচনে সবসময় আমাদের সাহায্য-সহযোগিতা করে থাকে।”

সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় নিযুক্ত আমেরিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত ট্র্যাসি অ্যান জ্যাকবসনের সঙ্গে বৈঠক শেষে নিজ দপ্তরের সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন সিইসি।
মব নিয়ে চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সের প্রশ্ন প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, “উনি জানতে চাইলেন যে, ইলেকশনের সময় কোনো পার্টির ওপরে যদি মব সৃষ্টি হয় তাহলে কী হবে। আমি বললাম ইলেকশন তো এখনো দেরি আছে। ইলেকশনের সময় যখন ৩০০ কনস্টিটিউয়েন্সিতে একদিনে ইলেকশন হবে, তখন তা ৩০০ জায়গায় ভাগ হয়ে যাবে। যারা মব সৃষ্টি করে ওরা দেখবেন যে যার যার কনস্টিটিউয়েন্সিতে চলে গেছে। একসঙ্গে এত লোক একত্রে আর পাওয়া যাবে না, ঢাকা শহর খালি হয়ে যাবে। যারা মব সৃষ্টি করতে চাইবে তারা সুবিধা করতে পারবে না।”

সিইসি বলেন, “ল অ্যান্ড অর্ডার সিচুয়েশন নিয়ে চিন্তার কিছু নেই। আমরা আমাদের অভিজ্ঞতা থেকে জানি, এই অভিজ্ঞতা থেকে বলেছি। আমরা বিভিন্ন সময়ে এই ধরনের আশঙ্কার কথা শুনেছি, কিন্তু যখন নির্বাচন এসেছে তখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের মধ্যে এসেছে। কারণ নির্বাচনের সময় সবাই চায় অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হোক এবং একটি শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন হোক।”

প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, “একটা কথা তিনি (চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স) এক ফাঁক দিয়ে বলেছেন গুজব ও ষড়যন্ত্র তত্ত্ব নিয়ে। আমি বলেছি এই দেশটা গুজবের দেশ। তিনি আবার গুজবটা দূর করতে চান। আমি গুজব কানে না নিতে বলেছি। আমরা পুরো নির্বাচন বাতিলের ক্ষমতা ফেরত আনার ব্যবস্থা করেছি।