ঢাকা ০৩:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
জুলাই আন্দোলনে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ছাত্রদল: নাসির উদ্দিন এতিমখানা থেকে আর্জেন্টিনা দলে বিস্ময়বালক ‘কিকি’ রামোস অভিষেক শর্মার ব্যাটিং তাণ্ডব, করলেন ৯১ বলে ২৩৩ সেই দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মুকলেসুরের পাশে দাঁড়াবেন খায়রুল বাসার জুলাইয়ে এলো ৩৫ হাজার কোটি টাকার রেমিট্যান্স প্রধানমন্ত্রীর ফটোগ্রাফারের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ খাম্বা থাকলেও এখন বিদ্যুৎ পাওয়া যায়না: সিলেটে নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী যেকোন সময় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা ‘ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ চাইলে বাহাত্তরের সংবিধান বাতিল করতে হবে’ রোগীকে ভ্যাকসিন না দেওয়ায় কর্মীকে বরখাস্তের নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

যারা একসময় হতাশায় ভুগেছিল, তারাই এখন দেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছে : প্রধান উপদেষ্টা

নিজস্ব সংবাদ :

যারা একসময় হতাশায় ভুগেছিল, তারাই এখন দেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছে : প্রধান উপদেষ্টা

যারা একসময় হতাশায় ভুগেছিল, গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী তারাই এখন দেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। দক্ষিণ এশিয়ার মানবাধিকার সংস্থার (এসএএইচআর) একটি প্রতিনিধিদল শনিবার (৩০ আগস্ট) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। এ সময় তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিনিধিদলের সদস্যরা হলেন এসএএইচআরের সহসভাপতি রশ্মি গোস্বামী, পাকিস্তানের মানবাধিকারকর্মী সারুপ ইজাজ, শ্রীলঙ্কার দীকশ্য ইলাঙ্গাসিংহে ও অনুশায়া কল্লুরে এবং বাংলাদেশের সাঈদ আহমেদ।

এ সময় আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান এবং সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে যুবসমাজের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার ওপর আলোকপাত করেন।

তিনি বলেন, ‘দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই আমরা সবস্তরে যুবসমাজের অংশগ্রহণ বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছি। সংস্কার কমিশনে তরুণদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হয়েছে, নীতি প্রণয়নসহ রাষ্ট্র পরিচালনার সব ক্ষেত্রে তাদের সম্পৃক্ত করা হয়েছে।

যারা একসময় হতাশায় ভুগেছিল, তারাই এখন গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে দেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছে। প্রবীণ প্রজন্ম হিসেবে তাদের পথপ্রদর্শন ও সহায়তা করা আমাদের দায়িত্ব। এটি শুধু বাংলাদেশেরই নয়, পুরো দক্ষিণ এশিয়ার জন্য একটি চ্যালেঞ্জ।’
রশ্মি গোস্বামী বলেন, ‘এ মুহূর্ত শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, গোটা দক্ষিণ এশিয়ার জন্যই একটি রূপান্তরমূলক সময়।

আমরা এখানে সুশীল সমাজের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। এই সরকারের প্রতি প্রত্যাশা অনেক বেশি, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে। সেই প্রত্যাশা পূরণ করা সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।’
প্রতিনিধিদল অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কারমূলক পদক্ষেপ এবং মানবাধিকার নিশ্চিতের অঙ্গীকারের প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে তারা গণতান্ত্রিক রূপান্তরকে মসৃণ করার জন্য সরকারের প্রচেষ্টারও প্রশংসা করেন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ১০:৩২:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫
২২৯ বার পড়া হয়েছে

যারা একসময় হতাশায় ভুগেছিল, তারাই এখন দেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছে : প্রধান উপদেষ্টা

আপডেট সময় ১০:৩২:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫

যারা একসময় হতাশায় ভুগেছিল, গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী তারাই এখন দেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। দক্ষিণ এশিয়ার মানবাধিকার সংস্থার (এসএএইচআর) একটি প্রতিনিধিদল শনিবার (৩০ আগস্ট) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। এ সময় তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিনিধিদলের সদস্যরা হলেন এসএএইচআরের সহসভাপতি রশ্মি গোস্বামী, পাকিস্তানের মানবাধিকারকর্মী সারুপ ইজাজ, শ্রীলঙ্কার দীকশ্য ইলাঙ্গাসিংহে ও অনুশায়া কল্লুরে এবং বাংলাদেশের সাঈদ আহমেদ।

এ সময় আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান এবং সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে যুবসমাজের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার ওপর আলোকপাত করেন।

তিনি বলেন, ‘দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই আমরা সবস্তরে যুবসমাজের অংশগ্রহণ বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছি। সংস্কার কমিশনে তরুণদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হয়েছে, নীতি প্রণয়নসহ রাষ্ট্র পরিচালনার সব ক্ষেত্রে তাদের সম্পৃক্ত করা হয়েছে।

যারা একসময় হতাশায় ভুগেছিল, তারাই এখন গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে দেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছে। প্রবীণ প্রজন্ম হিসেবে তাদের পথপ্রদর্শন ও সহায়তা করা আমাদের দায়িত্ব। এটি শুধু বাংলাদেশেরই নয়, পুরো দক্ষিণ এশিয়ার জন্য একটি চ্যালেঞ্জ।’
রশ্মি গোস্বামী বলেন, ‘এ মুহূর্ত শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, গোটা দক্ষিণ এশিয়ার জন্যই একটি রূপান্তরমূলক সময়।

আমরা এখানে সুশীল সমাজের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। এই সরকারের প্রতি প্রত্যাশা অনেক বেশি, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে। সেই প্রত্যাশা পূরণ করা সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।’
প্রতিনিধিদল অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কারমূলক পদক্ষেপ এবং মানবাধিকার নিশ্চিতের অঙ্গীকারের প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে তারা গণতান্ত্রিক রূপান্তরকে মসৃণ করার জন্য সরকারের প্রচেষ্টারও প্রশংসা করেন।