ঢাকা ০২:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :

রংপুরের যৌতুক না পেয়ে সব আয়োজন সম্পন্ন হওয়ার পরও বিয়ে করতে আসেননি বর

নিজস্ব সংবাদ :

রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নে যৌতুকের দাবি পূরণ না হওয়ায় বিয়ের সব আয়োজন সম্পন্ন হওয়ার পরও বর কনেকে নিতে আসেননি বলে অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে, বদরগঞ্জ উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নের চক পলাশবাড়ী এলাকার শাহ আলমের মেয়ের সঙ্গে তারাগঞ্জ উপজেলার হাড়িয়ালকুঠি ইউনিয়নের সর্দারপাড়া এলাকার আবদুল হালিম শাহের ছেলে মিলন মিয়ার বিয়ে ঠিক হয়। রবিবার ১২ জুলাই ছিল বিয়ের নির্ধারিত দিন। ওই উপলক্ষে বিয়ের মঞ্চ, রান্নাবান্নাসহ সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করে কনেপক্ষ। তবে নির্ধারিত দিনে বিয়ের আসরে উপস্থিত হননি বর।

কনের বাবা শাহ আলম বলেন, বাজার থেকে শুরু করে রান্নাবান্না সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। হঠাৎ করে ওদের পক্ষ থেকে জানানো হলো বিয়ে হবে না। কারণ জানতে চাইলে তারা বলে পাঁচ লাখ টাকা যৌতুক এবং ঘরের আসবাবপত্র বাবদ আরও তিন লাখ টাকা দিতে হবে। আমার মেয়ের গায়ে হলুদও হয়ে গেছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বরের বাবা আবদুল হালিম শাহ। তিনি বলেন, আমরা এক টাকাও যৌতুক চাইনি। আমরা এক লাখ টাকা দেনমোহর রাখতে বলেছিলাম। কিন্তু কনের পরিবার পাঁচ লাখ টাকা দেনমোহর নির্ধারণ করতে চেয়েছিল। এই কারণেই ছেলে বিয়েতে যায়নি। বিয়ে হয়নি, সেটি ভিন্ন বিষয়। তবে মেয়ের পরিবার ক্ষতিপূরণ চাইলে তা দিতে আমরা রাজি আছি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ০৯:৫০:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
১৫ বার পড়া হয়েছে

রংপুরের যৌতুক না পেয়ে সব আয়োজন সম্পন্ন হওয়ার পরও বিয়ে করতে আসেননি বর

আপডেট সময় ০৯:৫০:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নে যৌতুকের দাবি পূরণ না হওয়ায় বিয়ের সব আয়োজন সম্পন্ন হওয়ার পরও বর কনেকে নিতে আসেননি বলে অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে, বদরগঞ্জ উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নের চক পলাশবাড়ী এলাকার শাহ আলমের মেয়ের সঙ্গে তারাগঞ্জ উপজেলার হাড়িয়ালকুঠি ইউনিয়নের সর্দারপাড়া এলাকার আবদুল হালিম শাহের ছেলে মিলন মিয়ার বিয়ে ঠিক হয়। রবিবার ১২ জুলাই ছিল বিয়ের নির্ধারিত দিন। ওই উপলক্ষে বিয়ের মঞ্চ, রান্নাবান্নাসহ সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করে কনেপক্ষ। তবে নির্ধারিত দিনে বিয়ের আসরে উপস্থিত হননি বর।

কনের বাবা শাহ আলম বলেন, বাজার থেকে শুরু করে রান্নাবান্না সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। হঠাৎ করে ওদের পক্ষ থেকে জানানো হলো বিয়ে হবে না। কারণ জানতে চাইলে তারা বলে পাঁচ লাখ টাকা যৌতুক এবং ঘরের আসবাবপত্র বাবদ আরও তিন লাখ টাকা দিতে হবে। আমার মেয়ের গায়ে হলুদও হয়ে গেছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বরের বাবা আবদুল হালিম শাহ। তিনি বলেন, আমরা এক টাকাও যৌতুক চাইনি। আমরা এক লাখ টাকা দেনমোহর রাখতে বলেছিলাম। কিন্তু কনের পরিবার পাঁচ লাখ টাকা দেনমোহর নির্ধারণ করতে চেয়েছিল। এই কারণেই ছেলে বিয়েতে যায়নি। বিয়ে হয়নি, সেটি ভিন্ন বিষয়। তবে মেয়ের পরিবার ক্ষতিপূরণ চাইলে তা দিতে আমরা রাজি আছি।