ঢাকা ১১:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিশু আয়াত হত্যা: আসামি আবীরের মৃত্যুদণ্ড

নিজস্ব সংবাদ :

 

চট্টগ্রামে পাঁচ বছর বয়সী শিশু আলিনা ইসলাম আয়াতকে হত্যার পর মরদেহ টুকরো করে সাগরে ভাসিয়ে দেওয়ার ঘটনায় একমাত্র আসামি আবীর আলীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার চট্টগ্রামের ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মুহাম্মদ আলী আক্কাস এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ১৪ নভেম্বর নগরের ইপিজেড থানার নয়ারহাট ওয়াছমুন্সী বাড়ি এলাকার বাসিন্দা পাঁচ বছর বয়সী আলিনা ইসলাম আয়াত নিখোঁজ হয়। পরে প্রতিবেশী আবীর আলী তাকে হত্যা করে মরদেহ ছয় টুকরো করে সাগরে ভাসিয়ে দেয় বলে তদন্তে উঠে আসে। তদন্ত শেষে ২০২৩ সালের ৯ অক্টোবর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রোর পরিদর্শক মনোজ কুমার দে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

অভিযোগপত্রে আবীর আলীকে একমাত্র আসামি করা হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের সরকারি কৌঁসুলি জালাল উদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, আয়াত হত্যা মামলায় একমাত্র আসামি আবীর আলীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত উল্লেখ করেন, ঘটনাটি ছিল পূর্বপরিকল্পিত, নিষ্ঠুর, নৃশংস, নির্মম এবং সমাজে আতঙ্ক সৃষ্টিকারী। ৩৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এ রায় দেন।

রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ০৪:০২:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
১৫ বার পড়া হয়েছে

শিশু আয়াত হত্যা: আসামি আবীরের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ০৪:০২:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

 

চট্টগ্রামে পাঁচ বছর বয়সী শিশু আলিনা ইসলাম আয়াতকে হত্যার পর মরদেহ টুকরো করে সাগরে ভাসিয়ে দেওয়ার ঘটনায় একমাত্র আসামি আবীর আলীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার চট্টগ্রামের ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মুহাম্মদ আলী আক্কাস এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ১৪ নভেম্বর নগরের ইপিজেড থানার নয়ারহাট ওয়াছমুন্সী বাড়ি এলাকার বাসিন্দা পাঁচ বছর বয়সী আলিনা ইসলাম আয়াত নিখোঁজ হয়। পরে প্রতিবেশী আবীর আলী তাকে হত্যা করে মরদেহ ছয় টুকরো করে সাগরে ভাসিয়ে দেয় বলে তদন্তে উঠে আসে। তদন্ত শেষে ২০২৩ সালের ৯ অক্টোবর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রোর পরিদর্শক মনোজ কুমার দে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

অভিযোগপত্রে আবীর আলীকে একমাত্র আসামি করা হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের সরকারি কৌঁসুলি জালাল উদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, আয়াত হত্যা মামলায় একমাত্র আসামি আবীর আলীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত উল্লেখ করেন, ঘটনাটি ছিল পূর্বপরিকল্পিত, নিষ্ঠুর, নৃশংস, নির্মম এবং সমাজে আতঙ্ক সৃষ্টিকারী। ৩৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এ রায় দেন।

রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।