ঢাকা ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
হবিগঞ্জে পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে ৩ গ্রাম আসামে ভারতীয় বিমানবাহিনীর প্লেন বিধ্বস্ত, ৫ আরোহী নিহত ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সমাধিতে যুবদলের শ্রদ্ধা বাজেটকে যথাসম্ভব অন্তর্ভুক্তিমূলক করার চেষ্টা করেছি: অর্থমন্ত্রী মদ-সিগারেটের ট্যাক্স বাড়ানোয় বিরোধী দল নাখোশ: প্রধানমন্ত্রী এটা আগের ব্রাজিল দল নয় মন্তব্যের উত্তরে হাকিমি: ‘ব্রাজিল তো ব্রাজিলই’ যারা খেলা বোঝে তারা ব্রাজিল করে : অপু বিশ্বাস মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদে মানিকপুরে মানববন্ধন, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগের বিরুদ্ধে সাংবাদিক সোহাগ মিয়ার প্রতিবাদ

হবিগঞ্জে পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে ৩ গ্রাম

নিজস্ব সংবাদ :

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার শাহজাহানপুর ইউনিয়নের তিনটি গ্রাম আকস্মিক পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে। গতকাল শুক্রবার (১২ জুন) রাত থেকে শুরু হওয়া ঢলে ভান্ডারুয়া, জামালপুর ও এক্তিয়ারপুর গ্রামের শত শত পরিবার চরম দুর্ভোগে পড়েছে।

সরেজমিন দেখা যায়, ওই তিন গ্রামের রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় এলাকার স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়েছে। টানা বৃষ্টি ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে রাতারাতি পরিস্থিতির অবনতি ঘটে। তিনটি গ্রামের বিভিন্ন সড়ক ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় যোগাযোগব্যবস্থা প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। অনেক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে এবং নিরাপদ স্থানে সরে যেতেও পারছে না।

পাহাড়ি ঢলের পানিতে কয়েক শ একর আউশ ধান, মৌসুমি শাক-সবজি এবং গবাদি পশুর খাদ্যও নষ্ট হয়েছে। এ ছাড়া বেশ কয়েকটি কাঁচা ও মাটির তৈরি বসতঘর সম্পূর্ণভাবে ভেঙে ভূমিধস হয়েছে।

এক্তিয়ারপুর গ্রামের কৃষক সুন্দর আলী বলেন, ‘আমার ঘরে পানি উঠেছে। রাস্তায় হাঁটুর ওপরে পানি। ফলে চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।’ এমনকি তিনিসহ স্থানীয় কৃষকদের বিভিন্ন ফসলও পানিতে তলিয়ে গেছে বলে জানান তিনি।

জামালপুর গ্রামের বাসিন্দা হুমায়ূন কবীর বলেন, ‘আকস্মিক এই বন্যায় সারা গ্রামে পানি এসেছে। আমরা সবাই ঘরবন্দি হয়ে পড়েছি। গবাদিপ শুসহ আমাদের ফসল নষ্ট হয়েছে।

তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লাইভ করে স্থানীয় সংসদ সদস্য এস এম ফয়সলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, ‘অতি তাড়াতাড়ি যেন তাদের গ্রাম পরিদর্শন করে ত্রাণ দেওয়া হয়।’

শাহজাহানপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. পারভেজ চৌধুরী শনিবার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন। ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় দ্রুত সরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো ত্রাণ বা উদ্ধার কার্যক্রম শুরু হয়নি। এতে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।’

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ০৯:৩৯:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
১৩ বার পড়া হয়েছে

হবিগঞ্জে পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে ৩ গ্রাম

আপডেট সময় ০৯:৩৯:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার শাহজাহানপুর ইউনিয়নের তিনটি গ্রাম আকস্মিক পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে। গতকাল শুক্রবার (১২ জুন) রাত থেকে শুরু হওয়া ঢলে ভান্ডারুয়া, জামালপুর ও এক্তিয়ারপুর গ্রামের শত শত পরিবার চরম দুর্ভোগে পড়েছে।

সরেজমিন দেখা যায়, ওই তিন গ্রামের রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় এলাকার স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়েছে। টানা বৃষ্টি ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে রাতারাতি পরিস্থিতির অবনতি ঘটে। তিনটি গ্রামের বিভিন্ন সড়ক ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় যোগাযোগব্যবস্থা প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। অনেক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে এবং নিরাপদ স্থানে সরে যেতেও পারছে না।

পাহাড়ি ঢলের পানিতে কয়েক শ একর আউশ ধান, মৌসুমি শাক-সবজি এবং গবাদি পশুর খাদ্যও নষ্ট হয়েছে। এ ছাড়া বেশ কয়েকটি কাঁচা ও মাটির তৈরি বসতঘর সম্পূর্ণভাবে ভেঙে ভূমিধস হয়েছে।

এক্তিয়ারপুর গ্রামের কৃষক সুন্দর আলী বলেন, ‘আমার ঘরে পানি উঠেছে। রাস্তায় হাঁটুর ওপরে পানি। ফলে চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।’ এমনকি তিনিসহ স্থানীয় কৃষকদের বিভিন্ন ফসলও পানিতে তলিয়ে গেছে বলে জানান তিনি।

জামালপুর গ্রামের বাসিন্দা হুমায়ূন কবীর বলেন, ‘আকস্মিক এই বন্যায় সারা গ্রামে পানি এসেছে। আমরা সবাই ঘরবন্দি হয়ে পড়েছি। গবাদিপ শুসহ আমাদের ফসল নষ্ট হয়েছে।

তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লাইভ করে স্থানীয় সংসদ সদস্য এস এম ফয়সলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, ‘অতি তাড়াতাড়ি যেন তাদের গ্রাম পরিদর্শন করে ত্রাণ দেওয়া হয়।’

শাহজাহানপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. পারভেজ চৌধুরী শনিবার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন। ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় দ্রুত সরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো ত্রাণ বা উদ্ধার কার্যক্রম শুরু হয়নি। এতে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।’