ঢাকা ০৬:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কাস্টমস কর্মকর্তাকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার ৫

নিজস্ব সংবাদ :

কাস্টমস কর্মকর্তাকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার ৫

চট্টগ্রাম থেকে প্রশিক্ষণ শেষে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ হওয়া কাস্টমস কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যার রহস্য উদ্‌ঘাটন করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। সংঘবদ্ধ ছিনতাই চক্রের হামলায় নির্মমভাবে প্রাণ হারান তিনি। এ ঘটনায় জড়িত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তাররা হলেন,মো. সোহাগ, ইসমাইল হোসেন জনি, ইমরান হোসেন হৃদয়, রাহাত হোসেন জুয়েল এবং সুজন।

কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক, উইং কমান্ডার ইন্তেখাব চৌধুরী এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, গত ২৪ এপ্রিল রাত আনুমানিক ১১টার দিকে চট্টগ্রাম থেকে ফেরার পথে কুমিল্লায় নিখোঁজ হন বুলেট বৈরাগী। প্রায় ১২ ঘণ্টা পর ২৫ এপ্রিল সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কোটবাড়ি এলাকায় একটি হোটেলের পাশ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

মরদেহে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে কুমিল্লার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
র‍্যাব জানায়, ঘটনার রাতে কুমিল্লার জাগরঝুলি এলাকায় বাস থেকে নামার পর ওঁৎ পেতে থাকা ছিনতাইকারীরা তাকে টার্গেট করে। পরে সিএনজিতে তুলে অস্ত্রের মুখে মারধর ও ছিনতাইয়ের পর চলন্ত গাড়ি থেকে ফেলে দেয়।

এতে মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

ঘটনার পরপরই গোয়েন্দা নজরদারি বাড়িয়ে অভিযান শুরু করে র‍্যাব। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২৬ এপ্রিল বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত সিএনজি, চাপাতি, সুইস গিয়ার ও হাতুড়িসহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়েছে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃতরা একটি সংঘবদ্ধ অপরাধচক্রের সদস্য।

তারা দূরপাল্লার যাত্রীদের টার্গেট করে সিএনজিতে তুলে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ছিনতাই ও ডাকাতি করত।
র‍্যাব আরও জানায়, তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় চুরি, ডাকাতি ও মাদক সংক্রান্ত একাধিক মামলা রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ০৪:১৮:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
১৩ বার পড়া হয়েছে

কাস্টমস কর্মকর্তাকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার ৫

আপডেট সময় ০৪:১৮:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

চট্টগ্রাম থেকে প্রশিক্ষণ শেষে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ হওয়া কাস্টমস কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যার রহস্য উদ্‌ঘাটন করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। সংঘবদ্ধ ছিনতাই চক্রের হামলায় নির্মমভাবে প্রাণ হারান তিনি। এ ঘটনায় জড়িত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তাররা হলেন,মো. সোহাগ, ইসমাইল হোসেন জনি, ইমরান হোসেন হৃদয়, রাহাত হোসেন জুয়েল এবং সুজন।

কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক, উইং কমান্ডার ইন্তেখাব চৌধুরী এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, গত ২৪ এপ্রিল রাত আনুমানিক ১১টার দিকে চট্টগ্রাম থেকে ফেরার পথে কুমিল্লায় নিখোঁজ হন বুলেট বৈরাগী। প্রায় ১২ ঘণ্টা পর ২৫ এপ্রিল সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কোটবাড়ি এলাকায় একটি হোটেলের পাশ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

মরদেহে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে কুমিল্লার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
র‍্যাব জানায়, ঘটনার রাতে কুমিল্লার জাগরঝুলি এলাকায় বাস থেকে নামার পর ওঁৎ পেতে থাকা ছিনতাইকারীরা তাকে টার্গেট করে। পরে সিএনজিতে তুলে অস্ত্রের মুখে মারধর ও ছিনতাইয়ের পর চলন্ত গাড়ি থেকে ফেলে দেয়।

এতে মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

ঘটনার পরপরই গোয়েন্দা নজরদারি বাড়িয়ে অভিযান শুরু করে র‍্যাব। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২৬ এপ্রিল বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত সিএনজি, চাপাতি, সুইস গিয়ার ও হাতুড়িসহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়েছে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃতরা একটি সংঘবদ্ধ অপরাধচক্রের সদস্য।

তারা দূরপাল্লার যাত্রীদের টার্গেট করে সিএনজিতে তুলে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ছিনতাই ও ডাকাতি করত।
র‍্যাব আরও জানায়, তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় চুরি, ডাকাতি ও মাদক সংক্রান্ত একাধিক মামলা রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।