ঢাকা ০২:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
News Title :
লিবিয়া দিয়ে গ্রিসে যাওয়ার পথে সাগরে প্রাণ গেলো সুনামগঞ্জের ৫ যুবকের রাস্তা বন্ধ করলে আমি আর অফিসে আসব না: তারেক রহমান কাতারের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করলো ইউক্রেন রাতের মধ্যে ১৯ জেলায় বজ্র-বৃষ্টিসহ ঝড়ের আভাস যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার ‘খারাপের চেয়েও খারাপ’ ১০ বাংলাদেশির পরিচয় প্রকাশ ম্যাচের আগে স্কুলে হামলায় নিহতদের স্মরণে অভিনব প্রতিবাদ ইরানের দেশের চিকিৎসা খাতকে সম্পূর্ণ দুর্নীতিমুক্ত করতে চাই: মন্ত্রী সিলেটে জ্বালানি তেলের ডিপোতে বিজিবির নিরাপত্তা ফয়সাল ও আলমগীরের ১১ দিনের রিমান্ডের নির্দেশ দিল্লির আদালতের আলোচনায় না এলে ভয়াবহ পরিণতির মুখে পড়বে ইরান: ট্রাম্প

লিবিয়া দিয়ে গ্রিসে যাওয়ার পথে সাগরে প্রাণ গেলো সুনামগঞ্জের ৫ যুবকের

নিজস্ব সংবাদ :

 

লিবিয়া থেকে নৌকাযোগে সাগর পাড়ি দিয়ে গ্রিসে যাওয়ার পথে সুনামগঞ্জের একই গ্রামের তিনজনসহ মোট পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২৮ মার্চ) সন্ধ্যার পর এই ঘটনাটি জানাজানি হয় এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।

দুর্ঘটনায় মারা যাওয়া পাঁচজন হলেন- দিরাই উপজেলার তারাপাশা গ্রামের আবু সরদারের ছেলে নুরুজ্জামান ময়না (৩৮), আব্দুল গনির ছেলে সাজিদুর রহমান (৩২), মৃত কারী ইসলাম উদ্দিনের ছেলে শাহান এহিয়া (২৫), উপজেলার রনারচর গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে মুজিবুর রহমান (৪৫) এবং দোয়ারাবাজার উপজেলার কবিরনগর গ্রামের ফয়েজ উদ্দিনের ছেলে ফাহিম আহমেদ মুন্না (২০)।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় দালালচক্রের মাধ্যমে গত রমজানে লিবিয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি ছাড়েন তারাপাশা গ্রামের চার যুবক। এর মধ্যে লিবিয়া থেকে নৌকাযোগে গ্রিস যাওয়ার পথে দুর্ঘটনায় তাদের তিনজনের মৃত্যু হয়। এদিকে দোয়ারাবাজারের ফাহিম তার বাবা কাছে সৌদি আরব থেকেই পাড়ি জমান লিবিয়াতে।

এ বিষয়ে নিহত নুরুজ্জামান ময়নার মামা উমেদ আলী বলেন, ‘স্থানীয় দালালের মাধ্যমে যোগাযোগ করে সে লিবিয়া যায়। সেখান থেকে গেইমে তাকে গ্রিসে পাঠানোর কথা বলে সাগরে রাবার বোটে করে নিয়ে যায়। গত ৫/৬ দিন ধরে তার সঙ্গে যোগাযোগ নাই। আজ খবর পেলাম সে মারা গেছে। আমরা সরকারের কাছে দাবি জানাই তাদের লাশটা যেন কোনোভাবে আমাদের ফেরত দেন।’

ফাহিম আহমেদ মুন্নার মামা জামাল উদ্দিন বলেন, ‘আমার বোনের অবস্থা খুব খারাপ। একমাত্র সন্তান হারিয়ে পাগলপ্রায়। সে তার বাবার সঙ্গে সৌদি আরবে থাকতো, আমি বুঝলাম না কেন তার এই গেইম ঘরে যেতে হলো। আমাদের দাবি, আমার ভাগিনার লাশ আমাদের কাছে ফিরিয়ে দিন।’

এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) সুজন সরকার বলেন, ‘আমরা দিরাইয়ের চারজনের বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছি। আরও দুয়েকটা জায়গায় এমন খবর পেয়েছি। অফিসিয়ালি ছাড়া তো বলা যায় না। তবে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।’

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ১১:৫৭:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬
৪ বার পড়া হয়েছে

লিবিয়া দিয়ে গ্রিসে যাওয়ার পথে সাগরে প্রাণ গেলো সুনামগঞ্জের ৫ যুবকের

আপডেট সময় ১১:৫৭:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

 

লিবিয়া থেকে নৌকাযোগে সাগর পাড়ি দিয়ে গ্রিসে যাওয়ার পথে সুনামগঞ্জের একই গ্রামের তিনজনসহ মোট পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২৮ মার্চ) সন্ধ্যার পর এই ঘটনাটি জানাজানি হয় এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।

দুর্ঘটনায় মারা যাওয়া পাঁচজন হলেন- দিরাই উপজেলার তারাপাশা গ্রামের আবু সরদারের ছেলে নুরুজ্জামান ময়না (৩৮), আব্দুল গনির ছেলে সাজিদুর রহমান (৩২), মৃত কারী ইসলাম উদ্দিনের ছেলে শাহান এহিয়া (২৫), উপজেলার রনারচর গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে মুজিবুর রহমান (৪৫) এবং দোয়ারাবাজার উপজেলার কবিরনগর গ্রামের ফয়েজ উদ্দিনের ছেলে ফাহিম আহমেদ মুন্না (২০)।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় দালালচক্রের মাধ্যমে গত রমজানে লিবিয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি ছাড়েন তারাপাশা গ্রামের চার যুবক। এর মধ্যে লিবিয়া থেকে নৌকাযোগে গ্রিস যাওয়ার পথে দুর্ঘটনায় তাদের তিনজনের মৃত্যু হয়। এদিকে দোয়ারাবাজারের ফাহিম তার বাবা কাছে সৌদি আরব থেকেই পাড়ি জমান লিবিয়াতে।

এ বিষয়ে নিহত নুরুজ্জামান ময়নার মামা উমেদ আলী বলেন, ‘স্থানীয় দালালের মাধ্যমে যোগাযোগ করে সে লিবিয়া যায়। সেখান থেকে গেইমে তাকে গ্রিসে পাঠানোর কথা বলে সাগরে রাবার বোটে করে নিয়ে যায়। গত ৫/৬ দিন ধরে তার সঙ্গে যোগাযোগ নাই। আজ খবর পেলাম সে মারা গেছে। আমরা সরকারের কাছে দাবি জানাই তাদের লাশটা যেন কোনোভাবে আমাদের ফেরত দেন।’

ফাহিম আহমেদ মুন্নার মামা জামাল উদ্দিন বলেন, ‘আমার বোনের অবস্থা খুব খারাপ। একমাত্র সন্তান হারিয়ে পাগলপ্রায়। সে তার বাবার সঙ্গে সৌদি আরবে থাকতো, আমি বুঝলাম না কেন তার এই গেইম ঘরে যেতে হলো। আমাদের দাবি, আমার ভাগিনার লাশ আমাদের কাছে ফিরিয়ে দিন।’

এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) সুজন সরকার বলেন, ‘আমরা দিরাইয়ের চারজনের বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছি। আরও দুয়েকটা জায়গায় এমন খবর পেয়েছি। অফিসিয়ালি ছাড়া তো বলা যায় না। তবে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।’