ঢাকা ০৭:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
News Title :
গণভোটের রায় কোর্ট পর্যন্ত নিলে পরিণতি ভয়াবহ হবে: শিবির সভাপতি ‘ইসরায়েলের হয়ে কেউ যুদ্ধ করতে চায় না’ জবি সাংবাদিক সমিতিতে ছাত্রদলের হামলা, আহত ১০ স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়া ‘নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে একজন রাজসাক্ষী পেলাম, তার নাম রিজওয়ানা’ ‘ঈদযাত্রায় ভাড়া বাড়ালে পরিবহনের রুট পারমিট বাতিল’ নিজেরসহ পরিবারের সদস্যদের ব্যাংক স্টেটমেন্ট প্রকাশ করলেন আসিফ মাহমুদ খেলোয়াড়দের জরিমানা: পিসিবির তীব্র সমালোচনা মোহাম্মদ আমিরের ‘ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ’ নির্ধারিত তারিখে মুক্তি পাচ্ছে না যশের বহুল প্রতীক্ষিত ছবি ‘টক্সিক’

গণভোটের রায় কোর্ট পর্যন্ত নিলে পরিণতি ভয়াবহ হবে: শিবির সভাপতি

নিজস্ব সংবাদ :

 

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও কিশোর কণ্ঠ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেছেন, গণভোটের রায় জনগণের। এই রায়কে যদি কেউ কোর্ট পর্যন্ত নিয়ে যায়, তাহলে এর পরিণতি খুব ভয়াবহ হবে। তরুণ প্রজন্ম কাউকে ছেড়ে দিয়ে কথা বলবে না।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমিতে কিশোর কণ্ঠ পাঠক ফোরামের মেধাবৃত্তি ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, নির্বাচনের পর যে দলটি ক্ষমতায় গিয়েছে তারা জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রচণ্ড গড়িমসি করছে। এর আগে তারা জুলাই সনদে অংশগ্রহণ করেছে, স্বাক্ষর করেছে। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের ডাকে দিনের পর দিন আলোচনা অংশগ্রহণ করেছে। তারা যে বিষয়গুলোতে ঐকমত্য পোষণ করেছে, সেখানে ঐকমত্যের ভিত্তিতে গণভোটের আয়োজন করা হয়েছিল।

এই গণভোটের রায়কে আবার চ্যালেঞ্জ করে পরবর্তীতে হাইকোর্টে আমরা রিট দায়ের করতে দেখলাম। এই রিট দায়ের করার ক্ষেত্রে যেসব আইনজীবী অংশগ্রহণ করেছিল এবং রিট দায়ের করেছেন যিনি, তিনি বিএনপিমনা বা বিএনপি সমর্থিত। আমরা এটার ধিক্কার জানাই।

কিশোর কণ্ঠ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান বলেন, জুলাই বিপ্লবে এত রক্তের বিনিময়ে যে বিপ্লব সংগঠিত হয়েছিল, যে বিপ্লব তাদের রাজনীতি করার সুযোগ করে দিল, যে বিপ্লবের মাধ্যমে তারা দেশে আসতে পারল, এত রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে তারা কিভাবে সেই রক্তের সঙ্গে বেঈমানি করতে পারে।

আমরা লজ্জিত।

বিগত সরকারের সমালোচনা করে ছাত্রশিবির সভাপতি বলেন, আগে যখন ফ্যাসিবাদ মানুষের ওপর কোনো কিছু চাপিয়ে দেওয়ার প্রয়োজনবোধ করত, তখন তারা কোর্টে যেত। কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় তারা কোর্টের কথা বলে বারবার এই রায়কে প্রলুদ্ধ করার চেষ্টা করেছে এবং কোটাগুলোকে ফিরিয়ে আনার ষড়যন্ত্র করেছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ০৫:১০:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬
২ বার পড়া হয়েছে

গণভোটের রায় কোর্ট পর্যন্ত নিলে পরিণতি ভয়াবহ হবে: শিবির সভাপতি

আপডেট সময় ০৫:১০:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

 

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও কিশোর কণ্ঠ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেছেন, গণভোটের রায় জনগণের। এই রায়কে যদি কেউ কোর্ট পর্যন্ত নিয়ে যায়, তাহলে এর পরিণতি খুব ভয়াবহ হবে। তরুণ প্রজন্ম কাউকে ছেড়ে দিয়ে কথা বলবে না।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমিতে কিশোর কণ্ঠ পাঠক ফোরামের মেধাবৃত্তি ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, নির্বাচনের পর যে দলটি ক্ষমতায় গিয়েছে তারা জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রচণ্ড গড়িমসি করছে। এর আগে তারা জুলাই সনদে অংশগ্রহণ করেছে, স্বাক্ষর করেছে। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের ডাকে দিনের পর দিন আলোচনা অংশগ্রহণ করেছে। তারা যে বিষয়গুলোতে ঐকমত্য পোষণ করেছে, সেখানে ঐকমত্যের ভিত্তিতে গণভোটের আয়োজন করা হয়েছিল।

এই গণভোটের রায়কে আবার চ্যালেঞ্জ করে পরবর্তীতে হাইকোর্টে আমরা রিট দায়ের করতে দেখলাম। এই রিট দায়ের করার ক্ষেত্রে যেসব আইনজীবী অংশগ্রহণ করেছিল এবং রিট দায়ের করেছেন যিনি, তিনি বিএনপিমনা বা বিএনপি সমর্থিত। আমরা এটার ধিক্কার জানাই।

কিশোর কণ্ঠ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান বলেন, জুলাই বিপ্লবে এত রক্তের বিনিময়ে যে বিপ্লব সংগঠিত হয়েছিল, যে বিপ্লব তাদের রাজনীতি করার সুযোগ করে দিল, যে বিপ্লবের মাধ্যমে তারা দেশে আসতে পারল, এত রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে তারা কিভাবে সেই রক্তের সঙ্গে বেঈমানি করতে পারে।

আমরা লজ্জিত।

বিগত সরকারের সমালোচনা করে ছাত্রশিবির সভাপতি বলেন, আগে যখন ফ্যাসিবাদ মানুষের ওপর কোনো কিছু চাপিয়ে দেওয়ার প্রয়োজনবোধ করত, তখন তারা কোর্টে যেত। কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় তারা কোর্টের কথা বলে বারবার এই রায়কে প্রলুদ্ধ করার চেষ্টা করেছে এবং কোটাগুলোকে ফিরিয়ে আনার ষড়যন্ত্র করেছে।