ঢাকা ০৭:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর স্বাধীন তদারকির আহ্বান জাতিসংঘের সিলেটে বাসায় মিলল চিকিৎসকের ঝুলন্ত মরদেহ হবিগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মেঝে ধসে ৫ শিক্ষার্থী আহত ১৪ পিংক বাসের অর্ধেকেরই আয়ুষ্কাল শেষ ‘কোরআন-সুন্নাহবিরোধী আইন প্রত্যাহার না করলে করুণ পরিণাম হবে’ যথাসময়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারত সফর করবেন: দীনেশ ত্রিবেদী ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটে অচল ১৫ কিলোমিটার ইরান যুদ্ধ দেখিয়েছে যে শুধু যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা যথেষ্ট নয়: কাতার কীভাবে কর্মসূচি করব বিএনপিকে শেখাতে হবে না: সারজিস আলম সাড়ে ১১ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেবে সরকার : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

গণভোটের রায় কোর্ট পর্যন্ত নিলে পরিণতি ভয়াবহ হবে: শিবির সভাপতি

নিজস্ব সংবাদ :

 

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও কিশোর কণ্ঠ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেছেন, গণভোটের রায় জনগণের। এই রায়কে যদি কেউ কোর্ট পর্যন্ত নিয়ে যায়, তাহলে এর পরিণতি খুব ভয়াবহ হবে। তরুণ প্রজন্ম কাউকে ছেড়ে দিয়ে কথা বলবে না।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমিতে কিশোর কণ্ঠ পাঠক ফোরামের মেধাবৃত্তি ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, নির্বাচনের পর যে দলটি ক্ষমতায় গিয়েছে তারা জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রচণ্ড গড়িমসি করছে। এর আগে তারা জুলাই সনদে অংশগ্রহণ করেছে, স্বাক্ষর করেছে। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের ডাকে দিনের পর দিন আলোচনা অংশগ্রহণ করেছে। তারা যে বিষয়গুলোতে ঐকমত্য পোষণ করেছে, সেখানে ঐকমত্যের ভিত্তিতে গণভোটের আয়োজন করা হয়েছিল।

এই গণভোটের রায়কে আবার চ্যালেঞ্জ করে পরবর্তীতে হাইকোর্টে আমরা রিট দায়ের করতে দেখলাম। এই রিট দায়ের করার ক্ষেত্রে যেসব আইনজীবী অংশগ্রহণ করেছিল এবং রিট দায়ের করেছেন যিনি, তিনি বিএনপিমনা বা বিএনপি সমর্থিত। আমরা এটার ধিক্কার জানাই।

কিশোর কণ্ঠ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান বলেন, জুলাই বিপ্লবে এত রক্তের বিনিময়ে যে বিপ্লব সংগঠিত হয়েছিল, যে বিপ্লব তাদের রাজনীতি করার সুযোগ করে দিল, যে বিপ্লবের মাধ্যমে তারা দেশে আসতে পারল, এত রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে তারা কিভাবে সেই রক্তের সঙ্গে বেঈমানি করতে পারে।

আমরা লজ্জিত।

বিগত সরকারের সমালোচনা করে ছাত্রশিবির সভাপতি বলেন, আগে যখন ফ্যাসিবাদ মানুষের ওপর কোনো কিছু চাপিয়ে দেওয়ার প্রয়োজনবোধ করত, তখন তারা কোর্টে যেত। কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় তারা কোর্টের কথা বলে বারবার এই রায়কে প্রলুদ্ধ করার চেষ্টা করেছে এবং কোটাগুলোকে ফিরিয়ে আনার ষড়যন্ত্র করেছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ০৫:১০:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬
৭৯ বার পড়া হয়েছে

গণভোটের রায় কোর্ট পর্যন্ত নিলে পরিণতি ভয়াবহ হবে: শিবির সভাপতি

আপডেট সময় ০৫:১০:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

 

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও কিশোর কণ্ঠ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেছেন, গণভোটের রায় জনগণের। এই রায়কে যদি কেউ কোর্ট পর্যন্ত নিয়ে যায়, তাহলে এর পরিণতি খুব ভয়াবহ হবে। তরুণ প্রজন্ম কাউকে ছেড়ে দিয়ে কথা বলবে না।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমিতে কিশোর কণ্ঠ পাঠক ফোরামের মেধাবৃত্তি ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, নির্বাচনের পর যে দলটি ক্ষমতায় গিয়েছে তারা জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রচণ্ড গড়িমসি করছে। এর আগে তারা জুলাই সনদে অংশগ্রহণ করেছে, স্বাক্ষর করেছে। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের ডাকে দিনের পর দিন আলোচনা অংশগ্রহণ করেছে। তারা যে বিষয়গুলোতে ঐকমত্য পোষণ করেছে, সেখানে ঐকমত্যের ভিত্তিতে গণভোটের আয়োজন করা হয়েছিল।

এই গণভোটের রায়কে আবার চ্যালেঞ্জ করে পরবর্তীতে হাইকোর্টে আমরা রিট দায়ের করতে দেখলাম। এই রিট দায়ের করার ক্ষেত্রে যেসব আইনজীবী অংশগ্রহণ করেছিল এবং রিট দায়ের করেছেন যিনি, তিনি বিএনপিমনা বা বিএনপি সমর্থিত। আমরা এটার ধিক্কার জানাই।

কিশোর কণ্ঠ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান বলেন, জুলাই বিপ্লবে এত রক্তের বিনিময়ে যে বিপ্লব সংগঠিত হয়েছিল, যে বিপ্লব তাদের রাজনীতি করার সুযোগ করে দিল, যে বিপ্লবের মাধ্যমে তারা দেশে আসতে পারল, এত রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে তারা কিভাবে সেই রক্তের সঙ্গে বেঈমানি করতে পারে।

আমরা লজ্জিত।

বিগত সরকারের সমালোচনা করে ছাত্রশিবির সভাপতি বলেন, আগে যখন ফ্যাসিবাদ মানুষের ওপর কোনো কিছু চাপিয়ে দেওয়ার প্রয়োজনবোধ করত, তখন তারা কোর্টে যেত। কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় তারা কোর্টের কথা বলে বারবার এই রায়কে প্রলুদ্ধ করার চেষ্টা করেছে এবং কোটাগুলোকে ফিরিয়ে আনার ষড়যন্ত্র করেছে।