ঢাকা ০২:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
News Title :
প্যারোলে মুক্তিতে মায়ের জানাজায় আলোচিত সেই রানা প্লাজার মালিক সোহেল সিলেটের উন্নয়নের স্বার্থে আমরা সবাই এক হয়ে কাজ করব মোনাজাতে জিয়াউর রহমানের নাম না নেওয়ায় ছাত্রদলের প্রতিবাদ কুষ্টিয়ায় ট্রাক-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল ৫ জনের নোংরামি করলে বরদাশত করব না, জামায়াতকে কাদের প্রাণঘাতী ভাইরাসে থাইল্যান্ডের একটি পার্কে ৭২ বাঘের মৃত্যু প্রাণঘাতী ভাইরাসে থাইল্যান্ডের একটি পার্কে ৭২ বাঘের মৃত্যু ‘যখন যে দল আসে সে তার মতো করে ইতিহাস রচনা করে’ দ্য হান্ড্রেড নিলামে ২৩ বাংলাদেশি ক্রিকেটার, সর্বোচ্চ ক্যাটাগতিতে মোস্তাফিজ গৃহকর্মী নির্যাতনের ঘটনায় বিমানের সাবেক এমডির স্ত্রীর দায় স্বীকার

গৃহকর্মী নির্যাতনের ঘটনায় বিমানের সাবেক এমডির স্ত্রীর দায় স্বীকার

নিজস্ব সংবাদ :

 

১১ বছরের শিশু গৃহকর্মীকে নির্যাতনের মামলায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) শফিকুর রহমান ওরফে সাফিকুর রহমানের স্ত্রী বিথী আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।

আজ শনিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইসমাইল হোসেন তার জবানবন্দি রেকর্ড শেষে কারাগারে পাঠিয়েছেন।

এ বিষয়ে ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক তাহমিনা আক্তার বলেন, রিমান্ড শেষে আসামি বিথীকে আদালতে হাজির করা হয়। তিনি স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার উপপরিদর্শক রোবেল মিয়া তার জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করেন।

পরে জবানবন্দি রেকর্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে গত ২ ফেব্রুয়ারি গ্রেপ্তারের পর আসামি সাফিকুর রহমান ও তার স্ত্রী বিথীসহ চারজনকে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে গত ৮ ফেব্রুয়ারি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও উত্তরা পশ্চিম থানার উপপরিদর্শক রোবেল মিয়া তাদের সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। গত ১০ ফেব্রুয়ারি সাফিকুরের পাঁচ দিন ও তার স্ত্রী বিথীর সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

ওইদিন গৃহকর্মী রুপালী খাতুনের পাঁচ দিন এবং মোছা. সুফিয়া বেগমের ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। রিমান্ড শেষে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি রুপালীকে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে ২০ ফেব্রুয়ারি জবানবন্দি দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় বিমানের সাবেক এমডি সাফিকুরকে কারাগারে পাঠানো হয়। একইসঙ্গে দায় স্বীকারের পর গৃহকর্মী সুফিয়া বেগম কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, উত্তরা ৯ নং সেক্টরের শফিকুর রহমানের বাসার নিরাপত্তাকর্মী জাহাঙ্গীর গোলাম মোস্তফাকে জানায়, ওই বাসায় বাচ্চা দেখাশোনার জন্য ছোট মেয়ে খুঁজতেছে। পরে তাদের সাথে দেখা করেন মোস্তফা। তারা জানায়, যাকে রাখবে বিবাহসহ যাবতীয় খরচ বহন করবে। তাতে সম্মত হয়ে গত বছরের জুন মাসে মোহনাকে ওই বাসায় কাজে দেন মোস্তফা। সর্বশেষ গত বছরের ২ নভেম্বর ওই বাসায় মোহনাকে সুস্থ অবস্থায় দেখে আসেন বাবা।

তবে এরপর আর মোহনাকে পরিবারের সাথে দেখা করতে দেয়নি আসামিরা। গত ৩১ জানুয়ারি বিথী মোস্তফাকে ফোন করে জানান, মোহনা অসুস্থ। তাকে নিয়ে যেতে। পরে মোহনাকে আনতে যান গোলাম মোস্তফা। সন্ধ্যা ৭ টার দিকে গোলাম মোস্তফার কাছে মোহনাকে বুঝে দেন সাথী।
তখন মোস্তফা দেখতে পান, মোহনার দুই হাতসহ শরীরের বিভিন্নস্থান গুরুতর জখম। মোহনা ভালোভাবে কথাও বলতে পারে না। সাথীকে এর কারণ জিজ্ঞাসা করলে সদুত্তর দিতে পারে না। পরে তিনি মোহনাকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ০৩:২০:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
১৬ বার পড়া হয়েছে

গৃহকর্মী নির্যাতনের ঘটনায় বিমানের সাবেক এমডির স্ত্রীর দায় স্বীকার

আপডেট সময় ০৩:২০:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

১১ বছরের শিশু গৃহকর্মীকে নির্যাতনের মামলায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) শফিকুর রহমান ওরফে সাফিকুর রহমানের স্ত্রী বিথী আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।

আজ শনিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইসমাইল হোসেন তার জবানবন্দি রেকর্ড শেষে কারাগারে পাঠিয়েছেন।

এ বিষয়ে ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক তাহমিনা আক্তার বলেন, রিমান্ড শেষে আসামি বিথীকে আদালতে হাজির করা হয়। তিনি স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার উপপরিদর্শক রোবেল মিয়া তার জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করেন।

পরে জবানবন্দি রেকর্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে গত ২ ফেব্রুয়ারি গ্রেপ্তারের পর আসামি সাফিকুর রহমান ও তার স্ত্রী বিথীসহ চারজনকে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে গত ৮ ফেব্রুয়ারি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও উত্তরা পশ্চিম থানার উপপরিদর্শক রোবেল মিয়া তাদের সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। গত ১০ ফেব্রুয়ারি সাফিকুরের পাঁচ দিন ও তার স্ত্রী বিথীর সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

ওইদিন গৃহকর্মী রুপালী খাতুনের পাঁচ দিন এবং মোছা. সুফিয়া বেগমের ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। রিমান্ড শেষে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি রুপালীকে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে ২০ ফেব্রুয়ারি জবানবন্দি দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় বিমানের সাবেক এমডি সাফিকুরকে কারাগারে পাঠানো হয়। একইসঙ্গে দায় স্বীকারের পর গৃহকর্মী সুফিয়া বেগম কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, উত্তরা ৯ নং সেক্টরের শফিকুর রহমানের বাসার নিরাপত্তাকর্মী জাহাঙ্গীর গোলাম মোস্তফাকে জানায়, ওই বাসায় বাচ্চা দেখাশোনার জন্য ছোট মেয়ে খুঁজতেছে। পরে তাদের সাথে দেখা করেন মোস্তফা। তারা জানায়, যাকে রাখবে বিবাহসহ যাবতীয় খরচ বহন করবে। তাতে সম্মত হয়ে গত বছরের জুন মাসে মোহনাকে ওই বাসায় কাজে দেন মোস্তফা। সর্বশেষ গত বছরের ২ নভেম্বর ওই বাসায় মোহনাকে সুস্থ অবস্থায় দেখে আসেন বাবা।

তবে এরপর আর মোহনাকে পরিবারের সাথে দেখা করতে দেয়নি আসামিরা। গত ৩১ জানুয়ারি বিথী মোস্তফাকে ফোন করে জানান, মোহনা অসুস্থ। তাকে নিয়ে যেতে। পরে মোহনাকে আনতে যান গোলাম মোস্তফা। সন্ধ্যা ৭ টার দিকে গোলাম মোস্তফার কাছে মোহনাকে বুঝে দেন সাথী।
তখন মোস্তফা দেখতে পান, মোহনার দুই হাতসহ শরীরের বিভিন্নস্থান গুরুতর জখম। মোহনা ভালোভাবে কথাও বলতে পারে না। সাথীকে এর কারণ জিজ্ঞাসা করলে সদুত্তর দিতে পারে না। পরে তিনি মোহনাকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান।