ঢাকা ১১:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
News Title :

এবারের নির্বাচন দেশ পুনর্গঠনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ: তারেক রহমান

নিজস্ব সংবাদ :

এবারের নির্বাচন দেশ পুনর্গঠনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ: তারেক রহমান

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ের মাধ্যমে সরকার গঠন করলে ঠাকুরগাঁওয়ে বিমানবন্দর চালুসহ বিভিন্ন উন্নয়নের আশ্বাস দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঠাকুরগাঁওয়ে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় এ প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

তারেক রহমান বলেন, ‘রাজনৈতিক অধিকারের পাশাপাশি মানুষ অর্থনৈতিক অধিকার থেকেও বঞ্চিত হয়েছে। বিগত স্বৈরাচার শাসক নারী ও যুবকদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে পারেনি।

দীর্ঘ এক যুগ ধরে দেশের মানুষ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি মানুষ সেই অধিকার প্রয়োগ করবে। এবারের নির্বাচন শুধু জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের জন্য নয়, বরং দেশ পুনর্গঠনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে শুধু সরকার পরিচালনা নয়, দেশ পুনর্গঠনের কাজেও হাত দেওয়া হবে।

‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও ‘কৃষি কার্ড’ চালুর কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এসব কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা সহজে ঋণ নিতে পারবেন, সার ও কীটনাশক পাবেন। ধানের শীষের প্রার্থী বিজয়ী হলে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ করা হবে।’ পাশাপাশি রেজিস্টার্ড এনজিও থেকে নেওয়া কৃষিঋণ সরকার পরিশোধ করবে বলেও জানান।

উত্তরাঞ্চলকে কৃষিভিত্তিক শিল্পের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন তারেক রহমান।

তিনি বলেন, ‘কৃষিপ্রধান এলাকায় কলকারখানা স্থাপন করা হবে, যাতে কর্মসংস্থান তৈরি হয়। পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁওয়ে চা কারখানা ও শিল্পকারখানা চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। যুবকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। ঠাকুরগাঁওয়ে ক্যাডেট কলেজ প্রতিষ্ঠার দাবিও বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হবে।’ পাশাপাশি হিমাগার নির্মাণ, যুবকদের জন্য আইটি পার্ক, মেডিক্যাল কলেজ ও একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দেন।

তিনি বলেন, ‘গত এক যুগে শাসকগোষ্ঠী নিজেদের স্বার্থ দেখেছে। ফলে মানুষ চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে স্বাস্থ্যসেবার জন্য হেলথ কেয়ারার নিয়োগ দেওয়া হবে। আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি, এখন মানুষকে সঙ্গে নিয়ে দেশ পুনর্গঠন করতে হবে। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ বাংলাদেশ গড়তে চাই। এই কাজ বাস্তবায়নে জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন।’

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ০৬:৩৬:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
১০ বার পড়া হয়েছে

এবারের নির্বাচন দেশ পুনর্গঠনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ: তারেক রহমান

আপডেট সময় ০৬:৩৬:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ের মাধ্যমে সরকার গঠন করলে ঠাকুরগাঁওয়ে বিমানবন্দর চালুসহ বিভিন্ন উন্নয়নের আশ্বাস দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঠাকুরগাঁওয়ে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় এ প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

তারেক রহমান বলেন, ‘রাজনৈতিক অধিকারের পাশাপাশি মানুষ অর্থনৈতিক অধিকার থেকেও বঞ্চিত হয়েছে। বিগত স্বৈরাচার শাসক নারী ও যুবকদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে পারেনি।

দীর্ঘ এক যুগ ধরে দেশের মানুষ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি মানুষ সেই অধিকার প্রয়োগ করবে। এবারের নির্বাচন শুধু জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের জন্য নয়, বরং দেশ পুনর্গঠনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে শুধু সরকার পরিচালনা নয়, দেশ পুনর্গঠনের কাজেও হাত দেওয়া হবে।

‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও ‘কৃষি কার্ড’ চালুর কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এসব কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা সহজে ঋণ নিতে পারবেন, সার ও কীটনাশক পাবেন। ধানের শীষের প্রার্থী বিজয়ী হলে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ করা হবে।’ পাশাপাশি রেজিস্টার্ড এনজিও থেকে নেওয়া কৃষিঋণ সরকার পরিশোধ করবে বলেও জানান।

উত্তরাঞ্চলকে কৃষিভিত্তিক শিল্পের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন তারেক রহমান।

তিনি বলেন, ‘কৃষিপ্রধান এলাকায় কলকারখানা স্থাপন করা হবে, যাতে কর্মসংস্থান তৈরি হয়। পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁওয়ে চা কারখানা ও শিল্পকারখানা চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। যুবকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। ঠাকুরগাঁওয়ে ক্যাডেট কলেজ প্রতিষ্ঠার দাবিও বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হবে।’ পাশাপাশি হিমাগার নির্মাণ, যুবকদের জন্য আইটি পার্ক, মেডিক্যাল কলেজ ও একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দেন।

তিনি বলেন, ‘গত এক যুগে শাসকগোষ্ঠী নিজেদের স্বার্থ দেখেছে। ফলে মানুষ চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে স্বাস্থ্যসেবার জন্য হেলথ কেয়ারার নিয়োগ দেওয়া হবে। আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি, এখন মানুষকে সঙ্গে নিয়ে দেশ পুনর্গঠন করতে হবে। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ বাংলাদেশ গড়তে চাই। এই কাজ বাস্তবায়নে জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন।’