ঢাকা ১০:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :

কায়সারুল ইসলাম সুমনের জানাযায় মানুষের ঢল, শোকাহত প্রবাসী কমিউনিটি

নিজস্ব সংবাদ :

ব্রিটেনে কমিউনিটির পরিচিত মুখ ও এটিএন বাংলা ইউকের বিশিষ্ট সাংবাদিক কায়সারুল ইসলাম সুমনের জানাযায় মানুষের ঢল নামে। বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিকসহ সর্বস্তরের মানুষ তাকে শেষবারের মতো বিদায় জানাতে জানাযায় অংশ নেন।

এ সময় বাংলা প্রেসক্লাব বার্মিংহাম মিডল্যান্ডসের সভাপতি মারুফ আহম্মেদ গভীর শোক প্রকাশ করে বলেন, কায়সারুল ইসলাম সুমন ছিলেন একজন নিষ্ঠাবান সাংবাদিক ও মানবিক মানুষ। তার মৃত্যু শুধু পরিবার নয়, পুরো প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।

তিনি আরও বলেন, আমরা মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করছি—তিনি যেন জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন। একই সঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই এবং এই কঠিন সময়ে তাদের ধৈর্য ধারণের শক্তি দান করার জন্য আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করি।

এছাড়া উপস্থিত অন্যান্যরা বলেন, আমরা অত্যান্ত দুখিঃত এবং মর্মাহিত যে, আমাদের প্রিয় ভাই কায়সারুল ইসলাম সুমন আমাদের সকলের পরিচিত মুখ ও সাংবাদিক জগতের উজ্জল নক্ষত্র তার অকাল মৃত্যুতে আমরা আজকে তার দোয়া মাহফিলে উপস্থিত হয়েছি। দোয়া করি আল্লাহ যেন আমাদের এই ভাইকে বেহশত নসিব করেন।

উপস্থিত আরো একজন বলেন, আমাদের সুমন ভাই অত্যন্ত ভালো মানুষ ও স্পস্টবাদি মনুষ ছিলেন, এবং নির্বিক সাংবাদিক হিসেবে তিনি তার ভূমিকা রাখছিলেন। আমরা সকলে তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করি। আল্লাহ যেন আমাদের ভাইকে বেহস্ত নসিব করেন।

এসময় কান্নায় ভেঙে পড়েন কায়সারুল ইসলাম সুমনের আপন বড় ভাই। তিনি বলেন, আমাদের তিন ভাইয়ের মধ্যে সুমন সবার ছোট। আমরা আমার ভাইকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি বাচাঁনো জন্য, কিন্তু হাসপাতালে নেওয়ার পথেই আমার ভাই মারা যায়।

উল্লেখ, তিনি হৃদযন্ত্রের মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলায় নিজ বাড়িতে হৃদরোগে আক্রান্ত হন। পরবর্তীতে সিলেট হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালে নেওয়ার পথে ৪ ফেব্রুয়ারি বুধবার বাংলাদেশ সময় ভোর পৌনে ৬টায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৫২ বছর। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে, দুই মেয়ে ছাড়াও অসংখ্য আত্মীয়স্বজন, সহকর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

মরহুম কায়সারুল ইসলাম সুমনের গ্রামের বাড়ি মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার মহদিকোনা এলাকার মাস্টার বাড়িতে। তাঁর পিতার নাম মরহুম নজমুল ইসলাম।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ১০:৪২:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
৭৩ বার পড়া হয়েছে

কায়সারুল ইসলাম সুমনের জানাযায় মানুষের ঢল, শোকাহত প্রবাসী কমিউনিটি

আপডেট সময় ১০:৪২:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ব্রিটেনে কমিউনিটির পরিচিত মুখ ও এটিএন বাংলা ইউকের বিশিষ্ট সাংবাদিক কায়সারুল ইসলাম সুমনের জানাযায় মানুষের ঢল নামে। বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিকসহ সর্বস্তরের মানুষ তাকে শেষবারের মতো বিদায় জানাতে জানাযায় অংশ নেন।

এ সময় বাংলা প্রেসক্লাব বার্মিংহাম মিডল্যান্ডসের সভাপতি মারুফ আহম্মেদ গভীর শোক প্রকাশ করে বলেন, কায়সারুল ইসলাম সুমন ছিলেন একজন নিষ্ঠাবান সাংবাদিক ও মানবিক মানুষ। তার মৃত্যু শুধু পরিবার নয়, পুরো প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।

তিনি আরও বলেন, আমরা মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করছি—তিনি যেন জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন। একই সঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই এবং এই কঠিন সময়ে তাদের ধৈর্য ধারণের শক্তি দান করার জন্য আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করি।

এছাড়া উপস্থিত অন্যান্যরা বলেন, আমরা অত্যান্ত দুখিঃত এবং মর্মাহিত যে, আমাদের প্রিয় ভাই কায়সারুল ইসলাম সুমন আমাদের সকলের পরিচিত মুখ ও সাংবাদিক জগতের উজ্জল নক্ষত্র তার অকাল মৃত্যুতে আমরা আজকে তার দোয়া মাহফিলে উপস্থিত হয়েছি। দোয়া করি আল্লাহ যেন আমাদের এই ভাইকে বেহশত নসিব করেন।

উপস্থিত আরো একজন বলেন, আমাদের সুমন ভাই অত্যন্ত ভালো মানুষ ও স্পস্টবাদি মনুষ ছিলেন, এবং নির্বিক সাংবাদিক হিসেবে তিনি তার ভূমিকা রাখছিলেন। আমরা সকলে তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করি। আল্লাহ যেন আমাদের ভাইকে বেহস্ত নসিব করেন।

এসময় কান্নায় ভেঙে পড়েন কায়সারুল ইসলাম সুমনের আপন বড় ভাই। তিনি বলেন, আমাদের তিন ভাইয়ের মধ্যে সুমন সবার ছোট। আমরা আমার ভাইকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি বাচাঁনো জন্য, কিন্তু হাসপাতালে নেওয়ার পথেই আমার ভাই মারা যায়।

উল্লেখ, তিনি হৃদযন্ত্রের মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলায় নিজ বাড়িতে হৃদরোগে আক্রান্ত হন। পরবর্তীতে সিলেট হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালে নেওয়ার পথে ৪ ফেব্রুয়ারি বুধবার বাংলাদেশ সময় ভোর পৌনে ৬টায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৫২ বছর। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে, দুই মেয়ে ছাড়াও অসংখ্য আত্মীয়স্বজন, সহকর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

মরহুম কায়সারুল ইসলাম সুমনের গ্রামের বাড়ি মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার মহদিকোনা এলাকার মাস্টার বাড়িতে। তাঁর পিতার নাম মরহুম নজমুল ইসলাম।