ঢাকা ১১:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :

চট্টগ্রামে তৈরি তিন জাহাজ রপ্তানি হচ্ছে আমিরাতে

নিজস্ব সংবাদ :

চট্টগ্রামে তৈরি তিন জাহাজ রপ্তানি হচ্ছে আমিরাতে

চট্টগ্রামের ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ডে তৈরি তিনটি ল্যান্ডিং ক্রাফট জাহাজ সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) রপ্তানি করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) জাহাজগুলো ইউএইর প্রতিষ্ঠান মারওয়ান অ্যান্ড ট্রেডিং কোম্পানি এলএলসির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হবে।

জাহাজ তিনটির নাম—মায়া, এসএমএস এমি এবং মুনা। জাহাজগুলো হস্তান্তরের জন্য কর্ণফুলী নদীর তীরে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্যাপ্টেন সোহেল হাসান জানিয়েছেন, ক্রেতা প্রতিষ্ঠানের চাহিদা অনুযায়ী জাহাজগুলো তৈরি করা হয়েছে। এগুলো অফশোর সাপ্লাই, মালামাল পরিবহন এবং সমুদ্রবাণিজ্যের কাজে ব্যবহারের উপযোগী। হস্তান্তরের পর এগুলো সংযুক্ত আরব আমিরাতের উদ্দেশে যাত্রা করবে।

প্রতিটি জাহাজের দৈর্ঘ্য ৬৯ মিটার। প্রস্থ ১৬ মিটার। ড্রাফট ৩ মিটার। আন্তর্জাতিক ক্ল্যাসিফিকেশন সোসাইটি ব্যুরো ভেরিটাসের মানদণ্ড অনুযায়ী এগুলো তৈরি করা হয়েছে। জাহাজগুলোর গতি হবে ঘণ্টায় ১০ নটিক্যাল মাইল। প্রায় ৭০০ বর্গমিটার ক্লিয়ার ডেক স্পেস থাকায় ভারী যন্ত্রপাতি এবং বাল্ক কার্গো পরিবহনে এগুলো কার্যকর।

তিনটি জাহাজ হস্তান্তর বাংলাদেশের জাহাজ নির্মাণশিল্পের জন্য ইতিবাচক অগ্রগতি বলে মনে করছে ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ০৬:০৬:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫
১২৫ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রামে তৈরি তিন জাহাজ রপ্তানি হচ্ছে আমিরাতে

আপডেট সময় ০৬:০৬:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫

চট্টগ্রামের ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ডে তৈরি তিনটি ল্যান্ডিং ক্রাফট জাহাজ সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) রপ্তানি করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) জাহাজগুলো ইউএইর প্রতিষ্ঠান মারওয়ান অ্যান্ড ট্রেডিং কোম্পানি এলএলসির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হবে।

জাহাজ তিনটির নাম—মায়া, এসএমএস এমি এবং মুনা। জাহাজগুলো হস্তান্তরের জন্য কর্ণফুলী নদীর তীরে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্যাপ্টেন সোহেল হাসান জানিয়েছেন, ক্রেতা প্রতিষ্ঠানের চাহিদা অনুযায়ী জাহাজগুলো তৈরি করা হয়েছে। এগুলো অফশোর সাপ্লাই, মালামাল পরিবহন এবং সমুদ্রবাণিজ্যের কাজে ব্যবহারের উপযোগী। হস্তান্তরের পর এগুলো সংযুক্ত আরব আমিরাতের উদ্দেশে যাত্রা করবে।

প্রতিটি জাহাজের দৈর্ঘ্য ৬৯ মিটার। প্রস্থ ১৬ মিটার। ড্রাফট ৩ মিটার। আন্তর্জাতিক ক্ল্যাসিফিকেশন সোসাইটি ব্যুরো ভেরিটাসের মানদণ্ড অনুযায়ী এগুলো তৈরি করা হয়েছে। জাহাজগুলোর গতি হবে ঘণ্টায় ১০ নটিক্যাল মাইল। প্রায় ৭০০ বর্গমিটার ক্লিয়ার ডেক স্পেস থাকায় ভারী যন্ত্রপাতি এবং বাল্ক কার্গো পরিবহনে এগুলো কার্যকর।

তিনটি জাহাজ হস্তান্তর বাংলাদেশের জাহাজ নির্মাণশিল্পের জন্য ইতিবাচক অগ্রগতি বলে মনে করছে ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড।