ঢাকা ০১:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
ভুটানের বিপক্ষে জয় দিয়েই সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু বাংলাদেশের ফ্রান্সজুড়ে ফের বিক্ষোভ, অস্থিরতা সামাল দিতে মরিয়া ম্যাক্রোঁ সিলেট ও হবিগঞ্জের তিন ইউএনওকে রদবদল হবিগঞ্জে জাতীয় গ্রিডের পাইপলাইন ছিদ্র করে ৪২৯২ লিটার তেল চুরি ইরান যুদ্ধ ছাড়াও ট্রাম্পের দলের ভরাডুবির পেছনে ৪ কারণ আদালত প্রাঙ্গণে পরীমনিকে ঘিরে হট্টগোল ও ধাক্কাধাক্কি নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় আসর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন সামান্তা শারমিন হাসিনার রেখে যাওয়া সন্ত্রাসীরা গার্মেন্টসে আগুন দিচ্ছে: রুহুল কবীর রিজভী ৭ নভেম্বর পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা : বিজিএমইএ

বিমানবন্দরে লাগেজ সংগ্রহ নিয়ে এখন আর ভোগান্তি নেই: বিমানমন্ত্রী

নিজস্ব সংবাদ :

বিমানবন্দরে লাগেজ সংগ্রহ নিয়ে এখন আর ভোগান্তি নেই: বিমানমন্ত্রী

বর্তমান বিমানবন্দরে সেবার বিষয়ে যাত্রীদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি বলেন, বিশেষ করে লাগেজ সংগ্রহ ও ব্যাগ নিয়ে আগে যে ধরনের ভোগান্তি হতো, তা এখন আর নেই। বুধবার (৪ নভেম্বর) বিমানবন্দরে পরিদর্শন শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটে সম্প্রতি দেখা দেওয়া যান্ত্রিক ত্রুটি প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, এ ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন জমা পড়েছে। তদন্তে কারও গাফিলতি বা অবহেলার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

তিনি বলেন, ঢাকা থেকে উড়োজাহাজটি সম্পূর্ণ ঠিকঠাক অবস্থায় ছেড়ে গিয়েছিল। তবে জাপান থেকে ফেরার পথে উড়োজাহাজের ডানার পেছনের অংশে থাকা ফ্ল্যাপে কিছুটা সমস্যা দেখা দেয়। উড়োজাহাজে এ ধরনের ছোটখাটো যান্ত্রিক ত্রুটি অস্বাভাবিক নয়। এ ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে আরও সতর্ক থাকবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল চালুর বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর লক্ষ্যে জাপানের দেয়া বিভিন্ন শর্ত মেনে নেয়া হয়েছে। থার্ড টার্মিনাল চালু হলে বিদ্যমান টার্মিনাল ১ ও ২ থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা বন্ধ করা হবে।

টার্মিনাল দুটি পরিত্যক্ত থাকবে না জানিয়ে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক ফ্লাইটগুলো নতুন টার্মিনালে স্থানান্তরের পর টার্মিনাল ১ ও ২ থেকে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে। পাশাপাশি কার্গো, চার্টার্ড ও ভিভিআইপি ফ্লাইট পরিচালনার কাজেও এগুলো ব্যবহার করা হবে। এছাড়া সরকার নতুন একটি বাজেট এয়ারলাইন্স চালুর পরিকল্পনা করছে, যার কার্যক্রমও এই দুটি টার্মিনালকে কেন্দ্র করে পরিচালিত হবে।

ঢাকার ১০০ কিলোমিটারের মধ্যে নতুন কোনো বিমানবন্দর নির্মাণের পরিকল্পনা আপাতত নেই বলেও জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, একটি নতুন বিমানবন্দর নির্মাণ করতে অন্তত ১০ থেকে ১২ বছর সময় প্রয়োজন হয়। সবকিছু মিলিয়ে সেটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করতে প্রায় ১৫ বছর লেগে যায়। তাই বর্তমানে বিদ্যমান বিমানবন্দর অবকাঠামোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ১১:৫৩:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬
১৪ বার পড়া হয়েছে

বিমানবন্দরে লাগেজ সংগ্রহ নিয়ে এখন আর ভোগান্তি নেই: বিমানমন্ত্রী

আপডেট সময় ১১:৫৩:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬

বর্তমান বিমানবন্দরে সেবার বিষয়ে যাত্রীদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি বলেন, বিশেষ করে লাগেজ সংগ্রহ ও ব্যাগ নিয়ে আগে যে ধরনের ভোগান্তি হতো, তা এখন আর নেই। বুধবার (৪ নভেম্বর) বিমানবন্দরে পরিদর্শন শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটে সম্প্রতি দেখা দেওয়া যান্ত্রিক ত্রুটি প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, এ ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন জমা পড়েছে। তদন্তে কারও গাফিলতি বা অবহেলার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

তিনি বলেন, ঢাকা থেকে উড়োজাহাজটি সম্পূর্ণ ঠিকঠাক অবস্থায় ছেড়ে গিয়েছিল। তবে জাপান থেকে ফেরার পথে উড়োজাহাজের ডানার পেছনের অংশে থাকা ফ্ল্যাপে কিছুটা সমস্যা দেখা দেয়। উড়োজাহাজে এ ধরনের ছোটখাটো যান্ত্রিক ত্রুটি অস্বাভাবিক নয়। এ ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে আরও সতর্ক থাকবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল চালুর বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর লক্ষ্যে জাপানের দেয়া বিভিন্ন শর্ত মেনে নেয়া হয়েছে। থার্ড টার্মিনাল চালু হলে বিদ্যমান টার্মিনাল ১ ও ২ থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা বন্ধ করা হবে।

টার্মিনাল দুটি পরিত্যক্ত থাকবে না জানিয়ে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক ফ্লাইটগুলো নতুন টার্মিনালে স্থানান্তরের পর টার্মিনাল ১ ও ২ থেকে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে। পাশাপাশি কার্গো, চার্টার্ড ও ভিভিআইপি ফ্লাইট পরিচালনার কাজেও এগুলো ব্যবহার করা হবে। এছাড়া সরকার নতুন একটি বাজেট এয়ারলাইন্স চালুর পরিকল্পনা করছে, যার কার্যক্রমও এই দুটি টার্মিনালকে কেন্দ্র করে পরিচালিত হবে।

ঢাকার ১০০ কিলোমিটারের মধ্যে নতুন কোনো বিমানবন্দর নির্মাণের পরিকল্পনা আপাতত নেই বলেও জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, একটি নতুন বিমানবন্দর নির্মাণ করতে অন্তত ১০ থেকে ১২ বছর সময় প্রয়োজন হয়। সবকিছু মিলিয়ে সেটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করতে প্রায় ১৫ বছর লেগে যায়। তাই বর্তমানে বিদ্যমান বিমানবন্দর অবকাঠামোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য।